SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইসরায়েলকে%' OR titleBn LIKE '%ইসরায়েলকে%' OR descriptionEn LIKE '%ইসরায়েলকে%' OR descriptionBn LIKE '%ইসরায়েলকে%' OR slug LIKE '%ইসরায়েলকে%' OR metaTag LIKE '%ইসরায়েলকে%' OR metaDescription LIKE '%ইসরায়েলকে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজায় গণহত্যার কারণে বিশ্বব্যাপী তীব্র ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে দখলদার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা নিজেদের সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলার বাজেট নির্ধারণ করেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন থেকে বিরত রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ফোরামেও এর বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছে। বহু সরকার ও সাধারণ মানুষ গাজায় ব্যাপক হামলা ও বেসামরিক হতাহতের জন্য ইসরায়েলকে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হিসেবে বিবেচনা করে। ইউরোপ ও আমেরিকাতেও ইসরায়েলের সন্ত্রাসী নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনার ঢেউ তৈরি হয়েছে এবং কিছু বিশ্বব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজায় গণহত্যার কারণে বিশ্বব্যাপী তীব্র ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে দখলদার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা নিজেদের সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলার বাজেট নির্ধারণ করেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন থেকে বিরত রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ফোরামেও এর বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছে। বহু সরকার ও সাধারণ মানুষ গাজায় ব্যাপক হামলা ও বেসামরিক হতাহতের জন্য ইসরায়েলকে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হিসেবে বিবেচনা করে। ইউরোপ ও আমেরিকাতেও ইসরায়েলের সন্ত্রাসী নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনার ঢেউ তৈরি হয়েছে এবং কিছু বিশ্বব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দখলদার ইসরায়েলের গণমাধ্যম এই সত্যতা স্বীকার করেছে যে, ইসরায়েলি দখলদার বসতি স্থাপনকারীদের দৃষ্টিতে সেখানে আর নিরাপত্তা নেই এবং ইসরায়েল পতন ও অবক্ষয়ের পথে রয়েছে।
তারা জানিয়েছে, যারা ইসরায়েল ছেড়ে যাচ্ছে, তারা আর লজ্জা পাচ্ছে না বরং এই সপ্তাহেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভরে গেছে ইসরায়েল ত্যাগ নিয়ে নানা পোস্টে। মানুষ লিখছে: “শিগগিরই আমরা এখানে থাকব না, আমাদের থামানোর চেষ্টা করবেন না, চলে যাওয়ার জন্য আমাদের অনেক কারণ আছে।”
ইসরায়েলে দখলদার বসতি স্থাপনকারীরা আরও বলছে, নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং মানসিক দিক থেকে পরিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর থেকে দখলদার ইসরায়েলকে তার ‘বেআইনি উপস্থিতি’ বন্ধ করতে হবে এবং সেখানে থাকা সব বসতি স্থাপনকারীকে সরিয়ে নিতে হবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে তার দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা পালনের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় জানায়, আল-মুঘাইয়ির এলাকায় বসতি স্থাপনকারী দখলদারদের অব্যাহত হামলা ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতার কারণে সেখানকার ফিলিস্তিনিরা পুরোপুরি বাস্তুচ্যুত হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নতুন এক আঞ্চলিক জরিপে জানা গেছে, আরব বিশ্বের প্রায় সর্বস্তরের মানুষ সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কঠোর বিরোধী।
দোহায় অবস্থিত আরব রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালনায় আয়োজিত ‘আরব অপিনিয়ন ইনডেক্স ২০২৫’ জরিপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া ৮৭% মানুষ তাদের দেশের সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করেছে।
সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেওয়ার বিরোধিতার হার সবচেয়ে বেশি লিবিয়া ও জর্ডানে যথাক্রমে ৯৬% এবং ৯৫%। এর পর কুয়েত ৯৪%, অধিকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চল ৯ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক তাদের নতুন পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোটের আনুষ্ঠানিক নাম ঘোষণা করেছে। এর নাম রাখা হয়েছে ‘মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’। গত সোমবার ইস্তাম্বুলে তিন দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর জোটটির এই নাম ঘোষণা করা হয়।
বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানান, জোটের একটি স্থায়ী সচিবালয় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর প্রথম মহাসচিব পাকিস্তানের পক্ষ থেকে নিয়োগ করা হবে বলেও জানান তিনি।
ফিদান বলেন, জোটটি অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখ-তা এব বাকি অংশ পড়ুন...
সউদী আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা মক্কা ডিফেন্স প্যাক্ট নিয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক মনোভাব ও আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
মুসলমানদের পবিত্র শহর মক্কায় এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্বের পাশাপাশি এর তাৎপর্য নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, হঠাৎ-ই এই তিনটি দেশ এই ধরনের চুক্তিতে একমত হয়নি। ২০২৩ সালে গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষিতেই এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে তাদের আসল শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, শত্রুরা বিভিন্ন অজুহাত তৈরি করে ইসলামি দেশগুলোকে বিভেদের পথে নিয়ে যাচ্ছে। খবর আলজাজিরার।
গত রোববার (৩০ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইঙ্গিত করে এক লিখিত বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেন, ‘শত্রু’ বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়। তারা ইরান এবং অন্যান্য যেকোনো ইসলামি দেশের মুসলিম জনগণের মধ্যে বিভেদ তৈরির অজুহাত হিসেবে বিভিন্ন বর্ণগত, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, অর্থন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি মুসলিম বিশে^র দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ‘প্রকৃত শত্রু’র মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করাই শত্রুপক্ষের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ও ইসরায়েলকে মুসলিম ঐক্য ও বন্ধুত্বের ‘চিরশত্রু’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইঙ্গিত করে খামেনি বলেন, তারা মুসলিম দেশগুলোর জাতিগত, সাংস্কৃতিক, সামাজিক বাকি অংশ পড়ুন...
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে একটি কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে–‘যেকোনও এক দেশের ওপর আক্রমণ, সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে’। চুক্তির এই ধারাটি পড়ে বৈশ্বিক গণমাধ্যমগুলো চেনা দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই এই জোটকে বিশ্লেষণ শুরু করে। পশ্চিমা পর্যবেক্ষক ও গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞদের বড় একটি অংশ একে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে আখ্যা দেন। তারা সোজাসাপ্টা ব্যাখ্যা, এটি মূলত ইরানি আগ্রাসন ও আঞ্চলিক অস্থিরতার সরাসরি প্রতিক্রিয়া।
তবে চুক্তির অন্যতম পক্ষ তুরস্ক স্পষ্ট করেছে, ইরান বা অন্য কোনও দ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
আল-আকসা মসজিদের খতিব ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ধারাবাহিক হামলার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন।
আকরামা সাবরি বলেছেন, বসতি স্থাপনকারীদের লক্ষ্য মুসলমানদের দুর্বল করা এবং বিশ্বের ইহুদীদের ফিলিস্তিনে অভিবাসনে উৎসাহিত করা। আল-আকসা মসজিদে যেসব বিপজ্জনক কর্মকা- ও পরিবর্তন ঘটছে, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক করছি এবং যে-কোনো উত্তেজনা বৃদ্ধি বা আগ্রাসনের জন্য সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে দায়ী করছি।
আকরামা সাবরি বলেন, ইসরায়েলি দখলদার ও তাদের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর যেকোনো পরিকল্পনা বা পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো, আল-আকসা মসজিদের ওপর সার্বভৌ বাকি অংশ পড়ুন...












