SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%গর্ভপাত%' OR titleBn LIKE '%গর্ভপাত%' OR descriptionEn LIKE '%গর্ভপাত%' OR descriptionBn LIKE '%গর্ভপাত%' OR slug LIKE '%গর্ভপাত%' OR metaTag LIKE '%গর্ভপাত%' OR metaDescription LIKE '%গর্ভপাত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
এর আগে, গত ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে শহিদুল ইসলামকে। আদালতের বিচারক শিরিন নিলা মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি এবং পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক।
মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী নারী উল্লেখ করেন, প্রায় সাত বাকি অংশ পড়ুন...
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বালাডাঙ্গা এলাকায় গত ১৭ জুলাই এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের নতুনবাজার গ্রামের আব্দুল জলিল খানের চার মেয়ে। বড় মেয়ে পারভিন বেগম (৪৬) কয়েক বছর আগে প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন। দেশে এসে চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বালাডাঙ্গা এলাকায় জমি কিনে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। স্বামী না থাকায় তিনি একাই থাকেন এবং মাটি কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
ওই বাড়িটি দখলে নিতে প্রতিবেশী মজিবর, মোজাফফর, বাবলু, শহীদসহ আরও কয়েকজন বিভিন্ন সময় বাকি অংশ পড়ুন...
কুমিল্লা সংবাদদাতা:
দাউদকান্দি থানায় সম্ভ্রমহরণ ও জোর করে ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত জুমুয়াবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, দাউদকান্দি থেকে শিবির নেতা জিসান প্রধান অপহৃত হয়নি। এক নারীর করা সম্ভ্রমহরণের অভিযোগ ও বিয়ের চাপ এড়াতে সে স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলো।
গতকাল জুমুয়াবার রাত ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে জিসানকে উদ বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
অপরাধের দেশ
আমেরিকা তো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ। সেখানে ১৯৬৫সালে ৫০ লাখ অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে। অথচ জনসংখ্যা বৃদ্ধির তুলনায় বিপদজনক অপরাধের বৃদ্ধির পরিমান ১৪গুণ বেশি। অপরাধ বৃদ্ধির শতকরা হার ১৭৮% তখন জনসংখ্যা বৃদ্ধির শতকরা হার ছিল ১৩%। প্রতি ১২ সেকেন্ডে একটি অপরাধ সংঘঠিত হয়। প্রতি ঘন্টা পর একজন লোক খুন হচ্ছে, প্রতি ২৫ মিনিটে একটা করে সম্ভ্রমহরণের ঘটনা ঘটছে, প্রতি মিনিটে একটি চুরির ঘটনা ঘটছে, প্রতি ৫ মিনিটে ১টি ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। ১৯৫১ সালে ১ লাখ বাসিন্দার মধ্যে ৩০ জনে ১টি খুন। ১৯৬০ সালে ৫জন, ১৯৬৭ সালে ৯জন। প্রতি মিনিটে একটি বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন নীতি নির্ধারক কিসিঞ্জার মারা গেছে। একজন বাংলাদেশী হিসেবে তার নামটা শুনলে যে কথাটা সর্বপ্রথম মনে পরে সেটা হলো, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে বাংলাদেশকে সে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিলো। প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশকে কেন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলো কিসিঞ্জার? কি ছিলো তার উদ্দেশ্য?
এ উত্তর দেয়ার আগে প্রথমেই কিসিঞ্জারের পরিচয় সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। কিসিঞ্জার হচ্ছে জার্মান ইহুদী। নাৎসীদের নির্যাতনে আমেরিকায় পালিয়ে আসা কিসিঞ্জার এক সময় বনে যায় আমেরিকার নীতি নির্ধারক। বর্তমান মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের পেছনে ক বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের ৭৬ ভাগ মানুষ বর্তমানে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।
গত মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁও-এ আয়োজিত এক সেমিনারে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এই তথ্যের মাধ্যমে দেখা যায়, কোনো দেশের ৯০ ভাগ মানুষ আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করলে সে দেশ আয়োডিনযুক্ত লবণে স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, বাংলাদেশ সেখান থেকে মাত্র ১৪ ভাগ দূরে আছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানুষের স্বাভাবিক মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধির জন্য আয়োডিন অপরিহার্য। ৯০ এর দশ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সম্প্রতি বিএসটিআই কর্তৃক রাজধানীর পুরাতন ঢাকার চকবাজার ও সাভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল কসমেটিকস-সামগ্রী জব্দ করে। সেগুলো বিএসটিআইয়ের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়।
দেখা যায়, এসব নকল কসমেটিকস পণ্যে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে আড়াই হাজার গুণেরও বেশি ক্ষতিকর হাইড্রোকুইনোন নামক জৈব অ্যাসিড রয়েছে। বিএসটিআইয়ের নিয়মানুযায়ী প্রতি কেজি কসমেটিকস পণ্যে পাঁচ মিলিগ্রাম হাইড্রো কুইনোন থাকতে পারে। এর বেশি থাকলে তা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে। এসব কসমেটিকস-সামগ্রী ব্যবহারে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনের কার্যালয় স্থাপনের ঘোষণায় ২৪৪ জন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষক উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন। গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) তারা এ বিবৃতি দেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ, ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনের কার্যালয় স্থাপনের ঘোষণায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা মনে করি, এ সিদ্ধান্ত দেশের সার্বভৌমত্ব, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসগঠনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
‘যদিও মানবাধিকার একটি বাকি অংশ পড়ুন...
কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪০ শতাংশ কৃষিতে কর্মরত। আর মোট জিডিপির প্রায় ১৪ শতাংশ কৃষি থেকে। তবে শ্রমশক্তির এই বড় অংশটি রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। জমিতে কীটনাশক প্রয়োগসহ নানাবিধ সচেতনতার অভাবে কৃষকেরা আক্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগে।
কীটনাশক ব্যবহারে অসচেতনতা এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবে ক্যান্সার, পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস, নারীদের অকাল গর্ভপাতসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষেত-খামার পরিদর্শন করে দেখা যায়, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের সময় কৃষকদের কেউই হাতে গ্লাভস ও স্বাস্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
এডিসন রিসার্চের প্রাথমিক বুথফেরত জরিপের ফল অনুযায়ী, প্রায় তিন চতুর্থাংশ ভোটার মনে করে মার্কিন গণতন্ত্র গুরুতর হুমকির মুখে রয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে ভোটাররা গণতন্ত্র ও অর্থনীতির কথা উল্লেখ করেছে। প্রায় এক তৃতীয়াংশ ভোটার উভয় বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছে। পরের জায়গাগুলোতে ১৪ ও ১১ শতাংশ ভোট নিয়ে আছে গর্ভপাত ও অভিবাসন।
৭৩ শতাংশ ভোটার মনে করে গণতন্ত্র হুমকির মুখে রয়েছে। ২৫ শতাংশ মনে করে এ টি সুরক্ষিত আছে।
তবে এই সংখ্যাটি লাখো মার্কিন ভোটারের একটি ছোট অংশের প্রতিনিধিত্ব করছে। বাকি অংশ পড়ুন...












