SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ডিলারের%' OR titleBn LIKE '%ডিলারের%' OR descriptionEn LIKE '%ডিলারের%' OR descriptionBn LIKE '%ডিলারের%' OR slug LIKE '%ডিলারের%' OR metaTag LIKE '%ডিলারের%' OR metaDescription LIKE '%ডিলারের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান ফজলুল হক বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় গ্যাস পেয়ে সোমবার রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। বুধবার বিকেলে বয়লারের ত্রুটি দেখা দিলে আবারো উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার জন্য বয়লারে এ ত্রুটি দেখা দিয়েছে। কারখানার অন্যান্য যন্ত্রাংশ সচল রয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে বয়লারের সমস্যার সমাধান হলে কারখানা আবারো উৎপাদনে ফিরতে পারবে বলে আশা করছি।’
পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে না পারলেও গত দুইদিন মোট এক হাজার ৬০০ টন সার উৎপাদন ক বাকি অংশ পড়ুন...
মেহেরপুর সংবাদদাতা:
মেহেরপুর শহরের শেখপাড়ার কৃষক আলমের তিন বিঘা জমিতে এখন আমন ধানের সবুজ ঢেউ। সপ্তাহে প্রায় তিনবার সেচ দিতে হচ্ছে। প্রয়োজনমতো দিতে হচ্ছে কীটনাশক, ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপিসহ বিভিন্ন সার। ফসলের মাঠে ব্যস্ততা তাই কমেনি, বরং বাড়ছে। তবে এই ব্যস্ততার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তার দুশ্চিন্তাও।
কারণ, ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় সার কিনতে গিয়ে তাকে ঘুরতে হচ্ছে ডিলারের দ্বারে দ্বারে। কখনো চাহিদামতো সার মিলছে না, কখনো সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। এর মধ্যেই বেড়েছে ডিজেলের দাম। জমি চাষ, সে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
গুদামে সার আছে। সরকারি বরাদ্দ আছে। বাজারেও মজুদের হিসাব আছে। কিন্তু আমনের ভরা মৌসুমে জমিতে সার দিতে গিয়ে কৃষককে ঘুরতে হচ্ছে দোকান থেকে দোকানে। কোথাও বলা হচ্ছে ‘সার নেই’, কোথাও মিলছে সীমিত পরিমাণে। কোথাওবা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি টাকায় সার কিনতে হচ্ছে। সরকারি হিসাব আর মাঠের বাস্তবতার এই বৈপরীত্য খুলনা বিভাগের সার ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। খুলনায় চলতি মাসে দুই হাজার টন ইউরিয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডিলাররা উত্তোলন করেছেন ২৩৯ টন। যশোরে টিএসপি সার বিক্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
তিনি বলেন, কৃষক কার্ড প্রদানে কোনও ধরনের বৈষম্যের সুযোগ নেই। প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, ভূমিহীন, মাঝারি ও বড়-সব শ্রেণির প্রকৃত কৃষক এ সুবিধার আওতায় আসবেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষক যেন ন্যায্য মূল্যে সার ও বীজ পান এবং তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হয়। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেয়া হবে।
সার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে সারের কোনও সংকট নেই। কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের হয়রানি বা অতিরিকà বাকি অংশ পড়ুন...
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা:
রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নে সার বিতরণে দেরি হওয়ায় এক ডিলারের গুদামের বেড়া ও দরজা ভেঙে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা সার নিয়ে গেছেন। গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সকালে বন্দবেড় বাজারের মেসার্স মিতা হাসান এন্টারপ্রাইজের গুদামে এ ঘটনা ঘটে।
ডিলারের দাবি, গুদাম থেকে এক-দেড় শ বস্তা ইউরিয়া সার নেওয়া হয়েছে। তবে সার নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বসুনিয়া। তিনি বলেন, সার লুট হয়ে যাওয়ার ভিডিওটি ভুয়া। বন্দবেড় ইউনিয়নে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। রৌমারী উপজেলায় ৪২ হাজার কৃষক আছেন এঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আমন মৌসুমের শুরুতে দেশজুড়ে সারের অস্বাভাবিক ঘাটতি ও চড়া দামের কারণে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। সরকারের পক্ষ থেকে গুদামে পর্যাপ্ত মজুত থাকার তথ্য তুলে ধরা হলেও, মাঠপর্যায়ে মিলছে না প্রয়োজনীয় সার। উল্টো খুচরা বাজারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে চাষিদের।
মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে, ডিলারদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সার না পেয়ে কুড়িগ্রামে কৃষকদের গুদাম ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদহের কৃষকেরা অভিযোগ করছেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশিতে খুচরা দোকান থেকে স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলতি আমন মৌসুমে জয়পুরহাট ও মেহেরপুরে সারের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। জয়পুরহাটে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও সারের দাম নেওয়া হচ্ছে আকাশচুম্বী। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন অসৎ ব্যবসায়ীরা।
এদিকে মেহেরপুরে দেখা দিয়েছে টিএসপি সারের ব্যাপক সংকট। রসিদ ছাড়াই ইচ্ছেমতো চড়া দামে সার বেচাকেনা করছে স্থানীয় সিন্ডিকেট। এভাবে বাড়তি দামে সার কিনে আবাদের উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।
চাষিরা জানান, ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া সারের সরকার নির্ধারিত দাম এক হাজার ৩৫০ টাকা। বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, রংপুর, লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা আমন ধান রোপণ ও পরিচর্যার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসে প্রয়োজন অনুযায়ী সার না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। কোথাও অনুমোদিত ডিলারের দোকানে ভর্তুকির সার মিলছে না, আবার কোথাও খুচরা দোকানে পাওয়া গেলেও তা কিনতে হচ্ছে সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে। বিশেষ করে টিএসপি ও ডিএপি সারের ক্ষেত্রে এ পরিস্থিতি বেশি প্রকট বলে অভিযোগ কৃষকদের।
সরকার নির্ধারিত দামে কৃষক পর্যায়ে ইউরিয়া সার বিক্রির কথা প্রতি কেজি ২২ টাকা দরে। ৫০ কেজির এক বঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কৃষকদের কাছে নিরবচ্ছিন্ন ও সুষ্ঠুভাবে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার ডিলার সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৫ (সংশোধিত)’ বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং অধিদপ্তর থেকে গতকাল রোববার একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমাম আদেশে স্বাক্ষর করেন।
জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিটি উপজেলায় ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার বিতরণের জন্য ন্যূনতম ৯ জন ডিলার রাখতে হবে। তবে, সংশ্লিষ্ট জেলার চাহিদা ও কৃষি উৎপাদনের পà বাকি অংশ পড়ুন...
রাজশাহী সংবাদদাতা:
আমন রোপনে কৃষকদের কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। কিন্তু আমন রোপনের মধ্যেও নির্ধারিত দামে সার মিলছে না। ভর্তুকির সারও কৃষকের লাগালের বাইরে চলে গেছে।
আমন মৌসুমে সরকারি বরাদ্দ বাড়ানো হলেও কৃষকরা সার পাচ্ছেন না। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। তবে অনুমোদিত ডিলাররা দাবি করছেন, সরবরাহ পাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
রাজশাহীর বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ অনুমোদিত ডিলারের কাছে ভর্তুকি মূল্যের সার পাওয়া যাচ্ছে না। খুচরা বিক্রেত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
নি¤œআয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা (সংশোধিত), ২০২৫ জারি করেছে সরকার। গত বছর এপ্রিলে জারি করা এই নীতিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, নতুন সংশোধিত নীতিমালায় ডিলারদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে, কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে ডিলারশিপ নবায়নের সময়সীমা ও নিয়মে।
জানা গেছে, সারা দেশে এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নি¤œআয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মà§ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
নিম্নআয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা (সংশোধিত), ২০২৫ জারি করেছে সরকার। গত বছর এপ্রিলে জারি করা এই নীতিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, নতুন সংশোধিত নীতিমালায় ডিলারদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে, কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে ডিলারশিপ নবায়নের সময়সীমা ও নিয়মে।
জানা গেছে, সারা দেশে এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নি¤œআয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি বাকি অংশ পড়ুন...












