SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইবলিস%' OR titleBn LIKE '%ইবলিস%' OR descriptionEn LIKE '%ইবলিস%' OR descriptionBn LIKE '%ইবলিস%' OR slug LIKE '%ইবলিস%' OR metaTag LIKE '%ইবলিস%' OR metaDescription LIKE '%ইবলিস%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আর যখন আমি বললাম, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা জ্বিনসহ আমার যিনি খলীফা, আবুল বাশার হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করুন। সকলেই সিজদা করলো। কিন্তু সে (ইবলীস) অস্বীকার করলো, অহংকার করলো, সে সিজদা করলো না। যার কারণে সে কাফির হয়ে গেলো। নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
উল্লেখ্য, ইবলীস একটি আদেশ
মুবারক অমান্য করার কার বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার বাকি অংশ পড়ুন...
وَيُبَيِّنُ اللهُ لَكُمُ الآيَاتِ وَاللهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সব হুকুম স্পষ্ট করে বর্ণনা করে দিলেন। তিনি সব জানেন, শুনেন। তিনি আলিম তিনি হাকীম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যদি করো তাহলে কি হবে?
لُعِنُوا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
তাহলে কি হবে? ইহকাল পরকালে লা’নত বর্ষণ করা হবে। নাউযুবিল্লাহ!
وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
কঠিন শাস্তি তোমাদের জন্য রাখা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
ইবলিস সম্পর্কে বলা হয়েছে-
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلَى يَوْمِ الدِّينِ
ইবলিস তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। এদেরও প্রতি অনন্ বাকি অংশ পড়ুন...
مَنْ أَحَبَّ شَيْئًا أَكْثَرَ ذِكْرَهُ
যে যাকে মহব্বত করে তার কথা বেশি বলে। তখন মহব্বত পয়দা হয় সে রুজু হয়ে যায়। কাজেই এটা মনে রাখতে হবে। উনাদের বিষয়গুলি অনেক আলোচনা করতে হবে, শুনতে হবে, বলতে হবে। অন্তরটা ইছলাহ করতে হবে। যিকির-ফিকির করতে হবে তখন তার পক্ষে মহব্বত পয়দা করা, সে অনুযায়ী আমল করা সহজ সম্ভব হবে। আমরা কিন্তু স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি, কোন অস্পষ্ট আমাদের কথার মধ্যে নাই। আর যদি কেউ না বুঝে আরো তাকে বুঝিয়ে দেয়া হবে। কোন অস্পষ্টতা নেই স্পষ্ট বিষয়গুলি। উনাদের মহব্বত মুবারক, নিছবত মুবারক, কুরবত মুবারক হাছিল করতেই হবে এটা ফরযে আইন। উনাদের মহব্ বাকি অংশ পড়ুন...
এ পবিত্র নিছবত মুবারক সে হাছিল করবে। কিন্তু সে সমকক্ষতা অর্জন করতে পারবে না কোন দিন। এটা কিন্তু স্পষ্ট বলে দেয়া হচ্ছে। তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কতটুকু? কি ভাষা দিয়ে প্রকাশ করতে হবে, মানুষ কি জানে। মানুষ জানে না। বিষয়গুলো কল্পনাতীত বিষয়। উনাদের পবিত্র শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কল্পনাতীত বিষয়। মানুষ পুঁথিগত বিদ্যা পড়ে অনেক কিছু বুঝতে পারে শব্দগত দিক থেকে। কিন্তু হাক্বীক্বত সে বুঝতে পারবে না। যদি সাধারণভাবে বলা হয় রসোগোল্লা মিষ্টি। এর মধ্যে আমিত্তি রয়ে গ বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে ফয়সালাটা কি হবে? মৃত্যুদন্ডতো একটা স্বাভাবিক বিষয়। মাত্র তার গরদানটা ফেলে দেয়া হলো। মাথাটা শেষ করে দেয়া হলো। যমীনে সে ইন্তেকাল করলো এটাতো স্বভাবিক বিষয়। আরো অনেক রয়ে গেছে। এতটুক শুধু না। তার মৃত্যুদন্ড দিলেই শেষ না, এটাতো শুরু হলো তার শাস্তি। এখন অনন্তকাল ধরে তার শাস্তি চলতেই থাকবে। এই শাস্তি থেকে সে কোনদিন রেহাই পাবে না। এমন কঠিন শাস্তি দেয়া হবে যেটা কল্পনাতীত। নাউযুবিল্লাহ! তাহলেতো বিষয়টা ফিকির করতে হবে। তাহলে উনাদের শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কতটুকু, বুযূর্গী মুবারক তাহলে কতটুকু? এটা ফিকির করতে হবে। উনাদে বাকি অংশ পড়ুন...
فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ
তাহলে যার অন্তরে গালিজ আছে, কুফরী, শিরিকী, শয়তানী আছে। যারা ইবলিসের শাগরিদ বা ইবলিসের দোসর, যার অন্তরটা কুফরীতে পরিপূর্ণ সে বক্রতা তালাশ করে। কি করে শয়তানী করা যায় সেটা সে তালাশ করে। নাউযুবিল্লাহ! কেন? স্পষ্ট বলা হচ্ছে-
ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ
সে ফিতনা সৃষ্টি করার জন্য। অপব্যাখ্যা করার জন্য সে সুযোগ খুঁজতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন-
وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللهُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন এই পবিত বাকি অংশ পড়ুন...
কায়িনাতের বুকে হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ব থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়া পর্যন্ত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে সাইয়্যিদাতুনা হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
মানবাধিকার রক্ষার নামে যদি সার্বভৌমত্ব ক্ষুণœ হয়, তবে সেটি মানবাধিকারের নয়-বরং আধিপত্যের রাজনীতি। এই প্রবন্ধে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, কিভাবে “জাতিসংঘের সন্ত্রাসী মানবাধিকারের কার্যালয় স্থাপন” নামের এই পদক্ষেপটি আসলে ইহুদী-মুশরিক-কাফিরদের একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রকল্প, যার লক্ষ্য বাংলাদেশের ওপর একটি স্থায়ী পর্যবেক্ষণ কাঠামো চাপিয়ে দেওয়া, দেশীয় আইন ও আদ বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
বাংলাদেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসের রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক প্রকল্প এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ”
পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রই নামেমাত্র স্বাধীন বা ওহফবঢ়বহফবহঃ বা ঋৎবব হলেও আসলে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের অধীনে ইহুদীদের দ্বারা পরোক্ষভাবে শাসিত অর্থাৎ অদৃশ্যভাবে নিজেদের অজান্তেই পরাধীন। আধুনিক রাষ্ট্রের অবকাঠামো এবং রাষ্ট্রযন্ত্র বাকি অংশ পড়ুন...












