ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
অধ্যায় ২: আব্রাহাম চুক্তি এবং ইসরায়েলী ইহুদী সংযোগের ভূ-অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ
২.২. ডিপি ওয়ার্ল্ড এবং সন্ত্রাসী ইসরায়েলি ইহুদী সংস্থার ষড়যন্ত্রমূলক শত্রুতামূলক কূটকৌশলী অংশীদারিত্ব:
আব্রাহাম চুক্তির সুবিধা নিয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী ইসরায়েলি সংস্থা বন্দরদস্যু ডোভ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
কোনো পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন দেশ আগ্রাসনের শিকার হয়নি বা দখল করা হয়নি, কিংবা তাদের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়নি। ইরাক এবং লিবিয়া যদি পারমাণবিক শক্তি হতো, তবে তাদের এভাবে ধ্বংস করা যেত না বলে পর্যবেক্ষক মহল মন বাকি অংশ পড়ুন...
কায়িনাত জুড়ে রহমত-বরকতেপূর্ণ মুবারক স্থানসমূহের মধ্যে পবিত্র মদীনা শরীফ সর্বশীর্ষে। সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুনাফিকরা পবিত্র মদীনা শরীফ উনার ইজ্জত-হুরমত বিনষ্টের অপচেষ্টা চালিয়েছে। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা অতীব প্রয়োজন। সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত খিলাফত উনার মুবারক দায়িত্ব গ্রহণ করতঃ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ইজাযত নিয়ে রাজধানী পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
“মুসনাদে বাজ্জার” কিতাবের ১ম খ-ের ২১৮ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ: نَزَلَتْ هٰذِهِ الَلآيةُ فِيْ أَهْلِ قُبَاءٍ فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَتَطَهَّرُوْا, وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ. فسألهم رسول الله صلى الله عليه و سلم فقالوا: إنا نتبع الحجارة الماء.
অর্থ: হযরত ইবনে আববাস রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, “মসজিদে কুবা শরীফ উনার অধিবাসীগণ উনাদের সম্পর্কে
فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَّتَطَهَّرُوْا وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ.
এই আয়াত শরীফ নাযিল হয়। অর্থাৎ সেখানে (মসজিদে কুবা শরীফে) এমন অনেক লোক আছ বাকি অংশ পড়ুন...
আসলে কারো কোন ইলিম নেই। সেটাই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অন্যত্র বলা হয়েছে। কি বলা হয়েছে?
إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللهِ
নিশ্চয়ই ইলিম হচ্ছে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে। উনার থেকে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সেই ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এবং সেখান থেকে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, উনার থেকে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সেটা হাছিল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...
‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম’ উনার মধ্যে প্রবেশ করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছেন ‘সম্মানিত ঈমান’। সুবহানাল্লাহ! যখন কেউ সম্মানিত ঈমান আনেন, তখন তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে প্রবেশ করেন। আর সম্মানিত ঈমান সুসংঘঠিত হয়ে থাকেন সম্মানিত আক্বীদা মুবারক উনার মাধ্যমে। সুবহানাল্লাহ!
এ কারণে যিনি খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ اٰمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণরূপে দাখিল হও। তোমরা কখ বাকি অংশ পড়ুন...












