পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
আতর ভেষজ উৎস থেকে উৎপাদিত সুগন্ধী। আতর শব্দটি ফারসি শব্দ ‘ইতির’ থেকে এসেছে যার অর্থ সুগন্ধী। বিভিন্ন গাছপালা এবং ফুলের নির্যাস থেকে বিভিন্ন তেলের সাথে মিশিয়ে আতর তৈরী করা হত। বর্তমানে আতর শিল্পেও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
আতর শিল্পের মূল নিয়ামক হচ্ছে আগর। আগর গাছ থেকে তৈরি হয় মূল্যবান আতর। এক কেজি আগর তেলের মূল্য কয়েক লাখ টাকা। আতর শিল্পেও বাংলাদেশে সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। সিলেটের মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে আতর শিল্প। সেখানে আগর চাষের পাশাপাশি ২০০টির মতো ছোট-বড় কারখানা রয়েছে। ভারত, সিঙ্গ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সম্প্রতি লিবিয়ায় এক ইহুদি সালাফি রূপ ধারণ করে দেশটিতে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তৈরি করেছে। যার মাধ্যমে লিবিয়াকে আজ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে গেছে। তাই বাংলাদেশের দ্বীনদার মুসলমানদেরকে সালাফিদের বিষয়ে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাও. একে এম আশরাফুল হক ও মহাসচিব মাও. মুমিনুল ইসলাম।
এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। এসময় তারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমরা বিদেশী ও ইহুদি এজেন্ট সালাফিদেরকে যথেষ্ট সক্রিয় দেখতে পেরেছি। জাতি আশা বাকি অংশ পড়ুন...
আসলে কানে ওষুধ গেলে কখনো রোযা ভাঙ্গবে, আবার কখনো ভাঙ্গবে না। কানে পানি গেলে রোযা ভাঙ্গবে না, কিন্তু তেল গেলে রোযা ভাঙ্গবে এ ব্যাপারে ইজমা হয়ে গেছে। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, পানিবাহিত ওষুধ কানে প্রয়োগ করালে রোযা ভাঙ্গবে না কিন্তু তেলবাহিত ওষুধ কানে প্রয়োগ করালে রোযা ভাঙ্গবে। পানিবাহিত ওষুধে রোযা না ভাঙ্গার মূল কারণ ওষুধে পানির উপস্থিতি এবং তেলবাহিত ওষুধে রোযা ভাঙ্গার কারণ ওষুধে তেলের উপস্থিতি। মূলতঃ সকলেই একমত যে, কানে তেল গেলে রোযা ভাঙ্গবে, পানি গেলে রোযা ভাঙ্গবে না। মগজ অথবা পেটে প্রবেশ করুক আর না করুক, এটার উপরই ফতওয়া। যেম বাকি অংশ পড়ুন...
রোযা রেখে ইফতার এবং সাহরির মাঝের সময়টি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় কি খাওয়া হচ্ছে, কতটুকু খাওয়া হচ্ছে- এসবের ওপরই নির্ভর করে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে কিনা। তাই পরিকল্পনা করে খাবার খেলে রোযা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার ও সাহরির মাঝের সময়টিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না।
অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি খান। এতে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তবে অবশ্যই ইফতার শুরু করা উচিত সুন্নতী খাবার খে বাকি অংশ পড়ুন...
পুরুষের ক্বমীছ ও মহিলাদের ক্বমীছের মধ্যে পার্থক্য :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَت دِحْيَةَ بْنِ خَلِيفَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَبَاطِيَّ فَأَعْطَانِي مِنْهَا قُبْطِيَّةً فَقَالَ اصْدَعْهَا صَدْعَيْنِ فَاقْطَعْ أَحَدَهُمَا قَمِيصًا وَأَعْطِ الْآخَرَ امْرَأَتَكَ تَخْتَمِرُ بِهِ فَلَمَّا أَدْبَرَ قَالَ وَأْمُرِ امْرَأَتَكَ أَنْ تَجْعَلَ تَحْتَهُ ثَوْبًا لَا يَصِفُهَا-
অর্থ: হযরত দিহইয়া ইবনে খলীফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহুমা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...
ইরাক, লিবিয়ার মতই আমেরিকান লুটতরাজের আরেক ভূমি হতে চলছে নাইজেরিয়া।
খ্রিস্টান নিধনের নামে একের পর এক মুসলিম দেশ দখল হলে
কোটি কোটি মুসলিম শহীদের জন্য তো সবার আগে আমেরিকা দখলে
বিশ্ব মুসলিমের উদ্যমী হওয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। এর পূর্ণ সরকারি নাম নাইজেরিয়া যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র। এর পশ্চিম সীমান্তে বেনিন, উত্তরে নাইজার বা নিজে, উত্তর-পূর্বে চাদ, পূর্বে ক্যামেরুন এবং দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগর তথা গিনি উপসাগর।
এর আয়তন ৯,২৩,৭৬৮ বর্গকিলোমিট বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মলমের বর্ণনা:
এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ফার্মাসিউটিক্যাল সেমিসলিড (semisolid) প্রিপারেশন্সসমূহের মধ্যে রয়েছে, মলম (ointments), পেষ্ট (paste), ক্রীম (পৎবধস), ইমালশন (emulsion), জেল (gel) ইত্যাদি। এ সবগুলো মাধ্যমই ত্বকে ওষুধ প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে খুব অল্পসংখ্যক মাধ্যম দ্বারা মিউকাস মেমব্রেনে, যেমন রেকটাল টিস্যূ (recral tissue), বাক্কাল টিস্যূ (buccal tissue), ইউরিথ্রাল মেমব্রেন (urethral membrane), কানের বাইরের ত্বকে, নাকের মিউকোসাতে এবং চোখের কর্ণিয়াতে ওষুধ দেয়া হয়। মিউকাস মেমব্রেনে ওষুধ প্রবেশ করলে, তা রক্তে ছড়িয়ে যায় কিন্তু শরীরের সাধারণ ত্বক তু বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা মায়িদাহ্ শরীফ উনার ১৫নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক এবং সুস্পষ্ট কিতাব বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا من داء إلا في الحبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاء إِلَّا السَّامَ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : ক বাকি অংশ পড়ুন...












