গতানুগতিক পাঠ্যপুস্তক ও ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে ইতিহাস শিক্ষা দেয়া হয় শাসকদের রাজত্বের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী। যেমন শাসক বাবরের পর হুমায়ূন, হুমায়ূনের পর আকবর, আকবরের পর জাহাঙ্গীর এভাবেই ইতিহাসের গ্রন্থগুলো রচিত হয়। কোনো একটি যুগের ইতিহাস রচনা করা হয় ঐ যুগের শাসককে কেন্দ্র করে। কিন্তু মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইতিহাস শিক্ষা এরূপ হওয়া উচিত নয়।
মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইতিহাস শিক্ষা হওয়া উচিত- ওলীআল্লাহ উনাদের সিলসিলার ধারাবাহিকতা অনুযায়ী। উদাহরণস্বরূপ ইতিহাস শিক্ষা হতে হবে এভাবে, সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হযরত খাজা ছাহেব র বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বাতিল ফিরক্বার লোকদের আক্বীদা হলো, মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত আর কেউই ইলমে গইব উনার ইলিম রাখেন না। এমনকি যিনি কুল-মাখলূক্বাতের রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও নাকি ইলমে গইব উনার ইলিম রাখেন না। নাউযুবিল্লাহ!
এ বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের কি আক্বীদা? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।
জাওয়াব (ধারাবাহিক):
মহান আল্লাহ পাক উনার যাঁরা ওলী উনাদেরকেও মহান আল্লাহ পাক তিনি ইলমে গইব বা অদৃশ্যের জ্ঞান হাদিয়া করেন। যেম বাকি অংশ পড়ুন...
মানব বাগানে শিশুরা ফুল। শিশুরা স্বপ্ন। মায়েরা বাগানের মালিক। মায়ের আদরে গড়ে ওঠে শিশু। মায়ের হাতে তাদের স্বপ্নের আগামী।
বাবার স্নেহ ও শাসন সন্তান পরিচর্যায় সহায়ক। তবে মায়ের মুহব্বত আদর স্নেহে নির্মিত হয় সন্তানের ভবিষ্যত। শিশুর স্বপ্নিল আগামী গড়তে লালন পালনে সচেতন হতে হয় অভিভাবকদের। এ আলোচনায় সম্মানিত দ্বীন ইসলাম তথা শরীয়তসম্মতভাবে শিশু সন্তানের যতেœর বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ!
প্রথমেই দেহ গঠন:
দেহের পরিচর্যার ক্ষেত্রে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের সংস্থান হতে হবে হালাল উপার্জনের মাধ্যমে। মায়েদের সন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
وَالَّذِينَ جَاهَدُوا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللَّهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِينَ
অর্থ: যারা আমার (সন্তুষ্টি-রেজামন্দির) জন্য চেষ্টা কোশেশ করে, আমি অবশ্যই অবশ্যই তাদেরকে সেই পথপ্রদর্শন করবো। আর নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মুহসিন তথা আল্লাহওয়ালাদের সাথেই রয়েছেন। (পবিত্র সূরা আন কাবুত: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৯)
অর্থ্যাৎ সন্তুষ্টি রেজামন্দী হাছিলের একমাত্র পথ হলো ওলী-আউলিয়া উনাদের সংস্পর্শ তথা ছোহবতে থাকা। বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাস যদি দেখা যায়, তবে মূর্তি পূজারীদের দখলদারিত্ব অনেক আগে থেকে দেখা যায়, সেখানে দ্বীন ইসলাম প্রচার করা একটা বড় বাধা ছিলো। সেই বাধা অতিক্রম করে দ্বীন ইসলাম প্রচার করে মুসলমানদের আবাস ভূমি তৈরী করেছিলেন অসংখ্য ওলী-আউলিয়া বা সূফীগণ। যেমন-
১. ঢাকায় রমনা কালী মন্দিরের কাপালিকদের নরবলী বন্ধ করে সভ্যতার আলো ছড়ান হযরত খাজা শরফুদ্দিন চিশতী রহমতুল্লাহি, যিনি হাইকোর্ট মাজারে শায়িত। তিনি হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী রহমতুল্লাহির আত্মীয় হন।
২. সিলেটে গৌরগোবিন্দের বিরুদ্ধে হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহির জিহাদ।
৩. রাজশাহীতে দেও বাকি অংশ পড়ুন...
ছুটে ঘরের পানে
জঙ্গী (যোদ্ধা) পীরের ডাক শোনা যায়
জঙ্গের ই ময়দানে।
সবাই ভাবে পীরের কথা
শুনেছি তো ঢের
এমন পীরের কথা তো ভাই
পাইনি কভু টের।”
ইতিহাসের পাতায় ব্রিটিশ বিরোধী যুদ্ধে আমরা যে দক্ষিণ ভারতের মহীশূরের টিপু সুলতানের নাম শুনে থাকি, তিনিও ছিলেন একজন সূফী ঘরানার লোক। তিনি ছিলেন চিশতীয়া তরিক্বার অনুসারী। উনার বাবা উনার নাম রেখেছিলেন হযরত টিপু মাস্তান আওলিয়া চিশতী রহমতুল্লাহি নামক একজন পীর সাহেব ওলী আউলিয়ার নাম অনুসরণে।
ব্রিটিশ বা উপনিবেশদের শাসনের বিরুদ্ধে যে শুধু এ অঞ্চলের সূফী-পীর সাহেবরাই অস্ত্র ধরেছিলেন বিষয়টি এমন ন বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেকটা জিনিসের ভালো মন্দ আছে। বাজারে যেমন ভালো মাল আছে, তেমনি মন্দ মালও আছে। মন্দ মালের জন্য নিশ্চয়ই কেউ ভালো মাল কেনা বন্ধ করে না। আবার সমাজে ভালো মানুষ আছে, মন্দ মানুষও আছে। মন্দ মানুষের কথা ভেবে নিশ্চয়ই মানুষ সামাজিক মেলামেশা বন্ধ করে না। ঠিক তেমনি সমাজে পীর সাহেব-ওলী আল্লাহ নাম করে ভ- শ্রেণী থাকতে পারে, যারা হয়ত শরীয়ত বিরোধী কাজ করে। কিন্তু তাদের জন্য ওক্কানী, পীর সাহেব বুজুর্গ, ওলীআল্লাহ গণ খারাপ হয়ে যান না।
সমাজে কারা ওলী আউলিয়া সম্পর্কে খারাপ চেতনা তৈরী করেছে, এ বিষয়টি একটু অনুসন্ধান করলে বিষয়টি বুঝতে সহজ হবে। যেমন, প বাকি অংশ পড়ুন...
মানব বাগানে শিশুরা ফুল। শিশুরা স্বপ্ন। মায়েরা বাগানের মালিক। মায়ের আদরে গড়ে ওঠে শিশু। মায়ের হাতে তাদের স্বপ্নের আগামী।
বাবার স্নেহ ও শাসন সন্তান পরিচর্যায় সহায়ক। তবে মায়ের মুহব্বত আদর স্নেহে নির্মিত হয় সন্তানের ভবিষ্যত। শিশুর স্বপ্নিল আগামী গড়তে লালন পালনে সচেতন হতে হয় অভিভাবকদের। এ আলোচনায় সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে শিশু সন্তানের যত্নের বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ!
প্রথমেই দেহ গঠন:
দেহের পরিচর্যার ক্ষেত্রে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের সংস্থান হতে হবে হালাল উপার্জনের মাধ্যমে। মায়েদের সন্তানের স্ব বাকি অংশ পড়ুন...












