SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কিভাবে%' OR titleBn LIKE '%কিভাবে%' OR descriptionEn LIKE '%কিভাবে%' OR descriptionBn LIKE '%কিভাবে%' OR slug LIKE '%কিভাবে%' OR metaTag LIKE '%কিভাবে%' OR metaDescription LIKE '%কিভাবে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত ক্বওল শরীফসমূহ:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি খুশি হন, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি খুশি হন, সবাই খুশি হন:
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, উনার মধ্য থেকে কিছু আয়াতে মুহকামাত (স্পষ্ট আয়াত শরীফ) এগুলো হল কিতাব উনার মূল, আর অন্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
৫. আমার হামিদকে গিয়ে বলো:
পবিত্র জুমুআর দিন শাহী মসনদে বসে আছেন উসমানী সালতানাতের ৩৪ তম সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ খান। উনার হাতে শাহী লাঠি, পরনে বাদশাহী পোশাক সামনে দাঁড়িয়ে আছেন উনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত তাহাসিন পাশা।
পবিত্র জুমুয়াবার সালতানাতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আশা আবেদন পত্র গুলো তাহা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
গণহত্যার মদদদাতা মেজর আক্তারুজ্জামানকে বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে জামাতের আমির কার্যত গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ওই একই পোস্টে রাশেদ খান বলেন, জামাতের আমির গণ-অভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। এর মধ্যে দিয়ে তিনি কী গণহত্যার নির্দেশদাতা শেখ হাসিনাকেও ক্ষমা করে দেননি? আজকে যিনি মেজর আক্তারুজ্জামানের জন্য কাঁদছেন, ভবিষ্যতে তিনি শেখ হাসিনার জন্যও ক বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যে নিজেকে চিনেছে সে মহান আল্লাহ পাক উনাকে চিনেছে। নিজেকে সে তখনই চিনবে যখন নিজের মা সম্পর্কে জানবে। আর নিজের মা সম্পর্কে তার তখনই জানা পূর্ণ হবে যখন সে মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
একদিন হযরত আবূ সাঈদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, “আমি এসেছিলাম আপনার নিকট বাইয়াত হওয়ার জন্য। আপনার মত মহান ব্যক্তিত্বের ছোহবত ইখতিয়ার করা (সংসর্গে থাকা) একান্ত জরুরী মনে করছি।”
ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আবেদন মঞ্জুর করলেন। উনাকে স্বীয় ছোহবত দানের জন্য বাইয়াত করালেন।
পরের দিন ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি খানকা শরীফ উনার দায়িত্বে নিয়োজিত খাদিমকে বলে দিলেন, আজ থেকে আবূ সাঈদ উনার থাকার সà বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র সামা শরীফ সম্মানিত শরীয়তসম্মত তো অবশ্যই বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত:
ভারতের আজমীর শরীফ-এ শুয়ে আছেন ৭ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৩৬-৬৩৩ হিজরী) এবং দিল্লীতে রয়েছেন ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মাহবূব-ই-ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি (৬৩৫-৭২৫ হিজরী) উনারা। এই মহান মুজাদ্দিদদ্বয় রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণে পবিত্র হামদ-নাত শরীফ ও ক্বাছীদা শরীফ শুনতেন এবং পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত যিকিরের গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ بُسْرٍ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ شَرَائِعَ الْإِسْلَامِ قَدْ كَثُرَتْ عَلَيَّ فَأَخْبِرْنِىْ بِشَىْءٍ أَتَشَبَّثُ بِه قَالَ لَا يَزَالُ لِسَانُكَ رَطْبًا مِنْ ذِكْرِ اللهِ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে বুছর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নিশ্চয়ই এক ব্যক্তি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নিশ্চয়ই আমার উপর সম্মানিত শরীয়ত উনার অনেক বিষয় বা হুকুম-আহকাম রয়েছে। আমাকে এমন একটি বিষয় জানিয়ে দিন যেটা আমি ধরে বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ উনার ১৫নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ওই ব্যক্তির অনুসরণ করুন, যিনি আমার দিকে রুজু হয়েছেন।” একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’ উনার গুরুত্ব অপর বাকি অংশ পড়ুন...
একটি সত্য ঘটনা:
ঘটনাটি ঘটে প্রায় এক’শ বছর আগে সৌদি আরবের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে। ঘটনাটি তৎকালীন মিডিয়াতেও প্রচার করা হয়। ঘটনাটা ইব্নু জাদআন নামক এক ব্যক্তির। তার ছিল অনেকগুলো মোটা-তাজা উট। এই উটগুলোর ওলান এতই পূর্ণ ছিল যে, দেখে মনে হতো ভারে ফেটে যাবে।
ইব্নু জাদআন নিজের কথায় বর্ণনা করেন যে, আমার পাশেই দরিদ্র এক প্রতিবেশী ছিল। সেই প্রতিবেশীর ছিল সাতটি কন্যা সন্তান। আমি আমার উটের পালের একটা উটনী বাচ্চাসহ তাকে ছদকা হিসেবে দিয়ে দেওয়ার জন্য মনস্থির করলাম। আমি তখন এই আয়াত শরীফটি আবৃত্তি করলাম যেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ক বাকি অংশ পড়ুন...
সারা দেশের আদালতে বিচারাধীন মামলা ৩০ লাখের কোটা পেরিয়েছে অনেক আগেই। প্রতিদিন যোগ হচ্ছে নতুন মামলা। অথচ মামলার নিষ্পত্তিকারী সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান সুপ্রিম কোর্টই বন্ধ থাকছে বছরের অর্ধেক সময়।
সুপ্রিম কোর্টের ২০১৮ সালের ক্যালেন্ডারের দিকে তাকালে দেখা যায়, বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১৮১ দিন ছুটি থাকবে। মাত্র ১৮৪ দিন খোলা থাকবে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ১৮১ দিনকে ৩০ দিন করে ধরলে ৬ মাস।
অবকাশকালীন ও সরকারি ছুটিসহ সব মিলিয়ে ২০১৫ সালে ১৮০ দিন, ২০১৬ সালে ১৮৬ দিন ও ২০১৭ সালে ১৭৪ দিন সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ ছিল।
সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোরà বাকি অংশ পড়ুন...












