হযরত নু’মান ইবনে মালিক আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন-
يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لاَ تَحْرِمْنِا الْجَنَّةَ، فَوَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لأَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ. فَقَالَ لَهُ: بِمَ؟ قَالَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَأَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ، وَأَنِّي لاَ أَفِرُّ مِنَ الزَّحْفِ.
অর্থ: “ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাদের জন্য সম্মানিত জান্নাতকে হারাম করবেন না। যিনি আপনাকে সত্য দ্বীনসহ প্রেরণ করেছেন উনার ক্বসম! আমরা অবশ্যই জান্নাতে যাবো। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বান্দার জন্য যে রিযিক নির্ধারিত আছে তা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য ব্যতীত পাওয়া যাবে না। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আনকাবুত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই তোমরা মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বান্দার জন্য যে রিযিক নির্ধারিত আছে তা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য ব্যতীত পাওয়া যাবে না। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আনকাবুত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই তোমরা মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বান্দার জন্য যে রিযিক নির্ধারিত আছে তা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য ব্যতীত পাওয়া যাবে না। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আনকাবুত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই তোমরা মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...
(এক) গইরুল্লাহ থেকে বের হওয়ার তাওফীক্ব দিবেন।
(দুই) তাওয়াক্কুল করার তাওফীক্ব দান করবেন।
(তিন) বেহিসাব রিযিক প্রদান করবেন।
বাকি অংশ পড়ুন...
নাম মুবারক স্মরণের মাধ্যমে রোগ মুক্তি
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নাম মুবারক এবং উনার পবিত্র নূরুল মাগফিরাহ মুবারক অর্থাৎ পবিত্র হাত মুবারক উনার শিফা মুবারকের পবিত্র ই’জায শরীফ ইসলামী ইতিহাসে অত্যন্ত মহামূল্যবান। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের জীবনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপস্থিতি কেবলমাত্র আত্মিক উজ্জীবনই নয়, শারীরিক আরোগ্যের মাধ্যমও ছিলো।
এ প্রসঙ্গে একটি বিস্ময়কর পবিত্র ই’জায শরীফ উনার ব বাকি অংশ পড়ুন...
অথচ সৌদি তথা আরব শাসকরাই ট্রাম্পকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে।
আর তা দিয়েই ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণী দেশ- আমেরিকা নিজে বাঁচে
কুখ্যাত ট্রাম্প মুসলমানদের শহীদ করার অস্ত্র নিজে বানায় আর ইসরাইলকেও দেয়
বিশ্ব মুসলমানের তাই শুধু কুখ্যাত ট্রাম্প আর নিয়াহুর বিদ্বেষী হলেই হবে না
পাশাপাশি সৌদি তথা আরবের ইহুদী শাসক সহ
সালাফী লা মাযহাবী, ওহাবী মালানাদেরও মূলোৎপাটন করতে হবে ইনশাআল্লাহ
ইরান, ইসরাইলের সাথে যুদ্ধ স্থগিতে- যেন হাফ ছেড়ে বেঁচেছে বিশ্ব মুসলিম। কিছু দিন পূর্বে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ বন্ধেও মুসলমান যেন স্বস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
বিছাল শরীফ:
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হিজরী ৪৩ সনে (৬৬৩ খৃ:) হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার খিলাফত আমলে পবিত্র মদীনা শরীফে বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন। (সিয়ারু আ’লামিন নুবালা)
উনার আওলাদ:
উনার দুইজন পুত্র ছিলেন। উনাদের নাম হযরত ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনাদের উভয়ের বিলাদত শরীফ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক অবস্থায়। হযরত ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন বয়সে বড়। উনার বিলাদত শরীফের পর বাকি অংশ পড়ুন...
যে রাষ্ট্রে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৮৬ ডলারের কম, তা নিম্ন আয়ের অর্থনীতিতে হিসাবে পরিগণিত। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৮৬ থেকে ১৩ হাজার ২০৫ ডলারের মধ্যে থাকলে তাকে মধ্যম আয়ের দেশ বলা হয়। মাথাপিছু আয় ১৩ হাজার ২০৫ ডলারের ওপরে তুলতে পারলেই সে দেশ উচ্চ আয়ের বাসিন্দা। মধ্যম আয়ের প্রথম ধাপকে নিম্ন মধ্যম আয় বলা হয়, যেখানে মাথাপিছু আয়ের বন্ধনী ১ হাজার ৮৬ থেকে ৪ হাজার ২৫৫ ডলার। উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ মানে তার মাথাপিছু আয় ৪ হাজার ২৫৬ থেকে ১৩ হাজার ২০৫ পর্যন্ত। এ সংখ্যাগুলো সময়ে সময়ে বাড়ানো হয় মূলত মূল্যস্ফীতির কথা বিবেচনা করে। মধ্যম আয়ের ফাঁদ বলতে প্র বাকি অংশ পড়ুন...
বদ নযর কি? বদ নযর কাকে বলে?
বদ অর্থ: খারাপ, নযর অর্থ: দৃষ্টি। যে দৃষ্টির কারণে ক্ষতি সাধিত হয় কিংবা কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে দৃষ্টি দেয় তাকে বদ নযর বলে। কেউ কেউ উহাকে চোখ লাগা বা নযর লাগা, কুদৃষ্টিও বলে থাকে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِنْ يَّكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ.
অর্থ: কাফিরেরা যখন পবিত্র কুরআন শরীফ শুনে তখন তারা আপনার দিকে এমনভাবে তাকায়, যেন তারা আপনাকে তাদের বদ নযর বা কুদৃষ্টি দ্বারা আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দেবে। নাউযুবিল্লাহ! অবশেষে তারা বলে, তিনি তো একজ বাকি অংশ পড়ুন...












