SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জিহাদ%' OR titleBn LIKE '%জিহাদ%' OR descriptionEn LIKE '%জিহাদ%' OR descriptionBn LIKE '%জিহাদ%' OR slug LIKE '%জিহাদ%' OR metaTag LIKE '%জিহাদ%' OR metaDescription LIKE '%জিহাদ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মিথ্যার একটা স্তর আছে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কা’বা শরীফ নির্মাণের সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বয়স মুবারক দুনিয়াবী দৃষ্টিতে ৩৫ বছর। লিখে যে, ‘উনি বিবস্ত্র হয়ে কাজ করেছেন।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! এটা এই বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ-এ লিখে রেখেছে না? তাহলে দুনিয়াবী দৃষ্টিতে ৩৫তম বয়স মুবারক-এ উনি বিবস্ত্র হয়ে কাজ করেছেন? না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, সন্ধিপত্র লেখা শেষ হলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমভাবে ঘোষণা করে দেন, লোকেরা যেন হুদায়বিয়ায় নিজ নিজ আনিত পশুগুলি কুরবানী করে দেয় এবং হলক্ব করে নেয়। পরপর তিনবার তিনি ঘোষণা দেন, কিন্তু ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে নির্দেশ পালনের কোন লক্ষণ দেখা গেলো না। (সবাই অপেক্ষা করতে লাগলেন, কখন তিনি নিজেই কুরবানী ও হলক্ব করবেন)।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ব্যাপারে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মি বাকি অংশ পড়ুন...
৭৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঘুম মুবারক نُوْرُ الْـمُطْمَئِنَّةِ مُبَارَكٌ নূরুল মুত্বমাইন্নাহ্ মুবারক
৮০ জিহাদে আহত হওয়া শান মুবারক نُوْرُ الْاِسْتِقَامَةِ مُبَارَكٌ নূরুল ইস্তিক্বামত মুবারক (দৃঢ়চিত্ত)
৮১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ نُوْرُ التَّشْرِيْفِ/ نُوْرُ الْوِلَادَةِ شَرِيْفٌ নূরুত তাশরীফ/ নূরুল বিলাদত শরীফ (আগমন)
বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবদে নহম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি প্রসিদ্ধ মুযায়না গোত্রে পবিত্র বিলাদত শরীফ প্রকাশ করেন। তিনি বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চাচা। দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পূর্বে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবদে নহম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম ছিল আবদুল উয্যা। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রাখেন। উনার উপাধি “যুল-বিজাদাইন” (ডোরাকাটা দু’কাপড়ের অধিকার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاللهُ يَـخْتَصُّ بِرَحْـمَتِهٖ مَنْ يَّشَآءُ
“মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা স্বীয় রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: ১০৫)
কাজেই, মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে চান, উনাকে খাছ করে এই বুঝগুলো দেন। সবাই বুঝে না এগুলি। বুঝবে না। এটা কোনো দিন বুঝা সম্ভব না।
তারপর যেমন- মুসলিম শরীফসহ আরো অন্যান্য কিতাবে রয়েছে,
مَا مِنْكُمْ مِنْ اَحَدٍ اِلَّا وَقَدْ وُكِّلَ بِهٖ قَرِيْنُهٗ مِنَ الْجِنِّ وَقَرِيْنُهٗ বাকি অংশ পড়ুন...
হীলাহ্ বিবাহ জায়েয ও শরীয়ত সম্মত এবং ফযীলতের কারণ। তবে মুত্য়াহ্ বিবাহ ও মুওয়াক্কাত বিবাহ জায়েয নেই, হারাম এবং লা’নতের কারণ। কেউ কেউ হীলাহ্ বিবাহ, মুত্য়াহ্ ও মুয়াক্কাত বিবাহের মধ্যে পার্থক্য না বুঝার কারণে হীলাহ্ বিবাহকে নাজায়েয ও লা’নতের কারণ বলে থাকে। যা শরীয়ত সম্মত নয়।
শরীয়তের পরিভাষায়, কোন মুসলমান ভাইয়ের উপকার করার জন্য তার ত্বালাকপ্রাপ্তা আহলিয়াকে (স্ত্রী) শর্ত-শারায়েত ব্যতীত বিবাহ করে, ঘরÑসংসার করে তথা একান্ত নির্জনবাসের পর ত্বালাক্ব দেয়, তাকে হীলাহ্ বিবাহ বলা হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاِنْ طَلَّقَهَا فَ বাকি অংশ পড়ুন...
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা শূরা শরীফ উনার ২৩নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خَبَّابٍ رضى الله تعالى عنه قَالَ شَهِدْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَحُثُّ عَلَى جَيْشِ الْعُسْرَةِ فَقَامَ عُثْمَانُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ يَا رَسُول الله عَلَيَّ مِائَة بَعِيرٍ بِأَحْلَاسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ حَضَّ عَلَى الْجَيْشِ فَقَامَ عُثْمَانُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ عَلَيَّ مِائَتَا بَعِيرٍ بِأَحْلَاسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ حَضَّ فَقَامَ عُثْمَانُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ: عَلَيَّ ثَلَاثُمِائَةِ بَعِيرٍ بِأَحْلَاسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَأَنَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْزِلُ عَنِ الْم বাকি অংশ পড়ুন...












