SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আরবী%' OR titleBn LIKE '%আরবী%' OR descriptionEn LIKE '%আরবী%' OR descriptionBn LIKE '%আরবী%' OR slug LIKE '%আরবী%' OR metaTag LIKE '%আরবী%' OR metaDescription LIKE '%আরবী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আবহমানকাল থেকে আমাদের গ্রাম-বাংলার অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে আভিজাত্যের প্রতীক ছিল বাড়ির বাহির আঙিনার কাচারি ঘর। কাচারি ঘর ছিল গ্রাম-বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ। আমাদের গ্রামীণ জনপদের অবস্থা সম্পন্ন অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারিঘর। গেস্টরুম কিংবা ড্রয়িং রুমের আদি ভার্সন কাচারি ঘর এখন আর গ্রামীণ জনপদে দেখা যায় না বললেই চলে।
মূল বাড়ির একটু বাইরে আলাদা খোলামেলা ঘরই হচ্ছে কাচারি ঘর; সাধারণত বাড়ির সামনের দিকটায় থাকতো। কিছু কিছু কাচারি ঘর বাড়ির প্রবেশমুখে পুকুর পাড়ে, ঘাটের পাশেও দেখা যেত। এতে বা বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সুন্নত উনার অর্থ ও পরিচয় মুবারক: পবিত্র ‘সুন্নত’ শব্দটি আরবী, একবচন। বহুবচনে السنن (আস-সুনান)। আভিধানিক অর্থ হল, الطريقة والسيرة অর্থাৎ পথ, পন্থা, পদ্ধতি, নিয়ম ইত্যাদি; (লিসানুল আরব ১৩/২২৪-২২৫)
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে উক্ত অর্থে সুন্নত শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يُرِيْدُ اللهُ لِيُبَيِّنَ لَكُمْ وَيَهْدِيَكُمْ سُنَنَ الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَيَتُوْبَ عَلَيْكُمْ وَاللهُ عَلِيْمٌ حَكِيْمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করেন তোমাদের নিকট বিশদভাবে বিবৃত করতে, তোমাদের পূর্ববর্তীদের নিয়ম-কানুন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র তায়াম্মুমের বিধান নাযিল:
তায়াম্মুম (تيمم) শব্দটি আরবী। এর শাব্দিক অর্থ ইচ্ছা করা, মনস্থ করা, সংকল্প করা। এর পারিভাষিক অর্থ হলো- পানি পাওয়া না গেলে বা কোন কারণে পানি ব্যবহারে অক্ষম হলে পবিত্র মাটি দ্বারা শরীয়তসম্মত পন্থায় পবিত্রতা অর্জন করাকে তায়াম্মুম বলে। অর্থাৎ মাটি দ্বারা মুখমন্ডল ও উভয় হাত মাসেহ করাকে তায়াম্মুম বলে। (মু’জামুল ওয়াসীত)
পবিত্র তায়াম্মমের বিধান সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ৫৯তম বৎসর মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
প্রবাদ আছে, ‘হার গুলেরা রঙ্গো বুয়ে দিগারাস্ত’। অর্থাৎ ‘একেক ফুলের একেক রকম রং ও ঘ্রাণ’। সমস্ত উম্মতের মাঝে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের শ্রেষ্ঠত্ব। আবার উনাদের মাঝে বদরী ছাহাবীগণ উনাদের রয়েছে বিশেষ ফযীলত। আবার মুহাজিরগণ উনাদের রয়েছে ব্যতিক্রম শান মুবারক। অপরদিকে খিলাফতের ক্ষেত্রে কুরাইশগণ উনাদের রয়েছে একক প্রাধান্য। সর্বোপরি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য মুবারক নির্ধারিত।
পবিত্র হাদীছ শ বাকি অংশ পড়ুন...
সাহিত্যে পবিত্র হাদীছ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফও সাহিত্যের এক যুগান্তকারী অধ্যায় মুবারক। পবিত্র হাদীছ শরীফ আরবী সাহিত্যের অমূল্য ভা-ার। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যের আরও বহু বিষয় সমৃদ্ধ হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষা মুবারকগুলো অত্যন্ত উন্নত ও সুষমাম-িত।
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি সাহিত্যে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন সুবক্তা, লেখক এবং মহাকবি হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহ বাকি অংশ পড়ুন...
যদি সেই বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করতে না পারে তাহলে সেতো ঈমানদার থাকতে পারবে না। নাউযুবিল্লাহ! হুযনে যন পোষণ করা যদি ফরযে আইন হয়ে থাকে তাহলে কাগজে কলমে লেখাটা কি জায়েয আছে? নাউযুবিল্লাহ! এটার ভাষা নেই প্রকাশ করার কোন। উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী, সম্মান মুবারক কতটুকু? যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন, কেন সুধারণা পোষণ করলে না। কেন তোমরা চূ-চেরা কিল ও কাল করলে। কেন বললে না এটা একটা কঠিন অপবাদ। নুযূল খাছ হুকুম আম। উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার শা বাকি অংশ পড়ুন...
উটের গোশ্তকে আরবীতে لَـحْمُ الْبَعِيْرِ اَوْ لَـحْمُ الْبُدْنَةِ (লাহমুল বা‘য়ীর বা লাহমুল বুদনাহ্) বলা হয়। উটের গোশ্ত খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার মধ্যেই রয়েছে সর্বপ্রকার ভালাই। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে খইরে কাছির অর্থাৎ সর্বপ্রকার ভালাই হাদিয়া মুবারক করেছেন। আর তিনি যে সমস্ত খাদ্যসমূহ গ্রহণ করেছেন সেই খাদ্যসমূহ উনাদের মধ্যেই রয়েছে সর্বপ্রকার শিফা। সুবহানাল্লাহ!
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আন বাকি অংশ পড়ুন...
হীলাহ্ বিবাহ জায়েয ও শরীয়ত সম্মত এবং ফযীলতের কারণ। তবে মুত্য়াহ্ বিবাহ ও মুওয়াক্কাত বিবাহ জায়েয নেই, হারাম এবং লা’নতের কারণ। কেউ কেউ হীলাহ্ বিবাহ, মুত্য়াহ্ ও মুয়াক্কাত বিবাহের মধ্যে পার্থক্য না বুঝার কারণে হীলাহ্ বিবাহকে নাজায়েয ও লা’নতের কারণ বলে থাকে। যা শরীয়ত সম্মত নয়।
শরীয়তের পরিভাষায়, কোন মুসলমান ভাইয়ের উপকার করার জন্য তার ত্বালাকপ্রাপ্তা আহলিয়াকে (স্ত্রী) শর্ত-শারায়েত ব্যতীত বিবাহ করে, ঘরÑসংসার করে তথা একান্ত নির্জনবাসের পর ত্বালাক্ব দেয়, তাকে হীলাহ্ বিবাহ বলা হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاِنْ طَلَّقَهَا فَ বাকি অংশ পড়ুন...
আব্বাসীয় যুগে বিজ্ঞানচর্চা; জ্যোতির্বিদ্যা:
আব্বাসীয় যুগে জ্যোতির্বিদ্যারও প্রভূত উন্নতি হয়েছিলো। জ্যোতির্বিদদের মধ্যে মাশাআল্লাহ, সেন্দা বিন আলী, ইয়াহিয়া বিন মনসূর, আবূ মাসার প্রমুখ বিশেষ প্রসিদ্ধি লাভ করেন। আবূ মাসারের লিখিত ‘জিসবায়ে মাসার’ জ্যোতির্বিজ্ঞানের উৎস বলে বিবেচিত হতো। আবুল হাসান দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করে জ্যোতিঃশাস্ত্রের বিশেষ উন্নতি সাধন করেন। ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত আল বাত্তানীর বাতানীর জ্যোতিঃশাস্ত্রীয় তালিকাসমূহ বহু শতাব্দী ধরে ইউরোপের জ্যোতিঃশাস্ত্রের ভিত্তিরূপে গৃহীত হয়েছিলো। আবাসীয় শাসক বাকি অংশ পড়ুন...












