SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%গাছের%' OR titleBn LIKE '%গাছের%' OR descriptionEn LIKE '%গাছের%' OR descriptionBn LIKE '%গাছের%' OR slug LIKE '%গাছের%' OR metaTag LIKE '%গাছের%' OR metaDescription LIKE '%গাছের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সুওয়াল: ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বহু সংখ্যক বর্ণনার মধ্যে রয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদমবুছি করেছেন। আর তিনি উনাদের কদমবুছী গ্রহন করেছেন। অনুরূপভাবে একজন ছাহাবী আরেকজন ছাহাবী র বাকি অংশ পড়ুন...
জানা গেছে, কচুয়া প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৭৭ লাখ ৩৩ হাজার ১৪২ টাকা, এর মধ্যে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪৩ টাকা। খাল পুনখনন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল দড়িটানা থেকে বলেশ্বর নদীর সংযোগ পর্যন্ত ১ কিলোমিটার। অন্যদিকে মঘিয়া ইউনিয়নের কুন্ডুপাড়া থেকে খলিশাখালী পর্যন্ত ১ কিলোমিটার খাল পুনখননের কাজ শেষ হয়েছে। সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ আলী হাসান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বাকি অংশ পড়ুন...
পাবনা সংবাদদাতা:
দেশের মাটিতে মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির ফসল ফলানো কি আদৌ সম্ভব? বিশেষ করে যে ফলটির জন্য প্রয়োজন তীব্র দাবদাহ আর শুষ্ক আবহাওয়া। চার বছর আগে যখন পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের তরুণ সাইফুদ্দিন হিরু এই স্বপ্ন দেখেছিলেন; তখন স্থানীয়রা তাকে ঘিরে এমন প্রশ্নই ছুঁড়ে দিয়েছিলেন।
হিরুর এমন উদ্যোগে অনেকেই বলেছিলেন, ‘নিজ মাটিতে বাঙালির ভাগ্যে সৌদি খেজুর কেমনে জোটে।’ কিন্তু সব সংশয় উড়িয়ে দিয়ে হিরু আজ অনন্য দৃষ্টান্ত। তার ৩৩ শতাংশের সবুজ জমিতে এখন ঝুলছে থোকায় থোকায় আজোয়া আর মরিয়মসহ বিভিন্ন জাতের খেজুর। পাবনার মাট বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পে ভয়াবহ আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ৫০০ টাকার চারা গাছ কেনা হয়েছে লাখ টাকায়।
আংশিক উদ্বোধনের ফিতা কাটতে খরচ দেখানো হয়েছে ৪৪ কোটি টাকা। বিদ্যমান পুকুরকে নতুন পুকুর খনন দেখিয়ে তোলা হয় ১০ কোটি টাকা। নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার অজুহাতে অতিরিক্ত দেওয়া হয়েছে ২১৭ কোটি টাকা। ভেরিয়েশন বা আইটেম পরিবর্তন করার নামে পরিশোধ করা হয়েছে শত শত কোটি টাকা। এখন এসব ব্যয়কে পোস্ট-ফ্যাক্টো (পরবর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
শি’বে আবূ ত্বালিবের বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ৬ষ্ঠ বছর সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাসে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে শি’বে আবূ ত্বালিব-এ মহাসম্মানিত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন। উনারা সেখানে তিন বছর সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেন। অতঃপর আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নুবুও বাকি অংশ পড়ুন...
মৌলভীবাজার সংবাদদাতা:
সরকার যখন সারা দেশে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছে, ঠিক তখনই মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে 'উচ্ছেদের' নামে ১ হাজার ২০০টি ফলন্ত কমলা গাছ কেটে ফেলার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার রাজকান্দি বন রেঞ্জের অধীনস্থ আদমপুর বন বিটের কালিঞ্জি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। খোদ বন বিভাগের এমন অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারটির দাবি, দীর্ঘ ৮ বছর ধরে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়মিত মাসোহারা (চাঁদা) দিয়ে তারা এই বাগানটি টিকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবনের বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বনাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ওপর পাঁচটি ক্যানোপি ব্রিজ নির্মাণ করেছে বন বিভাগ। এই ‘সবুজ সেতু’ ব্যবহার করে বানর, হনুমান, কাঠবিড়ালি ও লজ্জাবতী বানরসহ বিভিন্ন প্রাণী মাটিতে না নেমেই এক গাছ থেকে অন্য গাছে যেতে পারবে।
ফলে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঝুঁকি কমার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ। মধুপুর শালবনের ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণের ফলে অনেক স্থানে গাছের প্রাকৃতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
এতে খাদ্য সংগ্রহ, আশ্রয় পরিবর্তন কিং বাকি অংশ পড়ুন...
আম্বর (اَلْعَنْبَرُ) বৃহদাকার সামুদ্রিক মাছঃ
এ সম্পর্কে সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَّرَ عَلَيْنَا أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ الْجَرَّاحِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ نَتَلَقَّى عِيرًا لِقُرَيْشٍ وَزَوَّدَنَا جِرَابًا مِنْ تَمْرٍ لَمْ نَجِدْ لَهُ غَيْرَهُ فَكَانَ أَبُو عُبَيْدَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ يُعْطِينَا تَمْرَةً تَمْرَةً كُنَّا نَمُصُّهَا كَمَا يَمُصُّ الصَّبِيُّ ثُمَّ نَشْرَبُ عَلَيْهَا مِنَ الْمَاءِ فَتَكْفِينَا يَوْمَنَا إِلَى اللَّيْلِ وَكُنَّا نَضْرِبُ بِعِصِيِّنَا الْخَبَطَ ثُمَّ نَبُلُّهُ بِالْمَاءِ فَنَأْكُلُهُ وَانْطَل বাকি অংশ পড়ুন...
এটি একসময় “ভোলা গ্রাম” নামে পরিচিত ছিল। সবুজে ঘেরা যে গ্রামে ছিল বিস্তৃত ফসলের জমি, ছিল ফসলের ঘন আবাদ। উপকূলীয় জেলা ভোলা থেকে আসা কৃষকদের বাস ছিল এখানে। তারা খাল-বিলে মাছ ধরতো। শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন ছিল তাদের। এলাকাটি তখন “ভোলা সামাইর” নামেও পরিচিত ছিল।
১৯৬১ সালে ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্টের (ডিআইটি) তৎকালীন প্রধান জিএ মাদানি গুলশান মডেল টাউন বাস্তবায়নের জন্য এই এলাকাটিকে বেছে নিয়েছিলেন। এটি ছিল অভিজাত একটি আবাসিক এলাকা নির্মাণের প্রকল্প, যা পাকিস্তানের করাচি শহরের একই ধরনের আবাসিক এলাকার নামের অনুকরণ।
উন্নয়ন কাজ চলাকালে বাকি অংশ পড়ুন...












