SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%দানকারী%' OR titleBn LIKE '%দানকারী%' OR descriptionEn LIKE '%দানকারী%' OR descriptionBn LIKE '%দানকারী%' OR slug LIKE '%দানকারী%' OR metaTag LIKE '%দানকারী%' OR metaDescription LIKE '%দানকারী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদা হলোÑ বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখুক বা না দেখুক তিনি অবশ্যই হাযির-নাযির অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনাকে না দেখলেও বান্দাকে বিশ্বাস করতে হবে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি হাজির-নাযির তথা সব জায়গায় উপস্থিত এবং সবকিছু দেখে থাকেন। ঠিক তদ্রƒপ শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উম্মত দেখুক বা না দেখুক তিনিও হাযির-নাযির তথা সব জায়গায় উপস্থিত এবং সবকিছু দেখে থাকেন।
اِنَّا اَرْسَلْنٰكَ شَاهِدًا
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে প্রত্যক্ষদর্শী তথা হাজির-নাযির হিসাব বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা যেভাবে ঈমান; অনুরূপভাবে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি বিশ্বা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন:
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهٗ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهٖ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهٗ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: মানুষ যখন ইন্তিকাল করে, তখ বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক খন্দকের জিহাদে খন্দক খননের পরামর্শদানকারী হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ওয়াকিয়া:
পাদ্রী বললো, হে বৎস! মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! আমার জানা মতে নাছীবীনের একজন ব্যক্তি আছে। যে আমাদের দ্বীনের উপর অটল আছেন। সে অমুক। আপনি তার সাথে মিলিত হোন।
হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, অতঃপর যখন সে মারা গেলো এবং তাকে দাফন করা হলো, তখন আমি নাছীবীনের লোকটির সাথে মিলিত হলাম এবং আমার বিষয়ে ও আমার সাথী যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তাকে তা বললাম। সে বললো, আপনি আমার কাছে অবস্থান কর বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهٗ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهٖ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهٗ. অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: মানুষ যখন ইন্তিকাল করে, তখন বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক খন্দকের জিহাদে খন্দক খননের পরামর্শদানকারী হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ওয়াকিয়া:
হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, অতঃপর আমার আব্বা আমাকে ভয় দেখালেন এবং পায়ে বেড়ি পরিয়ে আমাকে বাড়িতেই বন্দী করে রাখলেন। আমি খৃষ্টানদের নিকট সংবাদ পাঠালাম যে, যখন তোমাদের নিকট শামের খৃষ্টান ব্যবসায়ী কাফেলা আসবে তখন তোমরা আমাকে জানাবে। (কিছুদিন পর) তাদের নিকট শামের এক খৃষ্টান ব্যবসায়ী কাফেলা আসে। অতঃপর তারা আমাকে সংবাদ প্রদান করে। আমি তাদের বললাম, যখন তারা তাদের প্রয়োজনা বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৬ষ্ঠ অংশ) :
উল্লিখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, মুখ ও হাত খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া বা পর-পুরুষের সামনে যাওয়া হারাম। জায়িয মনে করা কুফরী।
কেননা, দৃষ্টি দানকারী দৃষ্টি দিয়ে অন্যায় করার কারণে সে অভিশপ্ত হলো, তাহলে যার প্রতি দৃষ্টি দিবে সেই মহিলাটি অভিশপ্ত হওয়ার একমাত্র কারণ হলো: সে দৃষ্টি দেয়ার ক্ষেত্র তথা মুখ খোলা রেখে বের হয়েছে, সে কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে। মুখ খোলা রাখা জায়িয থাকলে সেই মহিলা কখনো অভিশপ্ত হতো না। কারো প্র বাকি অংশ পড়ুন...
لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَّرِزْقٌ كَرِيمٌ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ক্ষমা, উত্তম রিযিক, সম্মান, মর্যাদা, শান-মান মুবারক রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে অর্থ মুবারকটা কি হলো, এটাতো ভাষায় বলা কঠিন বিষয়। সেটাই বলা হচ্ছে যদি
إِنْ كَانَتْ سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِينَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيْقَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ خَبِيثَةً, فَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَبِيثٌ، فَهُوَ كَافِرٌ
নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! যদি উনাকে সেই বিপরীতটা বলা হয় তাহলে যিনি মাহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
দুয়া মুনাজাত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আলোকে ছওয়াব রেসানীর বিশেষ ফায়দা প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিম্নে উনার অভিমত প্রদত্ত হলো-
“মহান আল্লাহ পাক তিনি ছদকা বা দান-খয়রাত প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ৩য় পারার পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ উনার ২৬১নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
مَثَلُ الَّذِيْنَ يُنْفِقُوْنَ اَمْوَالَهُمْ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ اَنْبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِىْ كُلِّ سُنْبُلَةٍ مِئَةُ حَبَّةٍ وَ اللهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَّشَاءُ وَ اللهُ وَاسِعٌ عَلِيْمٌ
অর্থ: যারা মহান আল্লাহ পাক উনা বাকি অংশ পড়ুন...












