এক মাস রোযা রাখার ফলে শরীর একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে যায়। কিন্তু ঈদের দিন হঠাৎ করে অনেক ভারী ও মিষ্টি খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঈদের দিন খাবারের আনন্দ উপভোগ করা সম্ভব, তবে সেটি হতে হবে সচেতনভাবে। জেনে নিন কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন-
১. খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা:
ঈদের দিন বিভিন্ন ধরনের খাবার সামনে থাকলে অনেক সময় একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অল্প করে খাবার খাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
জার্মানিতে পবিত্র মাহে রমাদ্বানের আমেজ আমাদের পরিচিত ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর চেয়ে ভিন্ন। জার্মান মুসলমানদের বেশিরভাগ তুর্কি কিংবা তুরস্কের বংশোদ্ভূত। বাকিদের অধিকাংশই আরব বিশ্ব অথবা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসী। তাই এখানে রোযা পালনে থাকে বৈচিত্রের ছোঁয়া।
ইউরোপের অন্যান্য দেশের মুসলমানদের মতোই জাকজমক হয়ে থাকে জার্মান মুসলমানদের ইফতার। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে স্থানীয় মসজিদ অথবা মুসলিম কমিউনিটি হলগুলো হয়ে ওঠে জার্মানিতে বসবাসরত মুসলমানদের মিলন মেলা। এখানে খুবই কম মসজিদের সংখ্যা। সেই সাথে বিধর্মীদের রাষ্ট্রী বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
আলজেরিয়া:
আলজেরিয়ান মুসলিমরা পিজ্জা ‘সোয়ারবা’, সবজি রোল, আলু, সবজি দিয়ে তৈরি দোলমা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার শুরু করেন।
মাগরিবের নামাযের পর তারা ‘সিগার’ নামক এক ধরনের পানীয় পান করেন, যা বাদাম দিয়ে তৈরি। এছাড়া, তাদের ইফতারের তালিকায় বিভিন্ন স্যুপও থাকে।
সৌদি আরব:
আরব নিউজের এক প্রতিবেদন বলছে, সৌদিরা ইফতারের শুরুতে ‘গাহওয়া’ ন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
নাম ‘খান বাবা’। ২৫ বছর বয়সী পাকিস্তানের এই নাগরিকের ওজন ৪৩৫ কেজি। নিজেকে দাবি করে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ বলে। তার আসল নাম আরবাব খিজির হায়াত। তবে ‘খান বাবা’ নামেই তিনি বেশি পরিচিত।
পাকিস্তানের মারদান প্রদেশে আরবাব খিজির হায়াত। তিনি এক হাতে যে কোনো মানুষকে ওপরে তুলে ফেলতে পারেন, হাত দিয়ে গাড়ি টেনে নিয়ে যেতে পারেন বহুদূর এবং খালি হাতে ট্রাক্টর থামাতে পারেন। তাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ বলছেন অনেকেই।
ছয় ফুটের বেশি লম্বা আরবাব খিজির। উচ্চতা এবং শরীরের ওজনের কারণে এরইমধ্যে পাকিস্তানের জাহাজ উপাধি পেয়েছেন তিনি। বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতারের সময় প্রধান খাদ্য হিসেবে সর্বপ্রথম খেজুরের চাহিদা বেশি থাকে। দেশের অধিকাংশ খেজুর আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ-বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ইরান, ওমান ও ইরাক থেকে।
রোযা রাখার পর দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে খেজুর বেশ কার্যকর। এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।
বিশ্বে কয়েক’শ ধরনের খেজুর রয়েছে। তবে বাংলাদেশে সাধারণত কয়েক ধরনের খেজুর বেশি দেখা যায়। সেগুলো হলো-
আজওয়া খেজুর:
এটি সৌদি আরবের পবিত্র মদীনা শরীফের বিখ্যাত খেজুর। ছোট আকারের, গাঢ় রঙের এবং নরম স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশে বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত ও পবিত্র মুহাররমুল হারাম শরীফ উনার ৪ তারীখ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাতে) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিশেষ শান মুবারক ৯০ দিনব্যাপী মাহফিল মুবারক উদ্বোধন উনার দিন ইরশাদ মুবারক করেন- “একখানা ঘটনা মুবারক তোমাদেরকে বলি। আসলে অনেক ঘটনা তোমাদেরকে ব বাকি অংশ পড়ুন...
এছাড়া অন্যান্য কিছু পবিত্র হাদীছ শরীফ খেজুর ও যবের পরিমাপ দ্বারাও ফিতরা আদায়ের কথা বলা হয়েছে। এগুলোর ভুল ব্যাখ্যা করে সালাফী ওহাবীরা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। যেমন, হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সা’ পরিমাণ খাদ্য অথবা এক সা’ পরিমাণ যব অথবা এক সা’ পরিমাণ খেজুর অথবা এক সা’ পরিমাণ পনির অথবা এক সা’ পরিমাণ কিসমিস দিয়ে زَكَاةَ الفِطْرِ ছদাকাতুল ফিতর আদায় করতাম। (বুখারী-২/১৩১, হাদীছ-১৫০৬)
কিন্তু আমাদের হানাফী মাযহাবে গম বা আটার মূল্যের উপর ফিতরা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কারণ এ ব্যাপারে ছহীহ হা বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর কতটুকু দিবেন :
যাদের উপর ছদাক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব অর্থাৎ পবিত্র ঈদের দিন ছুবহি ছাদিক্বের সময় যাদের নিকট নিছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রূপা অথবা এর সমপরিমাণ মূল্য) সম্পদ থাকে তাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ এলাকা অনুযায়ী দুই মুদ (আধা ছা’) গম যা বর্তমান মেট্রিক পদ্ধতির হিসেবে অনুযায়ী ১৬৫৭ গ্রাম আটা বা এর সমপরিমাণ মূল্য দান করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবূ ছু’আইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ ছাড়া আরো অনেক হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে-
كنا نؤدى زكوة الفطر على عهد رسول الله صلى الله عل বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়েটের জগতে কার্বোহাইড্রেট নিয়ে নানা মত-অভিমত রয়েছে। কেউ কেউ কম কার্বোহাইড্রেট বা কার্বোহাইড্রেট-মুক্ত খাবারের কথা বলে, আবার কেউ কেউ কার্বোহাইড্রেটকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি হিসেবে গ্রহণ করে। কিন্তু অনেকেই মনে করে কার্ব হলো শত্রু। আসলে কার্বোহাইড্রেট হলো শরীরের পছন্দের শক্তির উৎস, এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য সাহায্য করবে নাকি বাধা দেবে তা অনেকটাই নির্ভর করে কি খাওয়া হচ্ছে, কখন খাওয়া হচ্ছে তার উপর।
কার্ব হলো জ্বালানি:
কার্বোহাইড্রেট সহজাতভাবে খারাপ নয়। এটি শরীরকে গ্লুকোজ দেয়- যা মস্তিষ্ক, পেশী এবং স্নায়ুতন্ত্রের জ্ব বাকি অংশ পড়ুন...












