SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইবনু%' OR titleBn LIKE '%ইবনু%' OR descriptionEn LIKE '%ইবনু%' OR descriptionBn LIKE '%ইবনু%' OR slug LIKE '%ইবনু%' OR metaTag LIKE '%ইবনু%' OR metaDescription LIKE '%ইবনু%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(৪০৮)
{فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُول} أي: إلى كتاب الله وإلى رسوله صلى الله عليه وسلم ما دام حيا وبعد وفاته إلى سُنّته، والرُّد إلى الكتاب والسنة واجب إن وُجد فيهما، فإن لم يُوجد فسبيله الاجتهاد.
অর্থ: (তোমরা মহান আল্লাহ পাক ও উনার সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো) অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী হায়াতে তাইয়্যিবা মুবারকে উনাকে আর উনার পর্দা মুবারক করার পর উনার সুন্নাহ শরীফ উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো। এমতাবস্থায় কিতাবুল্লাহ ও সুন্নতে রসূলিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, উলিল আমর হলেন হযরত ফুকাহায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম।
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উলিল আমর হলেন ফকীহগণ ও বিজ্ঞ আলিমগণ।
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
اَطِيعُوا اللهَ وَاَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاُولِي الاَمْرِ مِنْكُمْ
উনার ব্যাখ্যায় বলেন, উলিল আমর হলেন- বিজ্ঞ আলিম, ফকীহ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যকারীগণ এবং কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের অনুসরণকারীগণ।
হযরত দ্বহহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
اَطِيعُوا اللهَ وَاَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاُولِ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিছালী শান মুবারক গ্রহণ:
কুরাইশ গোত্রের হিববান ইবনু আরেকা নামক এক ব্যক্তি হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার উভয় বাহুর মধ্যবর্তী রগে তীর বিদ্ধ করেছিলো। নিকট থেকে উনার খোঁজ-খবর রাখার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মসজিদে নববী শরীফে একটি তাঁবু তৈরি করেছিলেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খন্দকের জিহাদ থেকে ফিরে এসে যখন হাতিয়ার রেখে গোসল মুবারক শেষ করলেন তখন হযরত জিবরাঈল বাকি অংশ পড়ুন...
খাবারে পাত্র চেটে পরিস্কার করে খাওয়ার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক:
খাবার গ্রহণের মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ রয়েছে। বাসনে খাবার নেয়ার পর অনেকেই তা সম্পূর্ণ খায় না। কথিত সৌজন্যতা বা কথিত সামাজিকতা কিংবা কথিত আত্ম-সম্মানবোধের কারণ দেখিয়ে বাসনে কিছু খাবার রেখে দেয়, যা সম্মানিত দ্বীন ইসলামে কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোন অবস্থাতেই খাবার নষ্ট করা যাবে না।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا ۚ إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ ﴿٣١﴾
অর্থ: তোমরা খাও ও পান কর এবং অপচয় করো না। তিনি (মহান আল্লাহ প বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বর্ণিত আছে-
مَنْ رَدَّ هٰذِهِ الْأَحَادِيْثَ فَهُوَ مُبْتَدِعٌ ضَالٌّ. قَالَ: مَا أَدْرَكْنَا أَحَدًا يَرُدُّهٗ إِلَّا مَنْ فِي قَلْبِهٖ بَلِيَّةٌ، يُهْجَرُ وَلَا يُكَلَّمُ
যারা এই পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ অস্বীকার করতে চায় তারা বিদয়াতি, পথভ্রষ্ট। আমরা এমন একজনও দেখি নাই যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা ছাড়া কাউকে এটা অস্বীকার কিংবা বর্জন করতে। (আস সুন্নাহ লি আবি বকর ইবনে খল্লাল ১/২৫৯)
হযরত আবু বকর ইবনু খল্লাল রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত ৩১১ হিজরী) তিনি উনার কিতাবে এত ব্যাপক আলোচনা করেছনে যে অস্বীকারকারীদের তিনি ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন-
قَالَ: يُقْعِدُهُ مَعَهُ عَلَى الْعَرْشِ، قَالَ أَبُوْ بَ বাকি অংশ পড়ুন...
যদিও ইমাম ওয়াহেদী এই মতটি রদ করতে চেয়েছেন, কিন্তু ইমাম নাক্কাস রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ইমাম আবু দাউদ যিনি সুনানে আবু দাউদ উনার লেখক তিনি বলেন, যে এই মতকে অস্বীকার করে সে আমাদের মতে তিরস্কৃত। আর এই ধরণের বর্ণনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মত ছাহাবী উনারা করেছেন।
বর্ণনায় এসেছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কিয়ামতের দিনে মহান আল্লাহ পাক উনার সামনে বিশে বাকি অংশ পড়ুন...
‘ছলাতুল খওফ’ উনার হুকুম আহকাম নাযিল:
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে-
عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضى الله تعالى عنهما، قَالَ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ فَصَفَّنَا صَفَّيْنِ صَفٌّ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْعَدُوُّ بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ فَكَبَّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَكَبَّرْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَكَعَ وَرَكَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ وَرَفَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ انْحَدَرَ بِالسُّجُودِ وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ وَقَامَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ فِي نَحْرِ الْعَدُوِّ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم السُّجُودَ وَقَامَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ انْحَدَرَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ بِالس বাকি অংশ পড়ুন...
(৪০৩)
والشيخُ اولو الامر على الـمريد، وامامُ كل طائفة ذو الامر عليهم.
অর্থ: শায়েখ তথা মুর্শিদ কিবলা মুরীদদের মাঝে উলিল আমর অর্থাৎ আদেশদাতা। তেমনি প্রত্যেক গোত্রে ইমাম হচ্ছেন উলিল আমর। (লাতায়িফুল ইশারাত অর্থাৎ তাফসীরুল কুশাইরী লেখক: হযরত আব্দুল করীম বিন হাওয়াযিন বিন আব্দুল মালিক কুশাইরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৪৬৫ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)
(৪০৪)
وقال جابرُ بن عبدِ الله والحسنُ والضحَّاك ومجاهدُ رحمة الله علهيم: هُمُ الْفُقَهَاءُ وَالْعُلَمَاءُ اَهْلُ الدِّيْنِ وَالْفَضْلِ الَّذِيْنَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ مَعَالِمَ دِيْنِهِمْ؛ وَيَاْمُرُونَهُمْ بالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ، فَاَوْجَبَ اللهُ عَلَى الْ বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার “পবিত্র সূরা হাদীদ শরীফ উনার মধ্যে” বর্ণিত আছে-
وَهُوَ مَعَكُمْ اَيْـنَمَا كُنْـتُمْ
আল্লামা ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ “তাফসীরে কবীর” ২৯/২১৫ পৃষ্ঠায় লিখেন-
(وَهُوَ مَعَكُمْ.......) قَالَ الْمُتَكَلِّمُوْنَ هٰذِهِ الْمَعِيَّةَ اَمَّا بِالْعِلْمِ وَاَمَّا بِالْحِفْظِ وَالْحَرَاسَةِ مَا عَلَى التَّـقْدِيْرِيْنَ فَـقَدْ اِنْـعَقَدَ الْاِجْمَاعُ عَلٰى اَنَّهٗ سُبحَانَهٗ لَيْسَ مَعَنَا بِالْمَكَانِ وَالْجِهَةِ وَالْحِيْزِ
অর্থ: “আকাইদ তত্ত্ববিদগণ বলেন, “তিনি তোমাদের সাথে রয়েছেন” এখানে সাথে থাকাটা ইলম, হিফাযত ও তত্ত্বাবধান দ্বারা। তিনি নির্দিষ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪০১)
وفى أولى الأمر أربعة أقوال. أحدها: أنهم الأمراء، قاله أبو هريرة وابن عباس في رواية وزيد بن أسلم والسدي ومقاتل. والثانى: أنهم العلماء، رواه ابن أبى طلحة عن ابن عباس وهو قول جابر بن عبد الله والحسن وأبي العالية وعطاء والنخعي والضحاك ورواه خصيف عن مجاهد. والثالث: أنهم أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، رواه ابن أبي نجيح عن مجاهد وبه قال بكر بن عبد الله المزني. والرابع: أنهم أبو بكر وعمر، وهذا قول عكرمة.
অর্থ: উলিল আমর উনার তাৎপর্য উনার ব্যাপারে চারটি মতামত পাওয়া যায়। এক: উনারা হলেন- উমারা অর্থাৎ আমীর বা আমীরুল মু’মিনীন বা খলীফা। অথবা ইনসাফগার সুলতান বা শাসক। যা বর্ণনা করেন হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়া বাকি অংশ পড়ুন...












