শুধু উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্যই না; বরং পূর্ববর্তী সকল উম্মতের জন্যই পবিত্র কুরবানীর বিধান ছিলো। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ
অর্থ: আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য পবিত্র কুরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময় মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হজ্জ : আয়াত শরীফ ৩৪)
মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আ বাকি অংশ পড়ুন...
একখানা ঘটণা আলোচনা করলে সহজেই বুঝা যাবে। ঘটণা খানা হচ্ছে, সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি একবার পবিত্র খানকা শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক উম্মতের উচিত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নাম মুবারক-এ পবিত্র কুরবানী মুবারক দেয়া।’ এই মহাসম্মানিত নছীহত মুবারক শুনে অনেক পীরভাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসিম বা নাম মুবারক-এ পবিত্র কুরবানী মুবারক দেয়ার নিয়ত করলেন।
এক পীর বাকি অংশ পড়ুন...
যাকাত কাকে দিবেন :
মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকাত পাওয়ার হক্বদারদের ব্যাপারে অর্থাৎ যে খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করা ফরয সে খাতগুলো সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّـمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِيْنِ وَالْعَامِلِيْنَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوْبُـهُمْ وَفِي الرّقَابِ وَالْغَارِمِيْنَ وَفِي سَبِيْلِ اللهِ وَابْنِ السَّبِيْلِ ط فَرِيْضَةً مّنَ اللهِ ط وَاللهُ عَلِيْمٌ حَكِيْمٌ.
অর্থ : নিশ্চয়ই যাকাত কেবল ফক্বীর, মিসকীন ও যাকাত আদায়কারী কর্মচারীদের জন্যে, যাদের মন আকর্ষণ করা প্রয়োজন তাদের জন্যে অর্থাৎ নও মুসলিমের জন্য, গোলাম বা বাঁদীদের মুক্তির জন্য, ঋণ বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ عَابِسٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَأَلْتُ حَضْرَتْ أُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةَ الصَّدِّيقَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ عَنْ لُحُوْمِ الْأَضَاحِيِّ؟ قَالَتْ كُنَّا نَـخْبَأُ الْكُرَاعَ لِرَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَهْرًا ثُـمَّ يَأْكُلُهٗ.
অর্থ: “হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আবিস রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। উনার পিতা বলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে কুরবানীর গোশত সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। সাইয়্যিদাতুনা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৬৭. প্রসঙ্গ- খাসি কুরবানী করা জায়িয ও সুন্নত
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য : তারা বলে থাকে যে, খাসি কুরবানী করা জায়িয নেই। তাই খাসি কুরবানী করলে কুরবানী হবে না। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া : খাসি কুরবানী করা শুধু জায়িযই নয়, বরং সুন্নাতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার অন্তর্ভুক্ত। স্বয়ং আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই খাসি কুরবানী করেছেন। যা ছিহাহ সিত্তার হাদীছ শরীফ দ্বারাই সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত।
অতএব, যা স্বয়ং আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি ঈদ
২. প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে, প্রতি পলকে পলকে কোটি কোটি ঈদ, ঈদে আকবর, ঈদে আ’যম বা তার চেয়েও বড় ঈদ হওয়ার দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেদিন দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক আনলেন, সেই দিন অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) ঈদের দিন তো অবশ্যই; শুধু তাই নয়; সেদিন রোযার ঈদ, কুরবানীর ঈদ, জুমু‘আর ঈদসহ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে আরো যত বড় বড় বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি ঈদ
১. প্রতি দমে দুটি ঈদ ও দুটি ঈদে আকবর হওয়ার দলীল:
বিশ্বখ্যাত মুফাসসির আল্লামা হযরত ইসমাঈল হাক্কী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ১১২৭ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীরে রূহুল বয়ান’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন-
عاشقان در دمے دو عيد كنند
(বাংলা উচ্চারণ: আশেক্বানে দর দমে দো ঈদ কুনান্দ। )
অর্থ: “আশেক্বীন উনাদের প্রত্যেকটা শ্বাস-প্রশ্বাসেই দুটি ঈদ হয়। ” সুবহানাল্লাহ! (রূহুল বয়ান ৬/৪৭১)
অন্যভাবে বলা হয়ে থাকে যে,
عارفان هر دمے دو عید کنند
(বাংলা উচ্চারণ: আরেফানে হর দমে দো ঈদ কুনান্দ। )
অর্থ: “সম্মানিত আর বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার এবং হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অর্থাৎ উনাদের ক্বওল শরীফ দ্বারা দলীল:
৬ষ্ঠ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর আব্দুল ক্বাদির জীলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ৪৭০ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ৫৬১ হিজরী শরীফ) তিনি উনার কিতাবে উল্লেখ করেন,
اِنَّ رَجُلًا دَخَلَ عَلٰى اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ فِىْ يَوْمِ عِيْدٍ وَهُوَ يَأْكُلُ الْخُبْزَ الْخُشْكَارَ فَقَالَ لَهٗ اَلْيَوْمُ يَوْمُ الْعِيْدِ وَاَنْتَ تَأْكُلُ الْخُبْزَ الْخُشْكَارَ فَقَالَ اَلْيَوْمُ عِ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাব থেকে দলীল:
স্বয়ং হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজেই বলেছেন, ‘খাছ মু’মিন উনাদের জন্য প্রতিটি দিনই ঈদ। ’ সুবহানাল্লাহ! এবং তিনি আরো বলেছেন, ‘খাছ মু’মিন উনাদের জন্য দুনিয়ার যমীনে এবং পরকালে প্রত্যেকটা সময় ঈদ। ’ সুবহানাল্লাহ!
যেমন- হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মা‘আরিফ’ কিতাবের ২৭৮ নং পৃষ্ঠায় বলেন,
كُلُّ يَوْمٍ كَانَ لِلْمُسْلِمِيْنَ عِيْدًا فِى الدُّنْيَا فِاِنَّهٗ عِيْدٌ لَّهُمْ فِى الْجَنَّةِ يَجْتَمِعُوْنَ فِيْهِ عَلٰى زِيَارَةِ رَبِّهِمْ وَيَتَجَلّ বাকি অংশ পড়ুন...
মোবাইলফোন এখন ছোট-বড়, ছেলে-মেয়ে সবাই ব্যবহার করে। মোবাইলফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহারও সর্বত্র। ইন্টারনেটের এই অবাধ ব্যবহারে দেশের উঠতি বয়সের শিশু, কিশোর, যুবক থেকে শুরু করে সকলেই যে পর্নো দেখা, অশ্লীল ছবি-ভিডিও দেখাসহ নানা রকম বেহায়াপনায় যুক্ত হচ্ছে সেটা কারোই অজানা নয়। শুধু এসবই নয়, খুন-খারাবি, চুরি-ডাকাতি কিভাবে করা যায় এসবের সিনেমা নাটকও ইন্টারনেটের মাধ্যমে তারা দেখে থাকে।
আর এসব কিছু দেখা থেকেই শুরু হয় নারীটিজিং, সম্ভ্রম হরণে, শ্লীলতাহানি। আবার খুন খারাবি, চুরি-ডাকাতির নাটক-সিনেমা দেখে শিশু-কিশোররা প্র্যাকটিক্যালি এসব অ বাকি অংশ পড়ুন...












