ক্যাপসিকাম প্রধানত উত্তর আমেরিকার মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার পেরু অঞ্চলের কৃষিপণ্য হিসেবে পরিচিত এবং ঝাল ও মিষ্টি উভয় ধরনের ক্যাপসিকামই বিশ্বজুড়ে চাষাবাদ হচ্ছে।
বাংলাদেশে এর চাষাবাদ সম্পর্কে কৃষি বিভাগ বলছে, ২০১৪-১৫ সালের দিকে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ক্যাপসিকাম বাজারে আসতে শুরু করে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবেই এর উৎপাদন বেড়ে চলেছে।
দেশের ভোলা, সিলেট, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গা, কুড়িগ্রাম ও যশোর অঞ্চলের কিছু জেলা ও উপজেলায় ক্যাপসিকামের চাষ হচ্ছে। চলতি বছর কুমিল্লাসহ আরও কয়েকটি জায়গায় প্রথমবারের মতো ক্যাপসিকাম চাষের তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি অংশ পড়ুন...
বরিশাল সংবাদদাতা:
বরিশালের গৌরনদীতে পতিত জমিতে কম পুঁজিতে হাইব্রিড হলুদ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন মেহেদী হাসান নামের এক কৃষক। তার সফলতা দেখে এলাকার অন্য কৃষকেরাও এখন হলুদ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
গৌরনদী পৌরসভার হরিসেনা গ্রামের তরুণ মেহেদী জানান, নরসিংদী থেকে হাইব্রিড জাতের হলুদ এনে ৩০ শতক পতিত জমিতে চাষ করেন। এই জমিতে প্রায় ১০০ মণ ফলন হয়েছে। চাষ থেকে শুরু করে হলুদ উত্তোলণ পর্যন্ত তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি কেজি কাচা হলুদ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে তিনি দেড় লাখ টাকা লাভবান হবেন বলে আশা করছেন।
বাকি অংশ পড়ুন...
যশোর সংবাদদাতা:
ভোরের কুয়াশা কাটতে না কাটতেই জমে ওঠে হাট। তবে এখানে বিক্রি হয় না শাকসবজি বা গরু-ছাগল, বিক্রি হয় মানুষ। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও যশোরের কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রাম বাজারে প্রতিদিন ভোরে বসে এমনই এক ‘মানুষ বিক্রির হাট’, যেখানে শ্রমই পণ্য, আর শ্রমিকই বিক্রেতা।
ভোর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত চলা এই হাট মূলত কৃষি শ্রমিকদের অস্থায়ী কর্মবাজার। স্থানীয়ভাবে এটি ‘কামলার হাট’ নামে পরিচিত। দিনভিত্তিক শ্রম বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করেন এখানে আসা শত শত মানুষ। কয়েক ঘণ্টার জন্য নিজেদের শ্রম বিক্রি করেই চলে তাদের সংসার।
সরেজমিনে দেখ বাকি অংশ পড়ুন...
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা:
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের হাওয়ালভাঙি গ্রামে দীর্ঘদিনের পতিত লবণাক্ত জমিতে পরীক্ষামূলক চাষে সফলতা পেয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। ১০ মাত্রার লবণাক্ততা সম্পন্ন প্রায় ৩ একর জমিতে ভুট্টা, বিনাধান-১০ ও ব্রিধান-৯৯ চাষ করে এলাকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন। এলাকায় প্রথমবারের মতো ডিবলিং পদ্ধতিতে (কৃষি জমিতে নির্দিষ্ট গভীরতায় ও দূরত্ব বজায় রেখে ছোট গর্ত করে বীজ বা চারা রোপণ করা) ভুট্টা চাষ করা হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, উপকূলীয় এ অঞ্চলের কয়েক হাজার বিঘা জমি আমন মৌসুমের পর মিঠাপানির অভা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাকিস্তানের উন্নত জাতের গরুর সঙ্গে সংকরায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের গরুর দুধ ও গোশতের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি উচ্চ ফলনশীল ইক্ষুসহ চিনি উৎপাদনে পাকিস্তান বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করতে আগ্রহী। এছাড়া বাংলাদেশ আগ্রহী হলে পাকিস্তান আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি রপ্তানি করতে চায়।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদের সঙ্গে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় এসব বিষয়ে আ বাকি অংশ পড়ুন...
শেরপুর সংবাদদাতা:
শেরপুরের চরাঞ্চলের কৃষকরা নায্য দাম ও জমির উর্বরতার সুফলে মটরশুঁটি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। হাইব্রিড জাতের দেবগিরি মটরশুঁটি চাষে রোগবালাই কম হওয়ায় এবং চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শেরপুরে বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে খুশি চরাঞ্চলের চাষিরা। কৃষি বিভাগ বলছে, ভালো ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আগামী মৌসুমে ডালজাতীয় এ ফসলের চাষ আরও বাড়বে।
কৃষি বিভাগ জানায়, শেরপুরের চরাঞ্চলের মাটি মটরশুঁটি চাষের জন্য বেশ উপযোগী। বীজ রোপণের ৬০-৭০ দিনের মধ্যেই ফসল সংগ্রহ করা যায়। তিন দফায় গাছ থেকে মটরশুঁটি সংগ্রহ করা হয়। ‘দেবগিরি’ জাতের মটরশ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
কৃষি গবেষণায় উদ্ভাবিত নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে যথাযথভাবে প্রান্তিক চাষিদের কাছে পৌঁছানোর ওপর কৃষি উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভরশীল। আমাদের দেশের গবেষণাগারে বা স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তির অধিকাংশই কৃ বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
কৃষকদের বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শ্রমিক সংকট। হাওর পাড়ের কৃষকরা জানিয়েছেন, যেসব জমির ধান পেকেছে তা শ্রমিকের অভাবে কাটতে পারছেন না তারা। জনপ্রতি ৭০০-৮০০ টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া না যাচ্ছে বলে জানান চাষিরা।
সুনামগঞ্জের দেখার হাওরের কৃষক সুলেমান মিয়া বলেন, বৃষ্টি আর পানিতে ধান নষ্টের ভয়ে আছি। যদি তেল পাওয়া যেত, তাহলে আমরা কৃষকরা বাঁচতে পারতাম। আমাদের ধান যদি নষ্ট হয়, তাইলে আমাদের মরণ ছাড়া উপায় নেই।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, আমাদের হাওরে ধান পেকে গেছে, কিন্তু শ্রমিকের এতো প বাকি অংশ পড়ুন...
বরিশাল সংবাদদাতা:
বাড়ির ছাদে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমধর্মী এক বাগান। যেখানে চাষ হচ্ছে ২১টি বিদেশি জাতের আঙুর। প্রতিটি গাছে ঝুলছে থোকায় থোকায় বিভিন্ন রঙের আঙুর।
বরিশালের বাবুগঞ্জের কেদারপুর ইউনিয়নের এক প্রত্যন্ত গ্রামে বাবুগঞ্জ বন্দরের কাপড় ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন নিজের বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছে এই বাগান। শখের বসে শুরু করা আঙুর চাষে মাত্র এক বছরের মধ্যেই পেয়েছেন চমকপ্রদ সফলতা।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে জিও ব্যাগে চারা রোপণ করেন আরিফ। নিয়মিত পরিচর্যা ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করায় এক বছরের মধ্যেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। তার ধ বাকি অংশ পড়ুন...
মুন্সিগঞ্জ সংবাদদাতা:
‘ডিজেল না থাকায় সময়মতো জমিতে পানি (সেচ) দিতে পারছি না। ধানের চারা শুকিয়ে যাচ্ছে। এখন যদি সেচ দিতে না পারি, তাহলে সব ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।’
এভাবেই আশঙ্কার কথা জানাচ্ছিলেন মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার আলমপুর এলাকার আড়িয়াল বিলের ধান চাষি বাচ্চু মাঝি। তবে এ আশঙ্কা শুধু তার নয়, বিলের অন্যান্য কৃষকদেরও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে। ডিজেল সংকটে তারা চরম বেকায়দায় পড়েছেন।
হতাশা প্রকাশ করে কৃষক বাচ্চু মাঝি বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদেরকে কৃষক কার্ড করে দেওয়া হয়েছে, তবুও ফিলিং স্টেশনে গিয়ে তেল পাই না। আবার বাই বাকি অংশ পড়ুন...
নেত্রকোনা সংবাদদাতা:
কৃষকদের অভিযোগ, দেশে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ৪০ কেজিতে এক মণ ধরা হলেও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী ৪২ থেকে ৪৫ কেজিতে এক মণ হিসাবে ধান কিনছেন। এতে প্রতি মণে কয়েক কেজি ধান অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে, যা সরাসরি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মাঠপর্যায়ে দরকষাকষির সুযোগ কম থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে এই শর্তে ধান বিক্রি করছেন।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দফা শিলাবৃষ্টি ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে হাওরের নি¤œাঞ্চলের অনেক জমির ধান তলিয়ে গেছে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। এর মধ্যেই শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
কুমিল্লা সংবাদদাতা:
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার প্লাবন ভূমিতে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ শুরু হয়। যা বর্তমানে সারা দেশে একটি মডেল। দাউদকান্দিতে ধানখেতে বর্ষা মৌসুমে মাছ ও শুকনো মৌসুমে ধান চাষ করা হয়। দাউদকান্দির ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন ইলিয়টগঞ্জ, আদমপুর, পুটিয়া, বাসরা, রায়পুর, সিংগুলা, লক্ষ্মীপুর ও সুহিলপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে গড়ে উঠেছে মৎস্য প্রকল্প।
১১৫টি মৎস্য প্রকল্পে প্রতি বছর উৎপাদন হচ্ছে আড়াই হাজার কোটি টাকার মাছ। এখানে উৎপাদিত হয় রুই, মৃগেল, কাতলা, সিলভার কাপ, সরপুঁটি, তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন জাতের রঙিন মাছ। ব্যব বাকি অংশ পড়ুন...












