মানুষ যে হাঁচি দেয় হাঁচির মধ্যে অনেক রোগ-জীবাণু বেরিয়ে যায়। এজন্য একটা রুমাল বা কাপড়ের মধ্যে হাঁচি দেয়া উচিত। আর শুকরিয়া স্বরূপ আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন বলা উচিত।
চিশতীয়া খান্দানের বিশিষ্ট বুযূর্গ হযরত খাজা উছমান হারুনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আনিসুল আরওয়াহ নামক কিতাবে সপ্তদশ মজলিসে মু’মিন বান্দার হাঁচি সম্পর্কে বলেন, “যখন কোন মু’মিন বান্দা হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলেন তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তার সমস্ত গুনাহখতা মাফ করে দেন এবং ঐ বান্দার জন্য জান্নাতে একটা প্রাসাদ তৈরী করেন, যার মধ্যে একটা গাছ থাকবে এবং সে গাছের বাকি অংশ পড়ুন...
সন্তানসম্ভবা ও দুগ্ধদায়িনীর রোযা রাখার হুকুম :
গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী যদি আশঙ্কাবোধ করে যে, রোযা রাখলে যথাক্রমে তাদের গর্ভস্থ ভ্রুণ ও দুগ্ধপানকারী সন্তান ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাহলে তাদের জন্য রোযা না রাখা জায়িয হবে। পরে এর ক্বাযা আদায় করে নিবে। কাফফারা বা ফিদিয়া প্রদান করতে হবে না।
বয়ো-বৃদ্ধের রোযা রাখার হুকুম :
অতিশয় বৃদ্ধ যে রোযা রাখতে অক্ষম তার জন্য অনুমতি রয়েছে যে, সে রোযা ভঙ্গ করতে পারবে এবং প্রতিদিনের রোযার পরিবর্তে একজন মিসকীনকে তৃপ্তি সহকারে দু’বেলা খাওয়াবে অথবা খাদ্য দান করবে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলাম বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম হযরত আবু বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৩৭০ হিজরী) তিনি বলেন-
روي نصف صاع من بر عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر عليه السلام وعمر عليه السلام وعثمان عليه السلام وعلي عليه السلام وابن مسعود رضى الله تعالى عنه وجابر رضى الله تعالى عنه وام المؤمنين عائشة عليها السلام وابن الزبير رضى الله تعالى عنه وأبي هريرة رضى الله تعالى عنه وأسماء بنت أبي بكر رضى الله تعالى عنها وقيس بن سعد رضي الله تعالى عنه أجمعين، وعامة التابعين، ولم يرو عن أحد من الصاحابة بأنه لا بجزئ نصف صاع من بر.
অর্থ: আধা সা’ গম সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, ছিদ্দী বাকি অংশ পড়ুন...
আসলে কানে ওষুধ গেলে কখনো রোযা ভাঙ্গবে, আবার কখনো ভাঙ্গবে না। কানে পানি গেলে রোযা ভাঙ্গবে না, কিন্তু তেল গেলে রোযা ভাঙ্গবে এ ব্যাপারে ইজমা হয়ে গেছে। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, পানিবাহিত ওষুধ কানে প্রয়োগ করালে রোযা ভাঙ্গবে না কিন্তু তেলবাহিত ওষুধ কানে প্রয়োগ করালে রোযা ভাঙ্গবে। পানিবাহিত ওষুধে রোযা না ভাঙ্গার মূল কারণ ওষুধে পানির উপস্থিতি এবং তেলবাহিত ওষুধে রোযা ভাঙ্গার কারণ ওষুধে তেলের উপস্থিতি। মূলতঃ সকলেই একমত যে, কানে তেল গেলে রোযা ভাঙ্গবে, পানি গেলে রোযা ভাঙ্গবে না। মগজ অথবা পেটে প্রবেশ করুক আর না করুক, এটার উপরই ফতওয়া। যেম বাকি অংশ পড়ুন...
একমাত্র মহান আল্লাহ পাক আপনার সন্তুষ্টি ও রেজামন্দি মুবারকের জন্য। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু। কার জন্য? যাদের আক্বীদাতে ক্রটি আছে, অন্তরে অপরিচ্ছন্নতা আছে তারা বলে থাকে, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ কাজটা ভুল করার কারণে উনাকে তাওবা করতে বলা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এখানে বলা হচ্ছে যারা চূ-চেরা, কীল-কাল করবে, পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করব বাকি অংশ পড়ুন...
যেসব কারণে রোযা ভঙ্গ হয় এবং শুধু ক্বাযা ওয়াজিব হয় :
১. ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করলে।
২. আহলিয়াকে বুছা বা স্পর্শ করার কারণে গোসল ফরয হওয়ার মতো কোন কিছু নির্গত হলে।
৩. কোন অখাদ্য বস্তু তথা পাথর, লোহার টুকরো, ফলের আঁটি ইত্যাদি গিলে ফেললে।
৪. স্বাভাবিক স্থান ব্যতীত অন্যস্থানে মেলামেশায় গোসল ফরয হওয়ার মতো কোন কিছু নির্গত হলে।
৫. জোরপূর্বক সম্মানিত রোযাদারকে কিছু খাওয়ানো হলে।
৬. ভুলক্রমে কিছু খেতে আরম্ভ করে রোযা ভঙ্গ হয়েছে মনে করে পুনরায় আহার করলে।
৭. কুলি করার সময় পেটে পানি চলে গেলে।
৮. প্র¯্রাব -পায়খানার রাস্তায় ওষুধ বা অন্য কিছু প্রবেশ বাকি অংশ পড়ুন...
এখন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মতকে তা’লীম দেয়ার জন্য তিনি একজন গোলাম আযাদ করেছিলেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ مَوْلاكُمْ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ
তিনি সকলের মাওলা, মালিক। যার জন্য মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে এ বিষয়টা সবাইকে তিনি জানিয়ে দিলেন। যাতে তোমরা কোন ক্বসম করলে ক্বসমের যাতে কাফফারা আদায় করতে পারো। তিনি সব জানেন, শুনেন, বুঝেন।
এখানে প্রথমে দু’টা পবিত্র আয়াত বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কাদের ক্ষমা করবেন?
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ تَبْتَغِي مَرْضَاتَ أَزْوَاجِكَ
অত্যন্ত মহব্বত মুবারকের সাথে বললেন। মহাসম্মানিত নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কেন হারাম করলেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সন্তুষ্টির জন্য, না। আমার সন্তুষ্টি রেজামন্দি সন্তুষ্টির জন্য। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
সাবধান হয়ে যাও! সমস্ত সৃষ্টি, জিন-ইনসান, তোমরা মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ مُرْسَلًا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم تَرَكْتُ فِيْكُمْ أَمْرَيْنِ لَنْ تَضِلُّوْا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا كِتَابَ اللهِ وَسُنَّةَ رَسُوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ:- হযরত ইমাম মালেক বিন আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি মুরসাল সূত্রে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, ‘আমি তোমাদের মাঝে দু’টি জিনিস রেখে গেলাম। তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না, যতদিন তোমরা সে দু’ট বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযার প্রকারভেদ :
পবিত্র রোযা মোট ছয় প্রকার। যথা- ১.ফরয, ২. ওয়াজিব, ৩. সুন্নত, ৪. মুস্তাহাব, ৫. মাকরূহ, ৬. হারাম।
ফরয রোযা :
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ২৯ দিন অথবা ৩০ দিনের রোযা হচ্ছে ফরয রোযা।
ওয়াজিব রোযা :
মানত-এর রোযা।
নফল রোযার ক্বাযা, যা শুরু করার পর ফাসিদ (ভঙ্গ) হয়ে গিয়েছিলো।
বিভিন্ন কাফফারার রোযা।
সুন্নত রোযা :
পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম (১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ) উপলক্ষে দুটি রোযা রাখা। অর্থাৎ ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ তারিখে রোযা রাখা।
প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখা।
পহেলা রজব উনার দিনে রোযা রাখা।
পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিনে অর্থাৎ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَالَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوْا فَقَدِ احْتَمَلُوْا بُهْتَانًا وَاِثْـمًا مُّبِينًا ◌
অর্থ : যারা বিনা অপরাধে ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার মহিলাদের কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্যে পাপের বোঝা বহন করে। (পবিত্র সূরা আহযাব : আয়াত শরীফ ৫৮)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোন ব্যক্তি অপর কাউকে ফাসিক বলবে না এবং কুফরীর অপবাদও দিবেনা। কেননা সেই ব্যক্তি সেরূপ না হলে তবে তার অপবাদ নিজের উপরই বর্তাবে। (বুখারী শরীফ)
তিনি আরো বাকি অংশ পড়ুন...












