মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আলী আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুনিয়াত মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল হাসান আলাইহিমাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক: আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইমামুল আউওয়াল, কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, আসাদুল্লাহ অর্থাৎ নিসবাতুল্লাহ, আল মুরতাদ্বা ইত্যাদি। সুবহানাল্লাহ!
যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক-এ মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেছ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(৬)
শায়েখ আল্লামা হযরত ইমাম মুহম্মদ ইবনে মুহম্মদ ইবনে শিহাব ইবনে ইঊসুফ আল বায্যাযী আল হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো বলেন-
قُلْنَا اِذَا شَتَمَهٗ عَلَيْهِ الصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ سَكْرَانُ لَا يُعْفٰى وَيُقْتَلُ اَيْضًا حَدًّا وَّهٰذَا مَذْهَبُ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَبِىْ بَكْرِ ۣ الصِّدِّيْقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَحَضْرَتْ اَلْاِمَامِ الْاَعْظَمِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اَلثَّوْرِىِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَاَهْلِ الْكُوْفَةِ وَالْمَشْهُوْرُ مِنْ مَذْهَبِ حَضْرَتْ مَالِكٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَاَصْحَابِهٖ قَالَ حَضْرَتْ اَلْـخَطَّابِـىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ لَا اَعْلَمُ اَحَدًا مِّ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবস মুবারকগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিন কায়িনাতবাসীকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।” (প বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন- নূরে মুজা বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
নিম্নে উক্ত মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের সম্পর্কে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত তুলে ধরা হলো-
হযরত ইমাম আবূ দাঊদ সিজিস্তানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
হযরত ইমাম আবূ বকর মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আল আর্জুরী আল বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩৬০ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
سَاَلْتُ حَضْرَتْ اَبَا دَاوٗدَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ نَّضْرٍ اَلْخَزَّازِ قَالَ لَا يُرْوٰى عَنْهُ اَحَادِيْثُهٗ بَوَاطِيْلُ قَاَل وَقَالَ لِىْ حَضْرَتْ عُثْمَانُ بْنُ اِبِىْ شَيْ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক ও নসবনামা:
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন হযরত ছফিয়াহ আলাইহাস সালাম। তিনি তৎকালীন আহলে কিতাবধারী ইয়াহুদী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। উনার পিতা হুয়াই বিন আখতাব, ইয়াহুদী বনু নাদ্বীর গোত্রের সর্দার ছিলেন, যিনি জলিলুল ক্বদর রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ভাই হযরত হারুন ইবনে ইমরান আলাইহিস সালাম উনার অধঃস্তন পুরুষ। উনার নসবনামা হচ্ছেন- হযরত ছফিয়াহ বিনতে হুয়াই আলাইহিস সালাম ইবনে আখত্বব আলাইহিস সালাম ইবনে সাঈদ আলাইহিস সালাম ইবনে আমির আলাইহিস সাল বাকি অংশ পড়ুন...
অতএব, প্রত্যেকের উচিত- ব্যাপক যওক-শওকের মাধ্যমে মহিমান্বিত এ দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের ব্যবস্থা করা।
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ছহিবে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে সুমহান ব্যক্তি বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির-মুশরিকদের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ-খবর:
বনু কুরাইজা ও বনু গাতফান গোত্রের মতানৈক্যের কথা যথাসময়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে পৌঁছে গেলো। তিনি জানতে পারলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি কিভাবে কাফির-মুশরিকদের সম্মিলিত বাহিনীর ঐক্য চূর্ণ করে দিয়েছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত হুযাইফা ইবনে ইয়ামান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে ডাকলেন এবং বললেন, ‘আপনি দেখে আসুন, রাতে তাদের কি ঘটেছে?’
ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আ বাকি অংশ পড়ুন...
উনার কতিপয় ক্বওল শরীফ:
হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, মু‘মিন লোকের জন্য কবর অপেক্ষা উত্তম স্থান আর কিছুই নেই। এখানেই শুধু দুনিয়ার দুঃখ-চিন্তার পরিসমাপ্তি রয়েছে, শান্তি রয়েছে। আর মহান আল্লাহ পাক উনার শাস্তি থেকে নিরাপত্তা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমার ধারণায় সবচেয়ে উত্তম আমি তখন মনে করি, যখন আমার খাদিম বলে; ঘরে আটাও নেই, দিরহামও নেই। (হিলইয়াতুল আওলিয়া)
হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত আবদুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর বাকি অংশ পড়ুন...
উনার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা:
বর্ণিত আছে যে, হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি হজ্জ করেন, অতঃপর হজ্জ থেকে বিদায় পর্যন্ত যমীনে কপাল ঠেকানো ব্যতীত বিছানায় শুয়ে আরাম করেননি অর্থাৎ তিনি সিজদায় পড়ে থাকতেন। বর্ণিত আছে যে, তিনি বলতেন, বান্দা যখন সিজদায় যায় তখন সে মহান আল্লাহ পাক উনার সর্বাধিক নিকটবর্তী হয়। তিনি যখন নামাযে দ-ায়মান হতেন তখন দুনিয়ার সবকিছু ভুলে যেতেন। তিনি তখন উনার পরিবারের লোকদেরকে বলতেন, তোমাদের কি কি প্রয়োজন আমার নামাযে দ-ায়মান হওয়ার পূর্বে এখনই আমাকে বলো। তিনি উনার ও উনার পরিবারের মাঝামাঝি একটি পর্দা টানিয়ে দিয়ে নামাযে বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক:
নাম মুবারক: হযরত মাসরূক আল-হামাদানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, উপনাম আবু আয়েশা (উনার কন্যার নাম ছিলো আয়েশা) পিতার নাম: আল-আজদা’ (পরিবর্তিত নাম আবদুর রহমান) বিন মালিক বিন উমাইয়া। উনার নসবনামা নিম্নরূপ-
مسروق بن الأجدع وهو عبد الرحمن بن مالك بن أمية بن عبد الله بن مُرّ بن سليمان بن مَعْمَر بن الحارث
অর্থ: মাসরূক বিন আজদা’ (যাঁর পরিবর্তিত নাম আবদুর রহমান) বিন মালিক বিন উমাইয়া বিন আবদিল্লাহ বিন মুর বিন সুলায়মান বিন মা’মার ইবনুল হারিছ।
তিনি কূফার অধিবাসী একজন বিখ্যাত তাবে‘ঈ, আলিম ও আবিদ ছিলেন। (হিলইয়াতুল আওলিয়া, তাবাকাত)
কথিত আছে যে, শিশু অবস্থায় উনাকে চু বাকি অংশ পড়ুন...












