SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইবলিস%' OR titleBn LIKE '%ইবলিস%' OR descriptionEn LIKE '%ইবলিস%' OR descriptionBn LIKE '%ইবলিস%' OR slug LIKE '%ইবলিস%' OR metaTag LIKE '%ইবলিস%' OR metaDescription LIKE '%ইবলিস%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
তাহলে আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমি উনার নাম মুবারক উনার মধ্যে, উনার সম্মানার্থে, উনাকে মহব্বত মুবারক করে এই বুছা মুবারক দিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা চুম্বন মুবারক দিয়েছিল। নাম মুবারকে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল। দুরূদ শরীফ পাঠের সময় আযানে যে চোখে বুছা দেয়া হয়, সে সরাসরি বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা। একটা মাত্র। সে বলেছিল, আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমিতো গ্রাম-গঞ্জে থাকি। উনি কোথায় আসবেন, কবে আসবেন? আমি জানি না। উনার অনেক ছানা-ছিফত মুবারক, অনেক সম্মান মুবারক, অনেক ফযীলত মু বাকি অংশ পড়ুন...
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلٰى يَوْمِ الدِّينِ
হে ইবলিস! তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। নাউযুবিল্লাহ! বিষয়টা কি হলো, আক্বীদা ক্রটি থাকার কারণে তার সব বরবাদ হলো এই ইবলিসের। তাহলে একটা মানুষের যদি আক্বীদা অশুদ্ধ থাকে সে কোথায় যাবে? জাহান্নামে যাবে। আর আক্বীদা যদি শুদ্ধ থাকে আমলে ক্রটি থাকেও একসময় সে শাস্তি ভোগ করলেও সে নাজাত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরও হাজার মেছাল। আমরা একটা মেছাল দিয়ে থাকি তা হলো, বনী ইসরাইলের একটা লোক হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যামানায়। সে দু’শত বছর হায়াত পেয়েছিল ক বাকি অংশ পড়ুন...
শোনলো এককান দিয়ে আরেক কান দিয়ে বের হয়ে গেল সেতো কোনদিন বুঝতে পারবে না। এটা ফিকির করতে হবে। এটা কঠিন বিষয়। তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা কিল ও কাল করলে তাহলে কি হবে? এখন এটাও ফিকির করতে হবে। কাগজ কলম আছে লিখলেই হয়ে গেল। তাফসীরকারক হ্যাঁ, মুহাদ্দিছ মুফতী ফক্বীহ উমুক ইত্যাদি ইত্যাদি খত্বীব। কিছু লিখলো মুখ দিয়ে বলে ফেললো। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে বিষয়টা কিন্তু ফিকির করতে হবে। অনেক ফিকিরের বিষয়। কাজেই খুব সাবধান থাকতে হবে এসব বিষয়গুলি সম্পর্কে। এগুলি আক্বায়িদের মাসয়ালা সূক্ষèাতি সূক্ষè। বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আর যখন আমি বললাম, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা জ্বিনসহ আমার যিনি খলীফা, আবুল বাশার হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করুন। সকলেই সিজদা করলো। কিন্তু সে (ইবলীস) অস্বীকার করলো, অহংকার করলো, সে সিজদা করলো না। যার কারণে সে কাফির হয়ে গেলো। নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
উল্লেখ্য, ইবলীস একটি আদেশ
মুবারক অমান্য করার কার বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার বাকি অংশ পড়ুন...
وَيُبَيِّنُ اللهُ لَكُمُ الآيَاتِ وَاللهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সব হুকুম স্পষ্ট করে বর্ণনা করে দিলেন। তিনি সব জানেন, শুনেন। তিনি আলিম তিনি হাকীম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যদি করো তাহলে কি হবে?
لُعِنُوا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
তাহলে কি হবে? ইহকাল পরকালে লা’নত বর্ষণ করা হবে। নাউযুবিল্লাহ!
وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
কঠিন শাস্তি তোমাদের জন্য রাখা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
ইবলিস সম্পর্কে বলা হয়েছে-
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلَى يَوْمِ الدِّينِ
ইবলিস তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। এদেরও প্রতি অনন্ বাকি অংশ পড়ুন...












