SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আরবী%' OR titleBn LIKE '%আরবী%' OR descriptionEn LIKE '%আরবী%' OR descriptionBn LIKE '%আরবী%' OR slug LIKE '%আরবী%' OR metaTag LIKE '%আরবী%' OR metaDescription LIKE '%আরবী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল ইহসান ডেস্ক:
মুবারক হলো ১৪৪৮ হিজরী। আরও বরকতময় হলো আরবী ৪র্থ অর্থাৎ চতুর্থ মাস অর্থাৎ পবিত্র মাহে রবীউছ ছানী শরীফ। মহাসম্মানিত আইয়ামুল্লাহ শরীফ উনাদের মাঝে মহাসম্মানিত ১০ই রবীউছ ছানী শরীফ উনার বরকতময় উপলক্ষ আরও একটি বৃদ্ধি পেলো। এদিকে দিনটিও হলো লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ক্ষণ মুবারক হলো- রাত ১টা ৩৪ মিনিট। সুবহানাল্লাহ!
সুমহান এই ক্ষণ মুবারকে দুনিয়ার জমীনে ইলাহী উনার মাদানী নব সওগাত মহাসম্মানিত জান্নাতী মেহমান হাদিয়া মুবারক উনার বেমেছাল বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। তিনি ক্বায়িম মাক্বামে সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্ন বাকি অংশ পড়ুন...
আফগান সাধারণ মুসলিম সমাজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকে অজ্ঞতার কারণে হোক বা ইচ্ছাকৃত বিভেদ সৃষ্টির লক্ষে হোক তাদেরকে ‘কট্টরপন্থী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ আফগান সমাজ তাদের মতে ভিন্ন মতাদর্শীদের প্রতি অসহনশীল একটি সমাজ। কিন্তু বাস্তবতা আসলে কি?
সর্বপ্রথম আমাদের জেনে রাখতে হবে যে, মাওলানা রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিচরণস্থল আফগানিস্তান। দেশটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অনুসারী; বিশুদ্ধ তাওহীদের দেশ যা শরীয়ত ও তরীকতের সকল দিক বাস্তবায়িত করছে।
দেশটির অধিবাসীদের প্রায় ৯০ শতাংশ বা তার বেশি মাযহাবগত হানাফী, আক্বীদাগত বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দুই রাত মুবারক পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ রাত মুবারক) না পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ কোনটি শ্রেষ্ঠ? প্রখ্যাত মালেকী ফক্বীহ ও মুহাদ্দিছ হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মারজুক আত-তিলেমসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৭৮১ হিজরী, ১৩৭৯ ঈসায়ী) রচনা করেন এক কালজয়ী গ্রন্থ: যার আরবী নাম-
جنى الجنتين في شرف الليلتين: ليلة القدر - ليلة المولد
অর্থাৎ “দুই রাতের মর্যাদা সম্পর্কে দুই জান্নাতের ফল, পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক ও পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ।
এই কিতাবটি রচনার মূল প বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দুই রাত মুবারক পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ রাত মুবারক) না পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ কোনটি শ্রেষ্ঠ? প্রখ্যাত মালেকী ফক্বীহ ও মুহাদ্দিছ হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মারজুক আত-তিলেমসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৭৮১ হিজরী, ১৩৭৯ ঈসায়ী) রচনা করেন এক কালজয়ী গ্রন্থ: যার আরবী নাম-
جنى الجنتين في شرف الليلتين: ليلة القدر - ليلة المولد
অর্থাৎ “দুই রাতের মর্যাদা সম্পর্কে দুই জান্নাতের ফল, পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক ও পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ।
এই কিতাবটি রচনার মূল প বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দুই রাত মুবারক পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ রাত মুবারক) না পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ কোনটি শ্রেষ্ঠ? প্রখ্যাত মালেকী ফক্বীহ ও মুহাদ্দিছ হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মারজুক আত-তিলেমসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৭৮১ হিজরী, ১৩৭৯ ঈসায়ী) রচনা করেন এক কালজয়ী গ্রন্থ: যার আরবী নাম-
جنى الجنتين في شرف الليلتين: ليلة القدر - ليلة المولد
অর্থাৎ “দুই রাতের মর্যাদা সম্পর্কে দুই জান্নাতের ফল, পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক ও পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ।
এই কিতাবটি রচনার মূল প বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এটা লক্ষ্যণীয় যে ইবনে আন-নাদিমের ফিহরিস্ত (গ্রন্থপঞ্জি) ইসলামী গ্রন্থাগারগুলিতে গৃহীত কিতাব শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির একটি উদাহরণ। ইবন আন-নাদিম এই দশটি প্রধান শ্রেণীর তালিকাভুক্ত করেছেন: পবিত্র কুরআন শরীফ, ব্যাকরণ, ইতিহাস, কবিতা, নীতিশাস্ত্র, আইনশাস্ত্র, দর্শন, হালকা সাহিত্য, ধর্ম এবং আলকেমি। এই প্রধান শ্রেণীগুলি একটি গ্রন্থাগারের প্রয়োজন অনুসারে উপবিভক্ত ছিল। মধ্যযুগীয় যুগে ইসলামী গ্রন্থাগারগুলিতে গ্রন্থাগারিকদের অবস্থান অবশ্যই একটি সম্মানজনক স্থানে ছিল। কারণ অনেক গ্রন্থাগার প্রায়শই বিখ্যাত স্কল বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দুই রাত মুবারক পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ রাত মুবারক) না পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ কোনটি শ্রেষ্ঠ? প্রখ্যাত মালেকী ফক্বীহ ও মুহাদ্দিছ হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মারজুক আত-তিলেমসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৭৮১ হিজরী, ১৩৭৯ ঈসায়ী) রচনা করেন এক কালজয়ী গ্রন্থ: যার আরবী নাম-
جنى الجنتين في شرف الليلتين: ليلة القدر - ليلة المولد
অর্থাৎ “দুই রাতের মর্যাদা সম্পর্কে দুই জান্নাতের ফল, পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক ও পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ।
এই কিতাবটি রচনার মূল প বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দুই রাত মুবারক পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ রাত মুবারক) না পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ কোনটি শ্রেষ্ঠ? প্রখ্যাত মালেকী ফক্বীহ ও মুহাদ্দিছ হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মারজুক আত-তিলেমসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৭৮১ হিজরী, ১৩৭৯ ঈসায়ী) রচনা করেন এক কালজয়ী গ্রন্থ: যার আরবী নাম-
جنى الجنتين في شرف الليلتين: ليلة القدر - ليلة المولد
অর্থাৎ “দুই রাতের মর্যাদা সম্পর্কে দুই জান্নাতের ফল, পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক ও পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ।
এই কিতাবটি রচনার মূল প বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا اَيُّهَا الَّذِينَ امَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে পবিত্র ছলাত বা পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদার ব বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...












