SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইত্তেবা%' OR titleBn LIKE '%ইত্তেবা%' OR descriptionEn LIKE '%ইত্তেবা%' OR descriptionBn LIKE '%ইত্তেবা%' OR slug LIKE '%ইত্তেবা%' OR metaTag LIKE '%ইত্তেবা%' OR metaDescription LIKE '%ইত্তেবা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُكْثِرُ مِنْ أَكْلِ الدُّبَّاءِ. فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ! إِنَّكَ تُكْثِرُ مِنْ أَكْلِ الدُّبَّاءِ قَالَ إِنَّه يُكْثِرُ الدِّمَاغَ وَ يَزِيدُ فِي الْعَقْلِ.
অর্থ: “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রচুর পরিমাণে কদু তরকারী মহাসম্মানিত আহার মুবারক করতেন। আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ .صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ
অর্থাৎ: আয় মহান আল্লাহ পাক! আমাদেরকে সরল সঠিক পথ দান করুন। সেই পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত মুবারক দান করেছেন। (পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ)
অত্র আলোচনা থেকে প্রমাণিত হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইত্তেবা করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ফরজে আইন। আর উনার সম্মানার্থে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম এবং হযরত ছিদ্দীকীন, শুহাদা, ছলিহীন তথা হযরত ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাà বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, একবার এক ব্যক্তি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান করে দই খাচ্ছিল। দই খেয়ে সে সমালোচনা করে বলেছিলো, মদীনা শরীফ উনার ‘দই টক’। নাউযুবিল্লাহ! সেই রাত্রিতে উক্ত ব্যক্তি স্বপ্নে দেখলো, স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করছেন, “হে ব্যক্তি, তুমি আমার পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দইকে টক বলার ধৃষ্টতা দেখালে। তুমি এখনই আমার পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে বের হয়ে যাও।”
অর্থাৎ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে প্রস্তুতকৃত দই পবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রতিনিধিত্ব করে, যে à বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ফুজায়েল বিন আয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে বলা হয়, তিনি একটা সময় ডাকাত সর্দার ছিলেন। তিনি তওবা করলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হলেন, তিনি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হয়ে গেলেন। একদিন হযরত ফুজায়েল বিন আয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র ইশার নামাযের ওযূ করলেন। ওযূ করার সময় প্রত্যেক অঙ্গ তিনবার ধোয়া মহাসম্মানিত সুন্নত মুবরক উনার অন্তর্ভূক্ত। কিন্তু তিনি তিনবার ধোয়ার জায়গায় ভুলে হাত ধোয়ার সময় দু’বার ধুয়ে ওযূ করে পবিত্র ইশার নামায পড়ে শুয়ে রইলেন।
শোয়ার সাথে সাথে তিনি স্বপ্নে দেখতে লাগলেন- মহান আল্লাহ পাà বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক পুরুষের জন্য যে ৬ ধরনের পোশাক পরিধান করা হারামঃ
পোশাক মানুষের সভ্যতার প্রথম নিদর্শন। মানুষের লজ্জা নিবারণের ভূষণ। কালের পরিবর্তনে পোশাকের রকম-ধরনেও নানা পরিবর্তন এসেছে। পবিত্র ওহী মুবারক উনার মাধ্যমে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মানুষকে তার পোশাক ও তা পরিধানের নিয়ম-কানুন বলে দিয়েছেন।
পুরুষের সতর হলো, নাভি থেকে নিয়ে হাঁটুর নীচ পর্যন্ত। তবে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হলো, এমন পোশাক পরিধান করা, যাতে তার প্রায় সমস্ত দেহ আবৃত হয়ে যায়।
তবে পুরুষের জন্যে ৬ ধরনের পোশাক পরিধান করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।-
১. পুরুষà§ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰي عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا مَا أَكَلَ طَعَامًا لَعِقَ أَصَابِعَهُ الثَّلاَثَ وَقَالَ إِذَا مَا وَقَعَتْ لُقْمَةُ أَحَدِكُمْ فَلْيُمِطْ عَنْهَا الأَذَى وَلْيَأْكُلْهَا وَلاَ يَدَعْهَا لِلشَّيْطَانِ. وَأَمَرَنَا أَنْ نَسْلُتَ الصَّحْفَةَ وَقَالَ إِنَّكُمْ لاَ تَدْرُونَ فِي أَىِّ طَعَامِكُمُ الْبَرَكَةُ.
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত আহার মুবারক করতেন তখন তিনি উনার মহাসম্মানিত তিà বাকি অংশ পড়ুন...
(১৩ পর্ব)
তিনি তিনটি রূপ দান করেছেন, আমরা তো একটা বলেছিলাম, অনন্তকাল। আসলে এখানে তিনটা রূপ মামদূহ মুর্শিদ কিবলা বলছেন, খুব খেয়াল করতে হবে। সহজ করে দিয়েছেন। খুব সহজ। একটা হচ্ছে অনন্তকাল সময়ব্যাপী। হ্যা; অনন্তকাল। আমার কথা বুঝা যায়? না কঠিন লাগে? হ্যা, অনন্তকাল। লম্বা সময়, অনন্তকাল, কালের কোন শেষ নাই। এখন পনেরশত বছর পূর্তি হচ্ছে। তাইনা? হ্যা, পনেরশত বছর পূর্তি কীভাবে?
যে, পনেরশত বছর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে নূরুত তাশরীফ মুবারক রেখেছেন পনেরশত বছর। বিভিন্ন ইতিহাস, বিভিন্ন ওয়াকেয়া, বিভিন্ন কিছু ঘটছে। তাইলে সেখাà বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কখনো কখনো মাটির পাত্র বা মাটির পানির পাত্র মুবারক ব্যবহার করেছেন। অর্থাৎ মাটির পাত্রে খাদ্য খাওয়া ও পানীয় পান করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।
মাটির পাত্র ব্যবহার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَت سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ رضي الله عنه أَنَّ أَبَا أُسَيْدٍ السَّاعِدِيَّ رضي الله عنه دَعَا النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي عُرْسِهِ، وَكَانَتِ امْرَأَتُهُ خَادِمَهُمْ يَوْمَئِذٍ، وَهِيَ الْعَرُوسُ، فَقَالَتْ أَوْ قَالَ أَتَدْرُونَ مَا أَنْقَعْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَÙ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ اِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِيْ يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ ۗ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ ﴿٣١﴾ قُلْ أَطِيْعُوا اللهَ وَالرَّسُوْلَ ۖ فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللهَ لَا يُحِبُّ الْكَافِرِيْنَ﴿٣٢﴾
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাাহ পাক উনাকে মুহব্বত করে থাক উনার মুহব্বত মুবারক হাছিল করতে চাও, তাহলে তোমরা আমাকে অনুসরণ কর অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
(১০ম পর্ব)
একইভাবে যদি আমরা ফিকির করি, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত কতটুকু? একখানা সুন্নত মুবারক উনার মর্যাদা এতো বেশি! যে, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকলের আমল অনন্তকালের জন্য সকলের আমল এক পাল্লায় দিলে আর একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে আরেক পাল্লায় যদি দেয়া হয় তাহলে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার পাল্লাই বেশি ভারী হবে। সুবহানা মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম!
সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত মুবারক অনুযায়ী যদি বোঝার কোশেশ করি, তাহলে সুন্নতী আমলের কতটুকু গুরুত্ব রয়েছে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ
অর্থ: যে ব্যক্তি খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে, মেহমানদারী করার মাধ্যমে আমার মহাপবিত্র বরকতময় তাশরীফ মুবারক নেয়ার মহাসম্মানিত তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) রাত্র মুবারক (ও দিবস মুবারক) উনাকে সম্মান করবেন, আমি ক্বিয়ামতের দিন অর্ঠবাকি অংশ পড়ুন...












