SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কালজয়ী%' OR titleBn LIKE '%কালজয়ী%' OR descriptionEn LIKE '%কালজয়ী%' OR descriptionBn LIKE '%কালজয়ী%' OR slug LIKE '%কালজয়ী%' OR metaTag LIKE '%কালজয়ী%' OR metaDescription LIKE '%কালজয়ী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা নীল মসজিদ, যা স্থানীয়ভাবে ‘সুলতান আহমেদ মসজিদ’ নামে পরিচিত, শত শত বছর ধরে উসমানীয় স্থাপত্যের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে অভ্যর্থনা জানিয়ে আসছে।
উসমানীয় স্থাপত্যের প্রথম ছয় মিনারবিশিষ্ট মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত এবং ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক উপদ্বীপে ঐতিহ্যবাহী আয়া সোফিয়ার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত এই চমৎকার মসজিদটি আজ থেকে ৪০৮ বছর আগে উন্মুক্ত করা হয়েছিলো।
কম বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করা সুলতান প্রথম আহমেদ এই মসজিদটি নির্মাণের নির্দেশ দেন। এর অনন্য স্থাপত্য, প্রতীকী উপাদান এবং নির্মাণের পেছনের ইতি বাকি অংশ পড়ুন...
পলাশী বিপর্যয়ের পর এই উপমহাদেশে মুসলিম উম্মাহ যখন তাদের সিয়াসতি ও অর্থনৈতিক গৌরব হারিয়ে এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল, তখন জালিম আরদালি ব্রিটিশ ফিরিঙ্গি এবং তাদের দোসরদের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলমানদের ঈমান ও সংস্কৃতিকে চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া। সেই ক্রান্তিকালে, যখন খ্রিষ্টান মিশনারিরা দলে দলে এসে সরল-সোজা মুসলমানদের ধর্মান্তরিত করার এক সর্বগ্রাসী হিড়িক তুলেছিল, তখন বাংলার বুকে এক অসামান্য মুজাহিদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন মুনশী মুহম্মদ মেহেরুল্লাহ সাহেব। আজ ইতিহাস থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া এই মহান মুজাহিদের জীবন ও কর্ম বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্যের কার্পেটকে সাধারণত ঐতিহ্য, কারুশিল্প, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার এবং পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যদিও এসব বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবুও এগুলো পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না কেন এই কার্পেটগুলো আজও মানুষের হৃদয়ে সাড়া জাগায়, বিশেষ করে এমন এক বৈশ্বিক সমসাময়িক দর্শকের কাছে, যারা কালজয়ী শিল্পের প্রতি ক্রমেই বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে।
হাতে বোনা পারস্যের কার্পেটকে বিশেষ করে তোলে শুধু এটি তৈরিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে নয়; বরং সময় নিজেই এর গঠনপ্রক্রিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। শিল্পোৎপাদিত পণ্যের বিপরীতে, কার্ বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদে নামিরা থেকে আরাফাতের ময়দান ঘুরে মুজদালিফা হয়ে মিনা যাওয়ার পথে চোখে পড়বে একটি পুরাতন স্থাপনা। স্থাপনাগুলো পাহাড়ের পাশ দিয়ে চলে গেছে দৃষ্টিসীমার বাইরে। যা নহরে জুবাইদা নামে পরিচিত। নহরের সমার্থক সরু, স্রোতস্বিনী, পানিধারা, খাল, নালা।
আব্বাসীয় শাসক হারুনুর রশিদের স্ত্রী জুবাইদা বিনতে জাফর পবিত্র মক্কা শরীফে হজ্জযাত্রীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মিষ্টি পানির খাল খনন করেছিলেন। যা হজ্জের সময় পানির অভাব দূর করে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিলো। খালটি তায়েফের কাছের ঝরনা থেকে পানি এনে পবিত্র মক্কা শরীফ পর্যন্ত পৌঁছে দিতো। জ বাকি অংশ পড়ুন...
ইশকে আশিকান
মেশকে মহিয়ান
এলো খুশিরবান
ধন্য দো’জাহান
আজই প্রাণে প্রতি প্রাণে
শাহী ছন্দ শাহী শানে
পাক স্মরণে নেই ভুবনে ক্রান্তি
আম্মাজি আম্মাজি বলেই শান্তি
আম্মাজি আম্মাজি নেই যে ক্লান্তি
অ-দ্বিতীয় অতি-প্রিয় সাইয়্যিদা মা..
খেয়ালে মিলে সব দিলে নূর লালিমা
মমতাময়ী কালজয়ী ইয়া রাহনুমা
শুভ তাশরীফে তা’রীফে শের শাহনামা
দামাদাম দিল খুলে সা’মা
জোড়ালো ধুমসে দামামা
মুবারক ফায়িজে মিটে যাক ভ্রান্তি
আম্মাজি আম্মাজি বলেই শান্তি
সেরা সেরা মেরি পেয়ারা ইয়া আম্মিজান..
এক পলকে হৃদয় বাকে দেন ইতমিনান
অ-তুলনীয় অ-মিয় আযীমুশ শান
মায়াবী রোব বাকি অংশ পড়ুন...
ইশকে আশিকান
মেশকে মহিয়ান
এলো খুশিরবান
ধন্য দো’জাহান
আজই প্রাণে প্রতি প্রাণে
শাহী ছন্দ শাহী শানে
পাক স্মরণে নেই ভুবনে ক্রান্তি
আম্মাজি আম্মাজি বলেই শান্তি
আম্মাজি আম্মাজি নেই যে ক্লান্তি
অ-দ্বিতীয় অতি-প্রিয় সাইয়্যিদা মা..
খেয়ালে মিলে সব দিলে নূর লালিমা
মমতাময়ী কালজয়ী ইয়া রাহনুমা
শুভ তাশরীফে তা’রীফে শের শাহনামা
দামাদাম দিল খুলে সা’মা
জোড়ালো ধুমসে দামামা
মুবারক ফায়িজে মিটে যাক ভ্রান্তি
আম্মাজি আম্মাজি বলেই শান্তি
সেরা সেরা মেরি পেয়ারা ইয়া আম্মিজান..
এক পলকে হৃদয় বাকে দেন ইতমিনান
অ-তুলনীয় অ-মিয় আযীমুশ শান
মায়াবী রোবে ন বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
এর মধ্যে রয়েছে সোকোল্লু মুহম্মদ পাশা, একজন অটোমান উজির বা মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সুলতান সুলেমান এবং সুলতান দ্বিতীয় সেলিম এর অধীনে কাজ করেছিলেন। এছাড়াও এখানে দাফন করা হয়েছে সিয়াভুস পাসা, ১৬ শতকের আরেক উজির এবং লালা মুস্তাফা পাশা যিনি ১৬ শতকে উসমানীয় সালতানাতের জন্য সাইপ্রাস বিজয় করেছিলেন। তাদের কবরগুলো মসজিদের কাছাকাছি অবস্থিত রয়েছে, যেমন আদিল সুলতান এবং তার পরিবারের অন্যান্যরাও মসজিদের পাশেই শায়িত রয়েছেন। যেখানে সুলতানদের কবর অবস্থিত সে কবরস্থানটি ঐতিহাসিক এই মসজিদের পিছনে গোল্ডেন হর্ণে শহরের বাকি অংশ পড়ুন...
তাই মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উদাত্ত ঘোষণা-
لَا تَثْرِيبَ عَلَيْكُمُ الْيَوْمَ يَغْفِرُ اللهُ لَكُمْ وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
“আজ তোমাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের ক্ষমা করুন। আর তিনিই দয়া প্রদর্শনকারীদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু। ”
اَلْيَوْمُ يَوْمُ الْمَلْحَمَةِ আজ প্রচন্ড লড়াইয়ের দিন, আজ রক্তপাতের দিন। ”
সেখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلْيَوْمُ يَوْمُ الْمَرْحَمَةِ
‘আজ তো দয়া ও ক্ষমা প্রদর্শনে বাকি অংশ পড়ুন...
সৃষ্টি অঙ্গনের ভিত্তিমূল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ। উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার প্রিয়তম হাবীব সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মাহবূব এবং নায়িব।
হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মধ্যে আ’লা দরজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হলেন যামানার সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ। নিঃসন্দেহে উনারাই স্ব স্ব যামানায় দ্বীনের ধারক-বাহক।
সকলেরই জানা রয়েছে- সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ উনাদের ধারাবাহিকতায় শীর্ষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত রাজা বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদের স্থাপত্য:
হযরত আবু আইয়ূব আল আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মসজিদ পুনর্নিমাণের পর উসমানীয় সালতানাতের বিখ্যাত স্থপতি মিমার সিনান পাশার নির্মিত আজাপকাপি মসজিদের অনেকটা মিল পাওয়া যায়। এই মসজিদটিতে বিশেষভাবে দুটি মিনার এবং একটি বিশাল আকারের গম্বুজ রয়েছে। ঐতিহাসিক এই মসজিদটির সম্মুখে একটি বিশাল উঠান রয়েছে। মসজিদের বাহিরে একটি ওযু করার ফোয়ারা বা ঝরনা রয়েছে। মসজিদটিতে সংস্কারের পূর্বে মূল নামাজ কক্ষের পাশে একটি ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, একটি লঙ্গরখানা (যেখানে মানুষের ফ্রী খাওয়ার ব্যবস্থা করা হতো) এবং একটি পাবলিক হাম বাকি অংশ পড়ুন...












