SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%তৈরী%' OR titleBn LIKE '%তৈরী%' OR descriptionEn LIKE '%তৈরী%' OR descriptionBn LIKE '%তৈরী%' OR slug LIKE '%তৈরী%' OR metaTag LIKE '%তৈরী%' OR metaDescription LIKE '%তৈরী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় পঞ্চাশ মাইল পূর্বে “কুসাইর আমরা দুর্গ” নামক ঐতিহাসিক একটি মুসলিম ইমারত স্থাপত্য অবস্থিত। ৭১১-৭১৪ খৃ: উমাইয়া শাসক আল ওয়ালিদের সময় জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় ৫০ মাইল পূর্বে ওয়াদি বাতুম নামক স্থানে “কুসাইর আমরা দুর্গটি” নির্মিত হয়। কুসাইর আমরা ছিলো উমাইয়া শাসকদের দ্বারা নির্মিত প্রথম জাগতিক স্থাপত্যের নির্দশন।
ভূমি নকশা ও গঠন:
‘কুসাইর আমরা’ অন্যান্য উমাইয়া স্থাপনার তুলনায় সুরক্ষিত। এটি সামান্য লোহিতাভ চুনা পাথরে নির্মিত এবং দুইটি সংবদ্ধ অংশে বিভক্ত। পশ্চিমদিকের আয়তাকার অংশটি হলো বাকি অংশ পড়ুন...
ইস্তেঞ্জার (প্রস্রাবের) সাথে দেহের ভেতরের বর্জ্যপদার্থ বের হয়। পাশাপাশি অনেক রোগের নীরব বার্তাও প্রদান করতে পারে। ইস্তেঞ্জার (প্রস্রাব) সাথে ফেনা দেখা দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এ ফেনা কখনো কখনো কিডনী রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবেও ধরা হয়।
সাধারণত স্বাভাবিক ইস্তেঞ্জায় অল্প সময়ের জন্য ফেনা দেখা যায়। কিন্তু যদি ফেনা বারবার হয় এবং অনেক্ষণ স্থায়ী এবং বারবার দেখা যায় তা কিডনী রোগের সংকেত হিসেবে ধরা যায়।
সাধারণ কারণ:
দ্রুত বা জোরে ইস্তেঞ্জা বের হলে পানিতে বাতাস মিশে ফেনা তৈরী হয়, যা অল্প সময়েই মিলিয়ে যায়।
দীর্ঘক্ষণ জমে থাকা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খেজুর গাছ দ্বারা তৈরী করা লাঠি মুবারক ব্যবহার করতেন। যার উচ্চতা ছিল উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কাঁধ মুবারক বরাবর। তা হাতের মুষ্ঠিতে ধরা যায় বা মুঠ করে ধরা যায় এরূপ মোটা ছিল। সুবহানাল্লাহ!
লাঠি মুবারক ব্যবহার করা নিয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বিভিন্ন লুগাতে বিভিন্ন শব্দবিন্যাসে বিভিন্নভাবে বর্ণিত রয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত খুতবা মুবারক দেওয়ার সময় মহাসম্মানিত নূরুল মাগফিরা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কাঠের তৈরি বাটিতে ঠান্ডা পানি, মধু, নবীয, দুধ, ছাতু ইত্যাদি পানীয় পান করেছেন। উনার সেই মুবারক পান পাত্রটি ছিল প্রশস্ত। উনার দৈর্ঘ্য থেকে প্রস্থ বেশি ছিল। উনার কিনারায় লোহার, অপর বর্ণনায় রুপার পাত বা বেড়ী লাগানো ছিল। পাত্রটি মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য সে পাত বা বেড়ী স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লাগিয়েছেন। অন্য বর্ণনায় উনার বিশিষ্ট খাদিম হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি লাগিয় বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গত ৫ই জুলাই খবর শিরোনাম হয়- ‘ময়মনসিংহে এক দিনে পানিতে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু’
এরপর দিন ৬ই জুলাই খবর শিরোনাম হয়- ‘কুড়িগ্রামে নালার পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ২ শিশুর’
গতকাল খবর শিরোনাম হয়- ‘শরীয়তপুরে বাড়ির পাশে গর্তে জমে থাক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ .
অর্থ: “যে ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দ্বীন তালাশ করে, অনুসরণ-অনুকরণ করে, তার থেকে সেটা গ্রহণ করা হবে না। সে অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ৮৫)
আফসুসের বিষয় হচ্ছে বর্তমানে দেখা যায় যে, অনেক মুসলমান হীনমন্যতায় ভোগার কারণে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা থেকে দূরে সরে কাফির-মুশরিক, মুনাফিকদের অনুসরণ করে থাকে। তাদের দ্রব্য-সামগ্রী ব্যবহার করে থাকে। ন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এক মুনাফিক কিছু বাতিল ও মনগড়া দলীল জোগাড় করে মূর্তিকে জায়িয প্রমাণ করার অপচেষ্টা করেছে। তার মূল বক্তব্য হচ্ছে, যে মূর্তিকে পূজা, আরাধনা, ইবাদত করা হয়, যেটা মানুষকে মুশরিক বানায়; সেটা নিষেধ। কিন্তু যে মূর্তিকে আরাধনা ইবাদত করা হয় না বরং যে মূর্তি সৌন্দর্য বাড়ায়, সুসজ্জিত করে সেটা নিষেধ নয়।
অতএব, উক্ত ব্যক্তির এ ধরণের যুক্তি কতটুকু ইসলামসম্মত? দলীলসহ জাওয়াব দিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।
জাওয়াব (২য় অংশ):
অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে- হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাই বাকি অংশ পড়ুন...
যে সকল ওলামায়ে সূ’রা মন্দির ও মূর্তি পাহারা দিয়েছে, হিন্দুদের পূজায় গিয়েছে, তাদেরকে পূজা করতে সাহায্য-সহযোগীতা করেছে, সমর্থন করেছে, সম্মতি প্রকাশ করেছে, তাদের সাথে মুছাফাহা ও মুয়ানাক্বা করেছে, তাদেরকে সম্মান করেছে, তা’যীম করেছে, তাদের সম্পর্কে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করেছে এবং সম্মানসূচক শব্দ দ্বারা সম্বোধন করেছে, বাহ বাহ দিয়েছে এবং বেশী বেশী মূর্তি তৈরী করতে বলেছে এবং বেশী বেশী পূঁজা করতে বলেছে। বলেছে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইহুদী, মুজুছী, মুশরিক পরস্পর ভাই ভাই, আরো বলেছে তারাই মন্দির ও মূর্তি পাহারা দিবে যাতে তারা ম বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের কৃষি খাতের দুঃখজনক কথা হলো, কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, আবার ভোক্তাও সস্তায় কিনতে পারে না। মাঝখানের এই বিশাল ‘দাম’ শুষে নিচ্ছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা।
গুটিকয়েক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদার হয়, তখন তারা একটি শক্তিশালী ‘দাম নিয়ন্ত্রণকারী’ গোষ্ঠী তৈরি করে। এই গোষ্ঠীটি হিমাগার, সার এবং বীজের বাজারের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং নিজেদের স্বার্থেই রফতানী প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিকভাবে জটিল করে রাখে, যাতে রফতানী সহজ হলে তাদের একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভেঙে না যায় এবং প্রান্তিক কৃষক বাকি অংশ পড়ুন...
ভূমিকা:
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে সমস্ত সৃষ্টির জন্য সর্বাবস্থায় সকল বিষয়ে নির্দেশনা মুবারক এবং হিদায়েত মুবারক দান করেছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার এই মহাপবিত্র কালাম কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা মায়েদা শরীফ উনার ৮২ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَـتَجِدَنَّ اَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّـلَّذِيۡنَ اٰمَنُوا الۡيَـهُوۡدَ وَالَّذِيۡنَ اَشۡرَكُوۡا
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...












