SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ডাঙায়%' OR titleBn LIKE '%ডাঙায়%' OR descriptionEn LIKE '%ডাঙায়%' OR descriptionBn LIKE '%ডাঙায়%' OR slug LIKE '%ডাঙায়%' OR metaTag LIKE '%ডাঙায়%' OR metaDescription LIKE '%ডাঙায়%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
চোখের পলক ফেলে যে মাছ!
বেশিরভাগ মাছের চোখ মাথার দুই পাশে থাকলেও মাডস্কিপারের চোখ থাকে মাথার ঠিক ওপরের দিকে-সাবমেরিনের পেরিস্কোপের মতো। চোখ দুটি পরস্পরের ওপর নির্ভর না করে স্বাধীনভাবে নড়াচড়া করতে পারে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এরা মানুষের মতো চোখের পলক ফেলতে পারে!
স্বাভাবিকভাবে হাত-পা থাকা মেরুদ-ী প্রাণীদের বাইরে মাছের মধ্যে এমন বৈশিষ্ট্য বিরল। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস (পিএনএএস)-এ প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, চোখ আর্দ্র রাখা, কাদামাটি পরিষ্কার করা এবং ধেয়ে আসা à বাকি অংশ পড়ুন...
উভচর প্রকৃতির এমনই এক অদ্ভুত ও বিস্ময়কর মাছ ‘মাডস্কিপার’। আমাদের দেশে ‘চিড়িং মাছ’ হিসেবে পরিচিত।
বাংলায় ‘ডাঙার মাছ’ বাগধারাটি চরম অসহায় বা বিপন্ন পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও প্রকৃতির রাজ্যে চিত্রটি সবসময় এক নয়। প্রাণিজগতে এমন কিছু মাছ রয়েছে, যারা পানি ছেড়ে ডাঙায় উঠে আসার কৌশল চমৎকারভাবে রপ্ত করেছে।
উভচর ব্যাঙের মতোই এদের জীবন। যেমন, বহু বছর আগের আদিম ‘লাংফিশ’-যাদের ফুসফুস রয়েছে এবং পানির নিচে বেশি সময় থাকলে উল্টো ডুবে মারা যায়। আবার কাদার পানাশয় থেকে ছিটকে ডাঙায় উঠে পোকা শিকার কতে পারে ‘ইল ক্যাটফিশ’। কিংবা ক্যালিফোর্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের স্থানে গতকাল জুমুয়াবার প্রথম জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নামাজে হাজার হাজার মুসল্লির ঢল নামে। জুমার নামাজকে ঘিরে বিশাল আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই দ্বীনদার হাজারো মুসলিম মসজিদের জন্য নির্ধারিত স্থানে সমবেত হন।
নামাজ শেষে দোয়ার মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অযোধ্যার ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ শহীদ হওয়ার ঘটনাকে দোয়ার মাধ্যমে স্বরণ করেন হাজার হাজার মুসল্লি।
১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর ভেঙে ফেলা হয়েছিলো ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ। আর ৩৩ বছরের মাথায় একঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী গত শনিবার (৬ ডিসেম্বর), বাবরি মসজিদ শহীদের ৩৩তম বার্ষিকীর দিনেই, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় একই নামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে তিনি ঘোষণা দেন যে মসজিদ নির্মাণের জন্য এক ব্যক্তি ৮০ কোটি টাকা দেবেন।
ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হলে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছিলো। হাইকোর্ট থেকে সবুজ সংকেত মেলার পর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মহাসমারোহে ভিত্তিপ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতে একটি কুকুর একদল বন্যপ্রাণীর তাড়া খেয়ে আশ্রয় নেয় একটি নদীতে। আর তখন তার অবস্থা হয় অনেকটা ‘পানিতে কুমির ডাঙায় বাঘের’ মতো। কারণ পানিতে নামার সঙ্গে সঙ্গে তিনটি কুমির তাকে ঘিরে ধরে। ওগুলোর পক্ষে কুকুরটিকে মেরে খেয়ে ফেলাটা ছিল খুব সহজ এক কাজ। কিন্তু এর বদলে কুমিরগুলো অসহায় প্রাণীটিকে তীরের নিরাপদ জায়গায় পৌঁছাতে সাহায্য করে।
এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আশ্চর্য এ ঘটনার বর্ণনা উঠে আসে সম্প্রতি জার্নাল অব থ্রিটেনড টেক্সায় প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে। এটি যে বিজ্ঞানীরা লিখেছে, তারা ভারতের মহারাষ্ট্রে কয়েক বছর ধরে পানিভূমির কà বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশাসনের শীর্ষে বিধর্মী কর্মকর্তারা যে কতবড় সর্বনাশের কারণ হতে যাচ্ছে মুসলমানদের জন্য সেটা আজ এই বঙ্গবাসী মুসলমানেরা কল্পনাও করতে পারছে না। বাস্তব এটাই যে এই বিধর্মীরাই এই পাক ভারত উপমহাদেশে তিলে তিলে মুসলমানদের শোষণ করেছে। অথচ ইতিহাসের শিক্ষা এটাই যে মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহন করে না।
ব্রিটিশ ঐতিহাসিক হান্টার বলেছে- “এ প্রদেশের ঘটনাবলীর সাথেই আমি বিশেষভাবে পরিচিত। তার ফলে আমি যতদূর জানি, তাতে করে ইংরেজ আমলে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এখানকার মুসলমান অধিবাসীগণ”। -(W.W Hunter The Indian Mussalmans. pp. 140-141)।
সে সময়ে বাংলা বলতে বাংলা, বিহাঠবাকি অংশ পড়ুন...
প্রশাসনের শীর্ষে বিধর্মী কর্মকর্তারা যে কতবড় সর্বনাশের কারণ হতে যাচ্ছে মুসলমানদের জন্য সেটা আজ এই বঙ্গবাসী মুসলমানেরা কল্পনাও করতে পারছে না। বাস্তব এটাই যে এই বিধর্মীরাই এই পাক ভারত উপমহাদেশে তিলে তিলে মুসলমানদের শোষণ করেছে। অথচ ইতিহাসের শিক্ষা এটাই যে মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহন করে না।
ব্রিটিশ ঐতিহাসিক হান্টার বলেছে- “এ প্রদেশের ঘটনাবলীর সাথেই আমি বিশেষভাবে পরিচিত। তার ফলে আমি যতদূর জানি, তাতে করে ইংরেজ আমলে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এখানকার মুসলমান অধিবাসীগণ”। -(ড.ড ঐঁহঃবৎ ঞযব ওহফরধহ গঁংংধষসধহং. ঢ়ঢ়. ১৪০-১৪১)।
সে স বাকি অংশ পড়ুন...












