বর্তমানে বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে হচ্ছে। এতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৬০-৬৫ হাজার কোটি টাকা।
দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দেওয়া বিশেষ জরুরী
(১ম পর্ব)
ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধে এই তিন দেশ যুদ্ধ করলেও আক্রান্ত হয়েছে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, লেবাননও। এসব দেশের তেল শোধনাগারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোতে একের পর এক হামলা হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জ্বালানি তেল-গ্যাসের উৎস।
বন্ধ রয়েছে দেশগুলোর স্বাভাবিক কাজকর্ম। ব্যাহত হচ্ছে দেশে দেশে বিমান চলাচল। প্রবাসীরা কাজ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিনদের নিকট নিজেদের জানের চেয়েও অধিক প্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে লেবাননজুড়ে লাশের মিছিল আর হাহাকার। ইসরায়েলি হামলায় ৬০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু আর সাড়ে ৭ লাখ মানুষের ঘরছাড়া হওয়ার এই দৃশ্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি গাজায় ব্যবহৃত সেই ভয়াবহ রণকৌশলেরই নতুন এক সংস্করণ। সন্ত্রাসী ইসরায়েলের এই কৌশলের ছকটি বেশ পরিচিত- প্রথমে উচ্ছেদের হুমকি বা জীবনধারণের সব পথ বন্ধ করে মানুষকে বাস্তুচ্যুত করো, এরপর বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়ে তৈরি করো ‘বাফার জোন’, যাতে কেউ আর নিজ ভিটায় ফিরতে না পারে। সবশেষে, পুরো অঞ্চলকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন খ-ে ভাগ করে দেওয়া, যাতে স বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে প্রেরণ:
অন্যদিকে হযরত সাঈদ বিন আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উঠে এসে ‘মারহাবা’ বলে উনাকে খোশ আমদেদ জানালেন। অতঃপর তিনি নিজ ঘোড়ার উপর জিন চাপিয়ে তাতে আরোহণ করলেন এবং সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে সঙ্গে বসিয়ে নিয়ে পবিত্র মক্কা শরীফে নিজ বাসস্থানে নিয়ে গেলেন। সেখানে গিয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে নেতৃস্থানীয় কুরাইশদের নিকট নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বার্তা মুবারক শোনালেন। ব বাকি অংশ পড়ুন...
ঈমানদারদেরকে সাবধান করা হয়েছে। এরপর কাফিরদেরকে বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! আজকে তোমাদের কোন ওজর শোনা হবে না।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! আজকে ওজর পেশ করো না, তোমরা কেন কুফরী করলে? কেন তোমরা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বিরোধিতা করলে?
إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
তোমরা যা আমল করেছ তার বদলা অবশ্যই একশতে একশ’ তোমাদেরকে ভোগ করতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!
এখানে এক রূকু, সাতটা পবিত্র আয়াত শরীফ। এখানে বলা হচ্ছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্না বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
দখলদার ইজরায়েলের অভ্যন্তরে ৫৪তম দফায় ভয়াবহ প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের বাহিনী আইআরজিসি। গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৪’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। এতে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হয়েছে ইরানের কৌশলগত শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ‘সেজিল’।
আইআরজিসি’র জনসংযোগ শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই নতুন দফার হামলায় দুই টন ওজনের বিধ্বংসী ওয়ারহেড সমৃদ্ধ ‘খোররামশাহর’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া হামলায় অংশ নিয়েছে খাইবার-শেখান (খাইবার-ধ্বংসকারী), কদর এবং ইমাদ ক্ষেপণাস্ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আসন্ন এসএসসি-এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নকল ও অনিয়ম প্রতিরোধে নজিরবিহীন কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এবারের পরীক্ষার সবচেয়ে আলোচিত ও আতঙ্কের বিষয় হতে যাচ্ছে শিক্ষামন্ত্রীর এই ‘হেলিকপ্টার মিশন’।
মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারক সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম রুখতে এবার প্রথাগত সড়কপথের পরিবর্তে আকাশপথকে বেছে নিয়েছেন মন্ত্রী। মূলত সড়কপথে পর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের বিশেষ বাহিনী আইআরজিসি’র বিমান ও মহাকাশ বাহিনীর কমান্ডার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যভেদের হার সম্পর্কে প্রতিবেদন দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি’র বিমান ও মহাকাশ বাহিনীর কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি বলেছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় মার্কিন ও ইসরায়েলি অপরাধীদের লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের হার দ্বিগুণ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আকাশ যেন ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর জন্য উন্মুক্ত হয়ে গেছে এবং আগ্রাসীদের শাস্তি অব্যাহত রয়েছে।
মুসাভি আরও জানান, শবে কদরের রাতে এবং ইরানের জনগণের দোয়ার বর বাকি অংশ পড়ুন...
ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে ১০০টিরও বেশি দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপ হলো-
কেশম ইরানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ, কিশ পর্যটন ও বাণিজ্যকেন্দ্র, খারগ প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র, আবু মুসা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এবং হরমুজ দ্বীপ হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত।
এসব দ্বীপের অনেকগুলোতেই সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো বা বাণিজ্যিক বন্দর রয়েছে। পারস্য উপসাগরে তেল পরিবহন ও সামরিক কৌশলের দিক থেকে এগুলোর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
খারগ দ্বীপ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
বিশেষ বিশেষ দিন পালন করা মহান আল্লাহ পাক উনার সুন্নত। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সুন্নত।
কিন্তু দিলে বক্রতা ও গালিজ থাকার কারণে ওহাব বাকি অংশ পড়ুন...
* হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ায় বিপাকে ড্রাম্প, বাড়ছে তেলের দাম
* ইরানে হামলার প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে, মূল্যায়ন করেনি ড্রাম্প প্রশাসন
* কয়েক দিনে যুদ্ধ শেষ করতে চাইলেও ১৪ দিনেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানে হামলা শুরুর পরপরই সন্ত্রাসী ড্রাম্প বলেছিলো, শিগগিরই এই যুদ্ধ শেষ হবে। দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এদিকে সন্ত্রাসী ইসরায়েলও এখন যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে। এ পরিস্থিতিতে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড্রাম্প প্রশাসনের সূত্রই তাদের জানিয়েছে, ‘হামলা চালালে হরমুজ প্রণালি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০২৫ সালে (অক্টোবর পর্যন্ত হিসাবে) জাপানের জনসংখ্যা ১২ কোটি ৩ লাখে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ লাখ ৯৮ হাজার কম। গত সোমবার দেশটির সরকারি তথ্যে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জাপানের জন্মহার বিশ্বের মধ্যে সর্বনিম্ন, যার ফলে কর্মী ও ভোক্তার সংখ্যা কমছে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মী নিয়োগের জন্য লড়াই করছে।
দেশটির ইন্টারন্যালবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫০ সালে তথ্য সংগ্রহ শুরু করার পর থেকে এটি জনসংখ্যার সবচেয়ে বড় পতন।
বাকি অংশ পড়ুন...












