সু-প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার এই ভূখন্ড অভাবনীয় সমৃদ্ধশীল একটি অঞ্চল ছিলো। যার কারণে বিশে^র বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই অঞ্চলে আগমন করতো। বিশেষ করে তৎকালীন সময়ে যে সকল পর্যটক বাংলার এই অঞ্চলে আগমন করেছেন তাদের সবাই এ অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি, মানুষ, মুসলিম শাসন, সমাজ ও সাংস্কৃতিক অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো ইতিহাসবিখ্যাত মুসলিম পর্যটক ইবনে বতুতার ‘আল রিহলা’ গ্রন্থে বাংলা নিয়ে বর্ণিত বর্ণনাগুলো।
ইবনে বতুতার প্রকৃত নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ। ইবনে বতুতার আগমন ১৩৪৬ খ্রি:। তিনি সিংহল (বর্তমান শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মিথ্যাবাদীর সাথে বন্ধুত্ব করবে না। মিথ্যাবাদীর ছোহবতে যাবে না। কেননা, মিথ্যাবাদী হচ্ছে মরীচিকার মতো। সে দূরবর্তীকে নিকটবর্তী আর নিকটবর্তীকে দূরবর্তী করবে। অর্থাৎ ধোঁকা দিবে। মরীচিকা বলা হয়- মরুভূমিতে রোদ্রের তাপে দূর থেকে পানির মতো দেখা যায়। পিপাসার্ত ব্যক্তি সেই পানি দেখে পানের জন্য সেদিকে অতি দ্রুতগতিতে ধাবমান হয়। যতই যায় দৃশ্যত সেই পানিও তত দূরে যায়।
এভাবে ক্বিয়ামত পর্যন্ত যদি সেই পিপাসার্ত পথিক ধাবিত হতে থাকে কখনোই তা লাভ করতে পারবে না। মিথ্যাবাদী এরূপ মরীচিকার মতো ছলনাকারী। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
আলীশান আমার মুর্শিদ
প্রতিটি দিদার নতুন ঈদ
আলীশান আমার মুর্শিদ
নববী নূরের আক্বাজী
এ যেন স্বয়ং নবীজী
তাইতো ছোহবতে খুজি
রাসূলী রাজি
ফায়িজে মিলে ইসমিদ
আলীশান আমার মুর্শিদ
দয়াময় এমন-ই উদার
একই ভুল ক্ষমা হাজারবার
শোনেন শত হাহাকার
রাখেন তাবেদার
হৃদয়ে বানান মাসজিদ
আলীশান আমার মুর্শিদ
দায়েমী মুবারক হাসি
পেতে মন হলো উদাসী
আরজি জানাতে আসি
নূর পিপাসী
মোরে করুন ইশকে খরিদ
আলীশান আমার মুর্শিদ
কল্পনায় কত আয়োজন
আপনায় ভীষণ প্রয়োজন
অধম করি নিবেদন
আঁখিতে ক্রন্দন
পরশে মুছে দিন মারিদ
আলীশান আমার মুর্শিদ
বাকি অংশ পড়ুন...
শাফিয়ে সারে জাহান
মুবারক শান আলীশান
মুর্শিদী ইশকে যিনি সর্বদা কুরবান
শাহ-দামাদজান মেহেরবান মেহেরবান
অপরূপ নূরী দামান
দিদারে মুশকিল আসান
দিওয়ানা সব আশিকান
মালিকে মাওলা মোদের শাহী মহিয়ান
শাহ-দামাদজান মেহেরবান মেহেরবান
মুবারক খাস দয়া-দান
ফায়িজে ফিদা বানান
সিলসিলা ঢেলে সাজান
মায়াবী কন্ঠে বলেন মামদুহী ফরমান
শাহ-দামাদজান মেহেরবান মেহেরবান
সর্বাধিক পাক অবস্থান
বয়ানে দিল বরকতান
জামালী শাহে যামান
হামেশা করতে থাকেন হক্বেরই আহবান
শাহ-দামাদজান মেহেরবান মেহেরবান
ছোহবতে জাগে ঈমান
আধারের হয় অবসান
মুরিদান খুব ভাগ্যবান
দ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
আজ মহিমান্বিত ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ। যা লখতে জিগারে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাত বাকি অংশ পড়ুন...
কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যদি কোন সময় বাহ্যিক দৃষ্টিতে শরীয়তের খেলাফ আমল করেন বা করার নির্দেশ দেন তাহলে বুঝতে হবে যে তাতে কোন হিকমত বিদ্যমান। যার শেষ পরিণতি উত্তম।
হযরত ইসমাইল হাক্কী বারূসুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ “তাফসীরে রূহুল বয়ানে” একথাই উল্লেখ করেছেন-
وغاية بان كل ماصدر عنه فله حكمة حميدة البتة وهذا من اداب المتعلم مع العالم والتابع مع المتبوع.
অর্থ: “উনার (পীর ও মুর্শিদ) থেকে যা প্রকাশ পায় তাতে হিকমত রয়েছে এবং শেষ পরিণতি উত্তম প্রশংসনীয়। আর এটাই হচ্ছে শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষকের বা সালিকের (মুরীদের) জন্য শায়েখউনা র (পীর বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
বলা হয়, খইরুত তাবিয়ীন হযরত ওয়ায়িছ আল ক্বরনী রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার সম্পর্কে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ بْنِ الْـخَطَّابِ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ سَـمِعْتُ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ اِنَّ خَيْرَ التَّابِعِيْنَ رَجُلٌ يُقَالُ لَهٗ وَائِسٌ وَلَهٗ وَالِدَةٌ كَانَ بِهٖ بَيَاضٌ فَمُرُوْهُ فَلْيَسْتَغْفِرْ لَكُمْ.
অর্থ : হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব ম বাকি অংশ পড়ুন...












