SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খেতে%' OR titleBn LIKE '%খেতে%' OR descriptionEn LIKE '%খেতে%' OR descriptionBn LIKE '%খেতে%' OR slug LIKE '%খেতে%' OR metaTag LIKE '%খেতে%' OR metaDescription LIKE '%খেতে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বর্তমানে যতগুলো শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, তার মধ্যে অন্যতম গ্যাস্ট্রিক। কম-বেশী অনেকেরই এ সমস্যা রয়েছে। এর একটি কারণ হচ্ছে খারাপ খাদ্যাভ্যাস, ভেজালে সয়লাব খাদ্যাভাস।
আটা-ময়দার তৈরি খাবার অনেক সময় গ্যাস বাড়ায়। উচ্চ আঁশের পাশাপাশি আটায় গ্লুটেন নামক প্রোটিন থাকে, যা পরিপাকতন্ত্র সহজে হজম করতে পারে না। বিশেষ করে বাচ্চা ও বয়স্কদের সমস্যা বেশি হয়।
অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার ত্যাগ করতে হবে। কারণ, বেশির ভাগ মসলা পরিপাক করার মতো এনজাইম মানুষের শরীরে নেই। গরমে পেঁয়াজ, রসুন, হলুদগুঁড়া, কাঁচা মরিচ, লবণ ও তেলছাড়া অন্যান্য মসলা ব্যবহার না ঠবাকি অংশ পড়ুন...
শিয়ালের গোশত খেলে বাতের ব্যথা সারে, তক্ষক খেলে হাঁপানি থেকে যৌনক্ষমতা নানা রোগের চিকিৎসা হয়, আবার জোঁকের তেল নাকি সারিয়ে দেয় বাত-ব্যথা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে এমন ভ্রান্ত বিশ্বাস। তবে এসব দাবির পেছনে ইসলামী ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটা?
ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে- শিয়ালের গোশত এবং তক্ষক খাওয়া হারাম (নিষিদ্ধ)।
শিয়াল দাঁত ও নখর দিয়ে শিকার করা হিংস্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। হাদীছ শরীফে তীক্ষè দাঁত ও নখরবিশিষ্ট সব হিংস্র ও শিকারী প্রাণীর গোশত খেতে স্পষ্টভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
কোনো রোগমুক্তি বা লোকম বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন দুপুরে বগী গ্রামের পুতুল বেগমের গৃহপালিত একটি গরু বলেশ্বর নদের চরে ঘাস খেতে যায়। নদীতে জোয়ার এলে গরুটি সাঁতরে ছোট খাল পার হওয়ার সময় আকষ্মিক একটি কুমির গরুটির পেছন দিকে কামড়ে ধরে নদের দিকে টেনে নিতে থাকে।
এ সময় গরুটির আর্তচিৎকারে ঘটনাস্থলের অদুরে নদীতে মাছ ধরা জেলেরা ঘটনাটি দেখে দ্রুত এগিয়ে আসে। জেলেরা গরুটির গলায় দড়ি পেঁচিয়ে কিনারের দিকে টানতে থাকে। অনেকক্ষণ ধরে গরুটিকে মানুষ আর কুমির পাল্টাপাল্টি টানাটানি করতে থাকে। তবে শেষ পর্যন্ত কুমির গরুটি ছেড়ে দিয়ে পানির নীচে ডুব দিয়ে চলে যায়।
গরুর মà বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছূল আ’যম, হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন সেই যামানায় মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলী। বাকি অংশ পড়ুন...
আর সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র আক্বীক্বা দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করে নাজাত লাভ করা।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাà বাকি অংশ পড়ুন...
এ পবিত্র আয়াত শরীফ যতদিন মুসলমানরা অন্তর থেকে বিশ্বাস না করবে এবং সে অনুসারে আমল না করতে পারবে ততদিন মুসলমানরা কাফিরদের কাছে মার খেতেই থাকবে, অপদস্থ হতেই থাকবে। যেমনটা এখন ফিলিস্তিনিরা খাচ্ছে।
২য় বিশ্বযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ইহুদীদের প্রতি মায়া উপচে পড়েছিলো। আদর করে আশ্রয় দিয়েছিলো নিপীড়িত(!) ইহুদীদের। সে সময় তৎকালীন সম্্রাজ্যবাদী ব্রিটেন পর্যন্ত ইহুদীদের কোনো খ্রিস্টান দেশে আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। কারণ তারা ইহুদীদের দুষ্টুমি সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত ছিলো। একই জিনিস আমরা হিটলারের ক্ষেত্রেও দেখতে পাই। হিটলার বল বাকি অংশ পড়ুন...
একটি সত্য ঘটনা:
ঘটনাটি ঘটে প্রায় এক’শ বছর আগে সৌদি আরবের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে। ঘটনাটি তৎকালীন মিডিয়াতেও প্রচার করা হয়। ঘটনাটা ইব্নু জাদআন নামক এক ব্যক্তির। তার ছিল অনেকগুলো মোটা-তাজা উট। এই উটগুলোর ওলান এতই পূর্ণ ছিল যে, দেখে মনে হতো ভারে ফেটে যাবে।
ইব্নু জাদআন নিজের কথায় বর্ণনা করেন যে, আমার পাশেই দরিদ্র এক প্রতিবেশী ছিল। সেই প্রতিবেশীর ছিল সাতটি কন্যা সন্তান। আমি আমার উটের পালের একটা উটনী বাচ্চাসহ তাকে ছদকা হিসেবে দিয়ে দেওয়ার জন্য মনস্থির করলাম। আমি তখন এই আয়াত শরীফটি আবৃত্তি করলাম যেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ক বাকি অংশ পড়ুন...
১০ই রবীউছ ছানী বিলাদতে" সাইয়্যিদুনা হযরত "শাহ নাওয়াদা সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম" যিনি পৃথিবীর বুকে তাশরীফ গ্রহন করে নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সরাসরি নিছবত হাছিল করার সর্বশ্রষ্ঠ নিয়ামত মুবারক আমাদের সকল জিন- ইনসানকে দান করলেন, কারণ কেউ যদি সর্বপ্রকার মুহাব্বত, সন্তুষ্টি, দুনিয়া ও আখেরাতের সমস্ত কামিয়াবী, এবং ক্ষুধার্ত হয়েও যদি নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে খাদ্য চায় সেটাও মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধম্য দিয়ে পে বাকি অংশ পড়ুন...
মাওলানা জালালুদ্দীন রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার একটা বনের মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় একটা বড় কালো তিতির পাখি ধরে ফেলেন। তিনি যখন ভাবছেন যে, পাখিটাকে কীভাবে খাবেন; আগুনে ঝলসে; নাকি তরকারি রান্না করে!
এমন সময় পাখিটি বলে উঠলো, হে জালালুদ্দীন রুমী (রহমতুল্লাহি আলাইহি)! আপনি আপনার এই জীবনে এতো গোশত খেয়েছেন; অথচ আপনার এই আমিষের আকুতি শেষ হয় না। আপনি যদি আমাকে মুক্ত করে দেন; তাহলে আমি আপনাকে তিনটি পরামর্শ দেবো; যা আপনার জীবনকে সন্তোষ আর শান্তিতে ভরে দেবে।
মাওলানা জালালুদ্দীন রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কিছুটা বিচলিত হয়ে বললেন যে, আমাà বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
চট্টগ্রাম বিভাগের ১২টি কারাগারে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দি থাকায় চরম চাপের মধ্যে রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এসব কারাগারে বন্দি ধারণক্ষমতা সাত হাজার ৮৫০ জন হলেও বর্তমানে বন্দি রয়েছেন ১৯ হাজার ৯৬৬ জন। অতিরিক্ত বন্দির চাপে কারাবিধি অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির বন্দিকে পৃথক রাখার ব্যবস্থাও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন অপরাধ ও মামলায় আটক বন্দিদের অনেক ক্ষেত্রেই একই সঙ্গে রাখতে হচ্ছে।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের ১২টি কারাগারে পুরুষ বন্দির ধারণক্ষমতা সাত হাজার ৪৭৯ জন এবং নারী বন্দির ধারণক্ষমতা à বাকি অংশ পড়ুন...












