SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%তাসবীহ%' OR titleBn LIKE '%তাসবীহ%' OR descriptionEn LIKE '%তাসবীহ%' OR descriptionBn LIKE '%তাসবীহ%' OR slug LIKE '%তাসবীহ%' OR metaTag LIKE '%তাসবীহ%' OR metaDescription LIKE '%তাসবীহ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ২৮ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ঐ ব্যক্তিকে অনুসরণ করà বাকি অংশ পড়ুন...
যানবাহন থেকে নামার দোয়া মুবারক :
رَبِّ اَنْزِلْنِيْ مُنْزَلًا مُّبَارَكًا وَّ اَنْتَ خَيْرٌ مُّنْزِلِيْنَ -
অর্থ : আয় আমার রব তায়ালা! আপনি আমাকে বরকতময় স্থানে অবতীর্ণ করান। আর আপনিই উত্তম অবতীর্ণকারী।
উপরে বা উঁচু জায়গায় আরোহণ এবং নিচে অবতরণের দোয়া মুবারক:
উপরে বা উঁচু জায়গায় আরোহণের মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ হলো, প্রথমেبِسْمِ اللهِ “বিসমিল্লাহ” বলে ডান পা দিতে হবে। অতঃপর আরোহণ করতে করতে اَللهُ اَكْبَرُ “আল্লাহু আকবার” বলতে হবে। -)বুখারী শরীফ, তিরমিযী শরীফ(
নিচে অবতরণের মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ হলো, নিচে অবতরণের সময় بِسْمِ اللهِ “বিসমিল্লাহ” বলে বাম বাকি অংশ পড়ুন...
‘আমার আলোচনা যে করে, আলোচনা শুরু করার আগেই তার গুনাহ্-খতাগুলো মাফ করা হয়, তারপর তার দ্বারা আমার আলোচনা করানো হয়।’
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـى الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّهٗ مَرَّ مَعَ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِلـٰى بَيْتِ حَضْرَتْ عَامِرٍ اَلْاَنْصَارِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ وَكَانَ يُعَلِّمُ وَقَائِعَ وِلَادَتِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِاَبْنَائِهٖ وَعَشِيْرَتِهٖ وَيَقُوْلُ هٰذَا الْيَوْمَ هٰذَا الْيَوْمَ فَقَالَ عَلَيْهِ الصَّلٰوةُ وَالسَّلَامُ اِنَّ اللهَ فَتَحَ لَكَ اَبْوَابَ الرَّحْـمَةِ وَالْمَلَائِكَةُ كُلُّهُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ لَكَ مَÙ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র জানাযার নামাযের পর দাফনের পূর্বে আর দোয়া-মুনাজাত করার প্রয়োজন নাই। এটা বিদয়াত। জানাযার নামাযই পরিপূর্ণ দোয়া। উক্ত বক্তব্য সঠিক কিনা?
জাওয়াব: (৩য় অংশ)
যাদুয্ আখিরাহ ৯ম বাব ১১২ পৃষ্ঠা এবং হাদিয়াতুল মুছাল্লীন ১১২ ও ১১৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
ودر روای تے ست لہ رسول علیہ السلام بر مردہ نماز گزا ردپس بگقت اللھم ان فلان بن فلان فی ذمتک دخل فی جوارک فقہ من فتنۃ القبر وعذاب النار وانت اهل االو فاء والحق اللہم اغفر لہ وارحمہ انک انت الغفور الرحیم
অর্থ: “কোন কোন রিওয়ায়েতে আছে যে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জানাযা নামায পড়ে এ দোয়া করেছেন-
اَللَّهُمَّ إِنَّ فُلَانَ ب বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায ভঙ্গের কারণসমূহ
১. নামাযের মধ্যে স্বেচ্ছায় বা ভুলবশতঃ কিংবা নিদ্রাবস্থায় কোনো কথা বললে।
২. ইচ্ছাপূর্বক সালাম দিলে (ভুলে নয়)।
৩. স্বেচ্ছায় বা ভুলে সালামের জবাব দিলে।
৪. বিনা ওজরে গলা খাকারি দিলে। তবে আওয়াজকে পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে অথবা ইমামের ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে বা সে নিজে নামাযের মধ্যে আছে, তা অবগত করানোর উদ্দেশ্যে গলা খাকরালে নামায ফাসিদ হবে না।
৫. নামাযের মধ্যে যেকোনো কারণে (পীড়িত ব্যক্তির অসহ্যের কারণ ব্যতীত) আহ! উহ! ইস! ইত্যাদি বললে অথবা উচ্চস্বরে কাঁদলে নামায ভঙ্গ হবে। অবশ্য জান্নাত, জাহান্নামের কথা মনে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার পরিচয়ঃ
কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত, সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত, মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হচ্ছেন ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানার্থে খুশি মুবারক প্রকাশ করা এবং তাসবীহ-তাহলীল মুবারক পাঠ করা, উনার পূত-পবিত্র সম্মানিত জীবনী মুবারক উনার সামগ্রিক বিষয়ে আলোচনা করা।’ সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফাত্হ শরীফ উনার ৮-৯ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ ম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায পড়ার তরতীব বা ধারাবাহিক বর্ণনা
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইমাম ‘রব্বানা লাকাল হাম্দ’ বলবে না এবং মুক্তাদীগণ ‘সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলবে না। তৎপর ধীর স্থিরভাবে সিজদায় ঝুঁকবার সাথে সাথে আল্লাহু আকবার বলতে বলতে যাবে। সিজদাতে প্রথমে দু’হাঁটু, তারপর দু’হাত, পরে নাক ও কপাল দু’হাতের মধ্যস্থলে মাটিতে রাখবে, যেনো হাতের বৃদ্ধা অঙ্গুলিদ্বয় কানের বরাবর থাকে।
সিজদায় দু’হাতের অঙ্গুলিগুলোকে মিলিয়ে রাখবে এবং হাত ও পায়ের অঙ্গুলিগুলো ক্বিবলা উনার দিকে করবে। দু’হাতের তালুর উপর ভর দিবে, দু’বাজুকে দু’পার্শ্বদেশ হতে পৃথক রা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায পড়ার তরতীব বা ধারাবাহিক বর্ণনা
পবিত্র নামায আদায় করার ইচ্ছা করলে, প্রথম পবিত্র নামাযের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার আঙ্গুল হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়াতে হবে। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয় সেভাবে দাঁড়াবে।
পবিত্র নামাযের নিয়ত করে দু’হাত উঠিয়ে দু’টি বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা দু’কানের লতি স্পর্শ করবে, মাথা সোজা রাখবে। স্ত্রীলোক হলে তার অঙ্গুলিগুলোর অগ্রভাগকে দু’কাঁধের বরাবর উঠাবে। দু’হাত উঠাবার সময় অঙ্গুলিগুলোকে à বাকি অংশ পড়ুন...












