এ পর্যন্ত আলোচনায় তাহলে আমরা যে ধারণা পেলাম তা হচ্ছে-
১. ইনজেকশন কত প্রকার এবং কত রকম পদ্ধতিতে দেয়া হয়।
২. তা কিভাবে রক্ত স্রোতের মাধ্যমে শরীরের সর্বাংশে ছড়ায়।
৩. বিশেষত মগজের অভ্যন্তরে কি করে ইনজেকশনের পর ওষুধ প্রবেশ করে।
এতক্ষণের আলোচনায় এটাই দেখা যাচ্ছে যে, যত প্রকারের ইনজেকশন হোক না কেন, তা এক সময় রক্ত স্রোতে মিশবে এবং মগজে পৌঁছে যাবে।
অতএব চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্যবহুল আলোচনা দ্বারা স্পষ্টই প্রমাণিত হলো যে, ইনজেকশন ইত্যাদি মগজে পৌঁছে। সুতরাং রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। কারণ, ফিক্বাহের কিতাবে উল্লেখ রয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا من داء إلا في الحبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاء إِلَّا السَّامَ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : ক বাকি অংশ পড়ুন...
মা চিকিৎসক। কোলের শিশুটির বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মা বুঝতে পারছিলো, শিশুটির পা দুটি স্বাভাবিক না, সামান্য বাঁকা। বয়স তখন ১৮ মাস। শিশুকে নিয়ে যান রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে। রক্ত পরীক্ষায় জানা গেল, শিশুটি ভিটামিন ডি স্বল্পতায় ভুগছে।
শিশুটির চিকিৎসা হয়েছিল প্রতিষ্ঠানের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগে। শিশুটিকে নিয়মিত ভিটামিন ডি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এখন শিশুটির বয়স ২২ মাস। ২৮ মে শিশুটির মা বলেন, শিশুটির পা ঠিক হয়ে গেছে। ওর শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতিও নেই।
শিশুটির চিকিৎসায় যুক্ত ছিলো বাংলাদেশ শিশু হাসপা বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকেই গরম ভাতের সঙ্গে এক চামচ ঘি খেতে পছন্দ করেন। ঘি শুধু স্বাদে এবং গন্ধে অতুলনীয় নয়, এর স্বাস্থ্যগুণও অনেক। রান্নার স্বাদ বৃদ্ধিতে ঘি’র জুড়ি নেই। ঘিয়ে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভিটামিন, খনিজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর পাশাপাশি শরীরের প্রতিটি পেশি শক্তিশালী করে, মেদ ঝরায়, হাড় মজবুত করে, শরীরের প্রতিটি কোষ সচল রাখে।
অনেকের ধারণা, ঘি খেলেই ওজন বাড়ে। পুষ্টিবিদরা বলছেন, ইচ্ছে মতো খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু নিয়ম করে খেলে শুধু ওজনই নিয়ন্ত্রণে থাকবে তা নয়। পাশাপাশি আরও অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে। যেমন-
জ্বরের বাকি অংশ পড়ুন...
ইতালির দক্ষিণাঞ্চলে প্রথম শতাব্দীতে একটি বিশেষ ধরনের চিজ প্রথম তৈরি হয় বলে শোনা যায়; যা দীর্ঘদিন পর্যন্ত ওই এলাকাতেই শুধু পাওয়া যেতো। বিংশ শতাব্দীতে রেফ্রিজারেশন পদ্ধতি প্রবর্তনের আগ পর্যন্ত বস্তুটি ওই অঞ্চলের বাইরে পাওয়া যেতো না। বর্তমানে অন্যতম পরিচিত একটি খাদ্যপণ্য মোজারেলা চিজের কথাই বলা হচ্ছে।
একসময় বাংলাদেশে এই চিজ আসতো বিদেশ থেকে। কিন্তু এখন দেশেই উৎপাদন হচ্ছে মোজারেলা চিজ। দেশের গরুর খামার ও দুধের রাজধানী খ্যাত সিরাজগঞ্জেই উৎপাদিত হচ্ছে এই চিজ।
ইতিহাস:
১৮৮২ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসক লর্ড লিন এই এলাকায় গরু পাল বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে সবচেয়ে জনপ্রিয় সবজিগুলোর মধ্যে শিম অন্যতম। অনেকেরই প্রিয় এই সবজি। তবে শুধু শিম নয়, শিমের বিচিও পুষ্টিকর খাবার। বর্তমানে সহজেই পাওয়া যায় শিমের বিচি। শোল বা মাগুর মাছের সঙ্গে রান্না করলে এটি শরীরকে প্রোটিন ও শর্করায় সমৃদ্ধ করে। ফলে শিমের বিচি শুধু শক্তি যোগায় না, দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করতে সাহায্য করে।
১০০ গ্রাম শিমের বিচিতে ২৪.৯ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা গরুর গোশতের চেয়ে বেশি এবং মুরগির গোশতের প্রায় সমান। তাই যারা নিরামিষভোজী বা গোশত, ডিম, দুধ খেতে পারেন না, তাদের জন্য শিমের বিচি একটি চমৎকার প্রোটিনের উৎস। জেনে নি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত মুবারক করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهٖ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বে বাকি অংশ পড়ুন...
সব ঋতুতেই হলুদ দুধ খাওয়ার রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। তবে শীতে ঋতু পরিবর্তনের ঠান্ডা আবহাওয়ায় নানা রোগের প্রকোপ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে নিয়মিত হলুদ দুধ খাওয়ায় অভ্যাসের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানা যায়, শীতের সেরা পানীয় হিসেবে হলুদ দুধকে গণ্য করা হয়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এর অসংখ্য উপকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে। জেনে নিন হলুদ দুধের উপকারিতাসমূহ-
১। চিকিৎসকরা প্রদাহ প্রশমিত করতে কাঁচা হলুদ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
২। দুধে এক টুকরো কাঁচা হলুদের ব্যবহার হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে।
৩। কাঁচা হলুদে এমন কিছু অ বাকি অংশ পড়ুন...
শীতের দিনে শরীর উষ্ণ রাখা বড়ই চ্যালেঞ্জ। শুধু মোটা কাপড় পরলেই যে শীতের প্রভাব এড়ানো যায়, তা নয়। এই সময় শরীরের ভেতর থেকে তাপ তৈরি ও ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক খাদ্যাভ্যাস। কিছু খাবার আছে, যা স্বাভাবিকভাবেই শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শীতজনিত অসুস্থতা থেকে সুরক্ষা দেয়।
শীতকালে খাদ্যতালিকায় এসব খাবার যুক্ত করলে উষ্ণতার পাশাপাশি পাওয়া যায় প্রয়োজনীয় পুষ্টিও। জেনে নিতে পারেন শীতকালে উপকারী কিছু খাবার সম্পর্কে-
তুলসী ও আদা: শীতকালে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসী ও আদা অত্যন্ত কার্যক বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে ঘি শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি ও তাপ জোগায়। এতে থাকা ভিটামিন ‘এ’, ‘ডি’, ‘ই’ ও ‘কে’ হাড়, দাঁত ও চোখের জন্য খুবই উপকারী।
প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ ও খাদ্যসংক্রান্ত বিজ্ঞান ঘি’কে বিশেষ স্থান দিয়ে এসেছে। শুধু স্বাদ বাড়ানোর জন্য নয়, বরং শরীরের স্বাস্থ্য রক্ষায়ও ঘি অনেক উপকারী। তবে শীত এলেই রান্নাঘরে ঘি’র গুরুত্ব বেড়ে যায়।
* ঠা-া ও কাশি প্রতিরোধক: ঘি’তে থাকা প্রাকৃতিক চর্বি ও শক্তি শরীরকে গরম রাখে। ফলে শীতকালে সর্দি, কাশি ও ঠা-া কম অনুভূত হয়।
* হজম শক্তি বাড়ায়: ঘি হজমে সহায়ক, পেট পরিষ্কার রাখে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। সাধার বাকি অংশ পড়ুন...
মা চিকিৎসক। কোলের শিশুটির বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মা বুঝতে পারছিলো, শিশুটির পা দুটি স্বাভাবিক না, সামান্য বাঁকা। বয়স তখন ১৮ মাস। শিশুকে নিয়ে যান রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে। রক্ত পরীক্ষায় জানা গেল, শিশুটি ভিটামিন ডি স্বল্পতায় ভুগছে।
শিশুটির চিকিৎসা হয়েছিল প্রতিষ্ঠানের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগে। শিশুটিকে নিয়মিত ভিটামিন ডি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এখন শিশুটির বয়স ২২ মাস। ২৮ মে শিশুটির মা বলেন, শিশুটির পা ঠিক হয়ে গেছে। ওর শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতিও নেই।
শিশুটির চিকিৎসায় যুক্ত ছিলো বাংলাদেশ শিশু হাসপা বাকি অংশ পড়ুন...












