আল ইহসান ডেস্ক:
২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়ায় চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। সে সময় একজন অজানা ব্যক্তি বেনগাজিতে এসে বসতি স্থাপন করে। তার নাম “আবু হাফস”।
সে কুরআনে হাফেজ, হাজার হাজার হাদীছ শরীফ মুখস্ত জানা এবং সুন্দর আরবী উচ্চারণের মাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে ধার্মিকতার খ্যাতি অর্জন করে। গাদ্দাফি-পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিবেশে সে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে ভালো ও মিষ্টি কথা বলে, সাথে পরোপকারী আচরণ।
পরে সে বেনগাজির একটি বড় মসজিদের ইমাম ও খতীব হয়, এমনকি মুফতী হিসেবেও ফতোয়া দিতে শুরু করে। ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিষয়ে সে কুর বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
এতে অবশিষ্ট তৃতীয়াংশ পড়ে গেলো। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বের হয়ে আসলেন, এবং উনার মহাপবিত্র চাদরখানা নিয়ে বসে পড়লেন। হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘ইয়া সাইয়্যিদুল মুরসালীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ঐ সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন। আপনি যখন আঘাত করছিলেন, আমি আপনার প্রতি লক্ষ্য করছিলাম, দেখলাম আপনি যখনই তাতে আঘাত করছিলে বাকি অংশ পড়ুন...
বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে আমরা দেখি চাঁদ পৃথিবীর চর্তুদিকে ঘুরে একই দশায় আসতে সময় নেয় ২৯.৫ দিন বা ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট ৩ সেকেন্ড।
দ্বিতীয়টি হচ্ছে, চাঁদ তার মঞ্জিলগুলো অতিক্রম করে শুষ্ক বক্র পুরাতন খেজুর শাখার ন্যায় কক্ষপথে পৃথিবীর চারদিকে পরিভ্রমণ করে। বুঝার সুবিধার জন্য আমরা এখানে তুলনামূলক চিত্র পেশ করলাম।
পৃথিবীর কক্ষপথের বিবেচনায় বিশ্লেষণ করলে আমরা চাঁদের যে সঞ্চারপথ পাই তা সর্পিল আকারের শুষ্ক বক্র পুরাতন খেজুর শাখার ন্যায় নয় কি!
{চিত্র: চাঁদের কক্ষপথের গঠন বক্র পুরাতন খেজুর শাখার ন্যায়।}
চাঁদের বিভিন্ন পর্যায় বা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ‘আছ ছালিছাহ তথা তৃতীয়া’। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি ন বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর শব্দের অর্থ :
ছদাক্বাতুল ফিতর (صَدَقَةُ الْفِطْرِ) আরবী শব্দ। এখানে صدقة শব্দের অর্থ দান করা। আর الفطر শব্দের অর্থ ভঙ্গ করা। সুতরাং ছদাক্বাতুল ফিতরের সম্মিলিত অর্থ হল ভঙ্গ করার দান। যাকে যাকাতুল ফিতর বলেও উল্লেখ করা হয়।
পারিভাষিক অর্থে দীর্ঘ একমাস রোযার রাখার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন মালিকে নিছাবের পক্ষ থেকে প্রত্যেক ২ জনের জন্যে এক ছা’ আটা বা তার মূল্য পরিমাণ যে সম্পদ গরীবকে প্রদান করা হয় তাকে ছদাক্বাতুল ফিতর বলে।
ছদাক্বাতুল ফিতর কে দিবেন :
ছদাক্বাতুল ফিতর প্রদান করা ধনীদের জন্যে ওয়াজিব। দ্বিতীয় হিজরীর শা’ব বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাগজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আধুনিক সভ্যতার বিকাশে যার ভূমিকা অপরিসীম। আর মুসলমানদের হাতেই সূচনা হয় আধুনিক কাগজশিল্পের।
ইতিহাসমতে, বাগদাদে কাগজ উৎপাদন শুরু হলে তা সর্বসাধারণের নাগালে আসে এবং কাগজের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। মুসলমানরাই আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশের মানুষকে কাগজের ব্যবহার শিখিয়েছে।
আব্বাসীয় শাসক আল-মানসুর সর্বপ্রথম সালতানাতের সব কাজে কাগজ ব্যবহারের নির্দেশ দেন। বাদশাহ হারুনুর রশিদের সময় ৭৯৪ সালে বাগদাদে মতান্তরে সমরকান্দে মুসলমান বিশ্বের প্রথম কাগজের কল প্রতিষ্ঠিত হয়। হারুনুর রশিদ তার প্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি চাঁদ ও সূর্যকে হিসাব মত চলমান রেখেছেন মুসলমানদের খিদমতের জন্য। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল ইজ্জত ইরশাদ মুবারক করেন-“চাঁদ ও সূর্য হিসাব মতো চলে থাকে”। (পবিত্র সূরা আর রহমান: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
তাই তাদের চলার হিসাব থেকে সময় নির্ধারণ করা সম্ভব।
পবিত্র কুরআনুল কারীম ও পবিত্র হাদীছ শরীফে সময় ও চাঁদ সম্পর্কীয় নির্দেশনা:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মানুষ আপনাকে বাঁকা চাঁদ সম্পর্কে সুওয়াল করে। আপনি বলে দিন, তা হলো মানুষের জন্য সময় নির্ধারক এবং পবিত্র হজ্জ উনার সময় ঠিক বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত জাবির ও হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা উনারা বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া স বাকি অংশ পড়ুন...
মাস শুরু এবং শেষ, বিশেষ দিন নির্বাচনে চাঁদের ক্যালেন্ডারের যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে; তেমনি ওয়াক্ত নির্ণয়ে প্রয়োজন রয়েছে সৌর ক্যালেন্ডারের। কিন্তু ইতিহাসে মুসলমানগণের রচিত কোনো সৌর ক্যালেন্ডারের তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারে মুসলমানগণ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু অনেক কারণেই মুসলমানগণের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা উচিত নয়।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির মাধ্যমে অজান্তেই প্রতিদিন অনেক দেব-দেবীর নাম স্মরণ হয়। এই বর্ষপঞ্জির ৬টি মাসের নামকরণ করা হয়েছে দেব-দেবীর নামে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্র বাকি অংশ পড়ুন...
ঠোঁট থেকে উচ্চারিত আরবী বর্ণ বা অক্ষর তিনটি। যথা: ب (বা), م (মীম), و (ওয়াও)। দুই ঠোঁটের ভেজা অংশ হতে ب অক্ষরটি উচ্চারিত হয়। এবং ب অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ব’ লেখা হয়। আর দুই ঠোঁটের শুকনা অংশ হতে م অক্ষর উচ্চারিত হয় এবং م অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ম’ লেখা হয়। আর দুই ঠোঁটের মাঝে কিঞ্চিৎ ফাঁকা রেখে و অক্ষর উচ্চারিত হয়। আর و অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ও’ লেখা হয়।
কিন্তু ‘ও’ অক্ষর স্বরবর্ণ হওয়ার কারণে ‘ও’ অক্ষরে কার ব্যবহৃত হয় না। ফলে و বর্ণে কাসরা বা যের হওয়া অবস্থায় বাংলা উচ্চারণে লেখকগণ বিভ্রান্তিতে পড়েন। এমতাবস্থায় কেউ লেখেন و ‘ওয়াও’ যে বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمَنْصُوْرُ (আল মানছূর) শব্দ মুবারক উনার তাহক্বীক্ব বা শাব্দিক বিশ্লেষণ: اَلْمَنْصُوْرُ (আল মানছূর) শব্দ মুবারকখানা আরবী ক্বাওয়ায়িদ অনুযায়ী ওয়াহিদ মুযাক্কার ইসমে মাফঊল উনার ছীগাহ। ইহা نصر (নূন, ছাদ্, র) মাদ্দাহ (বা মূল বর্ণ) হতে নির্গত। اَلْمَنْصُوْرُ (আল মানছূর) শব্দ মুবারক উনার শাব্দিক অর্থ মুবারক হচ্ছেন, (১) সাহায্যপ্রাপ্ত, (২) সাহায্যকৃত, (৩) সফল, (৪) কৃতকার্য, (৫) বিজয়ী, (৬) উত্তম সাহায্যপ্রাপ্ত, (৭) গায়েবী মদদপ্রাপ্ত, (৮) সমর্থিত, (৯) প্রাধান্যপ্রাপ্ত, (১০) শ্রেষ্ঠত্বপ্রাপ্ত, (১১) বদলকৃত, (১২) যাঁর অগ্রগতি সন্তোষজনক, (১৩) সফল পরিণতিপ্রাপ্ত, (১৪) নিষ্কৃতি বাকি অংশ পড়ুন...












