(৩৭৯)
المسألة الحادية عشرة: قد دللنا على أن قوله: وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ يدل على أن الإجماع حجة فنقول: كما أنه دل على هذا الأصل فكذلك دل على مسائل كثيرة من فروع القول بالإجماع.
অর্থ: একাদশ মাসয়ালা: উলিল আমর সম্পর্কিত মহাপবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা দলীল নেয়া হয় যে, ইজমাউল উম্মাহ মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার অকাট্য দলীল। প্রমাণিত আছে যে, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ দ্বারা অসংখ্য শাখামূলক মাসয়ালা বের করা হয়েছে।
(৩৮০)
المسألة الثانية عشرة: ذكرنا أن قوله: فَإِنْ تَنازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُولِ يدل على صحة العمل بالقياس، فنقول: كما أن هذه الآية دلت على هذا الأصل، فكذلك دلت على مسائل كثيرة من فروع القول بالقياس.
অর্থ: দ্বাদশ মাসয়ালা: আমরা আ বাকি অংশ পড়ুন...
৪৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বড় ইস্তিঞ্জা মুবারক نُوْرُ الْغَيْبِ مُبَارَكٌ নূরুল গইব মুবারক
৪৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অঙ্গ-প্রতঙ্গ মুবারক نُوْرُ الرِّسَالَةِ مُبَارَكٌ নূরুর রিসালাহ্ মুবারক
৪৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাবাস্সুম মুবারক (মুচকি হাসি মুবারক) نُوْرُ التَّقْرِيْرِ مُبَارَكٌ নূরুত তাক্বরীর মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৭৩)
أن طاعة الله وطاعة رسوله واجبة قطعا، وعندنا أن طاعة أهل الإجماع واجبة قطعا، وأما طاعة الأمراء والسلاطين فغير واجبة قطعا، بل الأكثر أنها تكون محرمة لأنهم لا يأمرون إلا بالظلم.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করা ওয়াজিব অর্থাৎ ফরযে আইন। আমাদের মতে ইজমাকারীগণ উনাদেরকে অনুসরণ করা ওয়াজিব। কিন্তু আমির ও সুলতানদেরকে অনুসরণ করা ওয়াজিব নয়। বরং অধিকাংশগণের মতে, তাদেরকে অনুসরণ করা হারাম, কেননা তারা সাধারণত: যুলুমেরই হুকুম দিয়ে থাকে।
(৩৭৪)
المسألة الرابعة: اعلم أن قوله: فَإِنْ تَنازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُولِ يدل عندنا على أن বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৬৭)
المسألة الثانية: اعلم أن هذه الآية آية شريفة مشتملة على أكثر علم أصول الفقه، وذلك لأن الفقهاء زعموا أن أصول الشريعة أربع: الكتاب والسنة والإجماع والقياس، وهذه الآية مشتملة على تقرير هذه الأصول الأربعة بهذا الترتيب.
অর্থ: দ্বিতীয় মাসয়ালা: জেনে রাখুন! নিশ্চয়ই অত্র মহাপবিত্র আয়াত শরীফ খানা উছূলুল্ ফিক্হ ইল্মের সংশ্লিষ্ট উৎস। যেহেতু সকল ফুকাহা কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মনে করেন নিশ্চয়ই মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার উছূল হলো চারখানা। কিতাবুল্লাহ তথা মহাপবিত্র কুরআন মাজীদ, মহাপবিত্র সুন্নাহ তথা হাদীছ শরীফ, মহাপবিত্র ইজমাউল উম্মাহ ও মহাপবিত্র ছহীহ কিয়াস। অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মুবাশশিরাও ওয়া নাযীরা, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হায়াতুন নবী, শাহিদুন্ নবী, মুত্বালা’ আলাল গইব, রউফুর রহীম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নসবনামাহ মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম মুবারক বুঝতে হবে। পবিত্র হাদীছ শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কালাম মুবারক বুঝতে হবে। তখন বুঝতে সহজ। নিজের মতো বুঝলে
اَلْمَرْءُ يَقِيْسُ عَلٰي نَفْسِهٖ
যে যে রকম সে সে রকম মনে করে থাকে তখন সে গোমরাহ হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই এখানে পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যে ছানা-ছিফত মুবারক, মর্যাদা মুবারক সেটাই বর্ণনা করা হয়েছে।
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা
مُسْلِمَاتٍ مُّؤْمِنَاتٍ قَانِتَاتٍ تَائِبَاتٍ বাকি অংশ পড়ুন...
৪৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বড় ইস্তিঞ্জা মুবারক نُوْرُ الْغَيْبِ مُبَارَكٌ নূরুল গইব মুবারক
৪৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অঙ্গ-প্রতঙ্গ মুবারক نُوْرُ الرِّسَالَةِ مُبَارَكٌ নূরুর রিসালাহ্ মুবারক
৪৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাবাস্সুম মুবারক (মুচকি হাসি মুবারক) نُوْرُ التَّقْرِيْرِ مُبَارَكٌ নূরুত তাক্বরীর মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمَنْصُوْرُ (আল মানছূর) শব্দ মুবারক উনার তাহক্বীক্ব বা শাব্দিক বিশ্লেষণ: اَلْمَنْصُوْرُ (আল মানছূর) শব্দ মুবারকখানা আরবী ক্বাওয়ায়িদ অনুযায়ী ওয়াহিদ মুযাক্কার ইসমে মাফঊল উনার ছীগাহ। ইহা نصر (নূন, ছাদ্, র) মাদ্দাহ (বা মূল বর্ণ) হতে নির্গত। اَلْمَنْصُوْرُ (আল মানছূর) শব্দ মুবারক উনার শাব্দিক অর্থ মুবারক হচ্ছেন, (১) সাহায্যপ্রাপ্ত, (২) সাহায্যকৃত, (৩) সফল, (৪) কৃতকার্য, (৫) বিজয়ী, (৬) উত্তম সাহায্যপ্রাপ্ত, (৭) গায়েবী মদদপ্রাপ্ত, (৮) সমর্থিত, (৯) প্রাধান্যপ্রাপ্ত, (১০) শ্রেষ্ঠত্বপ্রাপ্ত, (১১) বদলকৃত, (১২) যাঁর অগ্রগতি সন্তোষজনক, (১৩) সফল পরিণতিপ্রাপ্ত, (১৪) নিষ্কৃতি বাকি অংশ পড়ুন...
উনার শরাফত মুবারক আস্তে আস্তে বলা, সেটা তিনি আস্তে আস্তে বলেছেন।
فَلَمَّا نَبَّأَتْ بِهِ
পরবর্তী সময় এ কথাগুলি বিশেষ করে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়াহ আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনারা আলোচনা করেছেন। আসলে এই মাগাবি ফুলের ঘ্রাণ থাকার কারণে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলছেন যে, তিনি এটা গ্রহণ করবেন না। এটা উনারা আলোচনা করলেন।
وَأَظْهَرَهُ اللهُ عَلَيْهِ عَرَّفَ بَعْضَهُ وَأَعْرَضَ عَن بَعْضٍ
(এ বিষয়টা যেহেতু যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪০ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত পহেলা রজবুল হারাম শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আজকে এই মহাসম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ উনার পহেলা রাত্রি মুবারক। আমরা সাধারণভাবে মহাসম্মানিত ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ বিশেষভাবে পালন করি। এই পহেলা রজবুল হারাম শরীফ দো‘আর ইন্তিযাম করা বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪০ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১৩ই যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল খ¦মীস শরীফ (বৃহস্পতিবার রাত) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “একটি বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক আমি আজকে বলবো। যে, কুরবানী উনার মাধ্যম দিয়ে নৈকট্য হাছিল হয়। খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেটা আজকে সকালে (পবিত্র ১২ই যিলহজ্জ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...












