মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আনকাবুত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার পরিবর্তে যাদের ইবাদত বা আনুগত্য করো, তারা তোমাদেরকে রিযিক দিতে সক্ষম নয়। তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট রিযিক তালাশ করো, উনার ইবাদত করো এবং উনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করো। উনার নিকটই তোমরা প্রত্যাবর্তন করবে”।
বান্দা-বান্দী যদি মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করে, উনার প্রতি তাওয়াক্কুল করে, উনার শোকরগুজারী করে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করে, তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে ইতমিনান দান করবেন এবং এমন কুদরতী রিযিক দান করবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।.. প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করে, উনার প্রতি তাওয়াক্কুল করে, উনার শোকরগুজারী করে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করে হাক্বীক্বী মু’মিন-মুত্ত্বাক্বী হওয়া।
, ২৪ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৭ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ০১ পৌষ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে লোক সকল! যা আমি তোমাদেরকে আদেশ করেছি তা ব্যতীত এমন কিছু নেই যা জান্নাতের নিকটবর্তী করে দেয় এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখে। যা আমি তোমাদেরকে নিষেধ করেছি তা ব্যতীত এমন কিছু নেই যা জাহান্নামের নিকটবর্তী করে দেয় এবং জান্নাত থেকে দূরে রাখে। নিশ্চয়ই রুহুল আমিন, অন্য বর্ণনায় এসেছে রুহুল কুদুস অর্থাৎ হযরত জীবরাঈল আলাইহিস সালাম তিনি আমার অন্তরে ঢেলে দিয়েছেন যে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোন ব্যক্তি মারা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার রিযিক পরিপূর্ণভাবে ভোগ করবে। সাবধান! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং উপার্জনে উত্তম নীতি অবলম্বন করো আর কাক্সিক্ষত রিযিক পৌঁছার বিলম্বতা যেন তোমাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানির পথে উহা (রিযিক) অন্বেষণ করতে উদ্বুদ্ধ না করে। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট যা নির্ধারিত আছে তা উনার আনুগত্য ব্যতীত লাভ করা যায় না। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করলে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট যে রিযিক নির্ধারিত রয়েছে সেটাই লাভ করা যাবে। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে দু’টি বিষয় বলা হয়েছে। ১. জান্নাতের নিকটবর্তী ২. জাহান্নাম থেকে দূরবর্তী। মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ-নির্দেশ মুবারকই জান্নাতের নিকটবর্তী করে দেয় এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ-নির্দেশ মুবারক পালন করা ফরয, ওয়াজিব। আর মহান আল্লাহ পাক উনার নিষেধাজ্ঞা জাহান্নামের নিকটবর্তী করে দেয় এবং জান্নাত থেকে দূরে রাখে। তাই নিষেধকৃত বিষয় থেকে বেঁচে থাকা সকলের জন্য ফরজ, ওয়াজিবের অন্তর্ভূক্ত। নামায-কালাম, যিকির-ফিকির, সুন্নত উনার ইত্তেবা, পর্দা, হালাল পন্থায় রিযিক উপার্জন করা, এক কথায় আদেশ-নিষেধ যা করা হয়েছে সেটা পালন করলে বান্দার পক্ষে জান্নাত উনার নিকটবর্তী হওয়া এবং জাহান্নাম থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে। ইনশাআল্লাহ! আর আমাদের শরীয়ত উনার নিষেধাজ্ঞাগুলো মেনে চলতে হবে। যেমন: ছবি তোলা, বেপর্দা হওয়া, গান-বাজনা করা, কাফেরদের মুহাব্বত করা, কাফেরদের তর্জ-তরীক্বার অনুসরণ করা যাবে না। এখন এই কাজগুলো যারা করবে তারা জাহান্নামের নিকবর্তী হবে এবং জান্নাত থেকে দূরে থাকবে। নাঊযুবিল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছে কুদছী শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, “হযরত মা’ক্বিল ইবনে ইয়াসার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের রব তিনি বলেন, হে আদম সন্তান! তুমি আমার ইবাদতের জন্য অবসর হও অর্থাৎ সময় বের করে ইবাদত কর, তাহলে আমি তোমার অন্তরকে বেনিয়াজ করে দিবো (কারো কোনো মুখাপেক্ষী হতে হবে না) আর তোমার হাতকে রিজিকে পরিপূর্ণ করে দিব (রিযিকের অভাব হবে না)। হে আদম সন্তান! তুমি আমার ইবাদত বা আনুগত্য করা থেকে দূরে সরে যেওনা, তাহলে আমি তোমার অন্তরকে অভাবগ্রস্ত করে দিব (অন্তর সবসময় হয়রান-পেরেশানীর মধ্যে থাকবে) এবং তোমার হাতকে ব্যতিব্যস্ত করে দিব। অর্থাৎ রিযিকের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরবে, রিযিক পাবেনা আবার পেলেও তাতে বরকত লাভ করতে পারবে না। তুমি নানা রকম ঝামেলায় সবসময় পর্যুদস্ত হবে।” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য না করলে অন্তর সবসময় হয়রান-পেরেশানীর মধ্যে থাকবে, রিযিকের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরবে- রিযিক লাভ করতে পারবে না। আবার রিযিক পেলেও তাতে বরকত লাভ করতে পারবে না। নানা রকম ঝামেলায় সবসময় পর্যুদস্ত থাকবে। এজন্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট রিযিক তালাশ করো, উনার আনুগত্য করো, তাহলে কারো মুখাপেক্ষী হতে হবে না।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যারা ধৈর্য্য ধারণ করবে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার উপর তাওয়াক্কুল তথা ভরসা করবে। এমন অনেক প্রাণী আছে যারা রিযিক সংগ্রহ করতে পারে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি সেই প্রাণীকেও রিযিক দেন এবং তোমাদেরকেও দেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি সব শোনেন, জানেন”। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি, “যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার উপর তাওয়াক্কুল করার মত তাওয়াক্কুল করতে অর্থাৎ যথাযথ তাওয়াক্কুল করতে, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে রিযিক দান করতাম যেমন পাখিকে রিযিক দিয়ে থাকি। তারা ভোরে খালি পেটে বের হয় এবং দিনের শেষে ভরা পেটে বাসায় ফিরে”। এখন যারা হাক্বীক্বীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার উপর তাওয়াক্কুল এবং সবর করবে তাদেরকেই মহান আল্লাহ পাক তিনি কুদরতী রিযিক দান করবেন।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- বান্দা-বান্দী যদি মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করে, উনার প্রতি তাওয়াক্কুল করে, উনার শোকরগুজারী করে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করে, তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে ইতমিনান দান করবেন এবং এমন কুদরতী রিযিক দান করবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করে, উনার প্রতি তাওয়াক্কুল করে, উনার শোকরগুজারী করে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করে হাক্বীক্বী মু’মিন-মুত্ত্বাক্বী হওয়া।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা এবং ইখলাছের সাথে প্রতিটি আমল করা ফরয। সুবহানাল্লাহ! কেননা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কবুল হয় না। ইখলাছ হাছিল করতে হলে অবশ্যই একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ইলমে তাছাউফ অর্জন করতে হবে।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণকারীগণই ছালিহীন হিসেবে পরিগণিত হবেন। একইভাবে ছালিহীন হতে হলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণ করতে হবে, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলিম উম্মাহ সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা পোষণ করা। কেননা উনারা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের মাক্বাম মুবারকে অনন্যা। যে বা যারা বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করে উনাদের যত বেশি তা’যীম-তাকরীম, সম্মান করবে এবং উনাদের অনুসরণ -অনুকরণ করার কোশেশ করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকেও ততখানি মর্যাদা দান করবেন অর্থাৎ সেও মর্যাদাবান হয়ে যাবে।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুকরণে নাম রাখা দুনিয়ায় যেমন রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ, তেমনি আখিরাতে ও শাফায়াত মুবারক, নাযাত ও ফযীলত লাভের উছীলা।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইলমে তাসাউফ অর্জন করা ব্যতীত ইবাদত মূল্যহীন। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- যামানার মুজাদ্দিদ ও কামিল শায়েখ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ারের মাধ্যমে ইলমে ফিকাহ্ ও ইলমে তাছাউফ উভয় প্রকার ইলম অর্জন করে মু’মিনে কামিল হওয়া।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনারা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন স্থান। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম বা সম্মান করা সকলের জন্যই ফরয। সকল মু’মিন-মু’মিনার জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- সর্বদা ও সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত বজায় রাখতে হবে। নচেৎ ঈমানহারা হওয়া ব্যতীত কোনো গতি থাকবে না।
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
“হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম- উনারা সারা কায়িনাতের মহাসম্মানিত মাতা। সুবহানাল্লাহ! উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারকই হচ্ছেন সম্মানিত ঈমান। আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী।
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নেককারদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে সুসংবাদ আর বদকারদের জন্য দুনিয়াতে লাঞ্চনা-গঞ্চনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি। তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- হালাল ও নেক কাজে দায়েমীভাবে মশগুল হওয়া এবং সর্বপ্রকার হারাম ও বদ কাজ হতে সর্বদা বিরত থাকা।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘য়াত উনার বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ মুবারক হলো- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘নূরে মুজাসসাম’ অর্থাৎ তিনি আপাদমস্তক নূর মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির সমস্ত কামিয়াবীর সোপান। ইলমে তাছাউফের তারতীব অনুযায়ী গাইরুল্লাহ হতে বিমুখ হয়ে একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করা বা উনার যিকির করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই খালিছভাবে রুজু হওয়া।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












