মামদুহজী আম্মাজী
বেনিয়াজ মাওলাজি
ভেজি সালাম ভেজি
দিন নিয়ামত রাজি
কদম পাকে আরজি
নিছবত চাইছি আজি
শুকরিয়া বেশুমার
ইয়া গাফফার ইয়া সাত্তার
পেয়েছি দুই রাহবার
জড়োয়া জিম্মাদার
আমাদের কিবলাজি
মামদুহজী আম্মাজী
হাবীবী খাছ আওলাদ
আশ শাফি আস সমাদ
তাশরীফে হয় নিনাদ
জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ
আক্বা মালিকাজি
মামদুহজী আম্মাজী
মুবারক সিলসিলা
কায়িনায় উজালা
দুই মদীনাওয়ালা
রাঙ্গান সোনার বাংলা
রুখেন ফেতনাবাজি
মামদুহজী আম্মাজী
বাতিলের অবসান
সকল মুশকিল আসান
কারবালায় খুশিরবান
দুলদুল খুব ইতমিনান
ইনসাফের মূল কাজী
মামদুহজী আম্মাজী
আনন বাকি অংশ পড়ুন...
চাহি শাহী রাজি চাহি শাহী রাজি
চাহি শাহী রাজি আম্মাজী....
দরূদ সালাম পাক ভেজি
চাহি শাহী রাজি....
মুবারক দরোজাতে শুন্য দু’হাতে
করি যে আরজি.....
শাফিয়া নাজ উম্মে শাহবাজ
(বেশাক) সুন্নি শিরোতাজ
ঘুঁচিয়ে লাজ রসমি রেওয়াজ
(আমায়) বানান সরফরাজ
ইশকি সিরাজ ইশকি মিরাজ
হোকনা বিরাজ কুবরাজি
নূর কারুকাজ নূরানী সাজ
দিলে দানুন দারাজি
চাহি শাহী রাজি....
মায়াবী মুহাব্বতে পাক মুলাকাতে
ডেকে নিন আজি
চাহি শাহী রাজি চাহি শাহী রাজি
চাহি শাহী রাজি আম্মাজী....
শাহে জাহান শাহে মারজান
(বিলকুল) হাদিয়ে জামান
খাস দয়া-দান চায় দায়িমান
(তামাম) জীন পরী ইনসান
নছীব জাগান বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মুল কুরআন পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মধ্যে নির্দেশ করা হয়েছে যে, নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দা উনাদের পথে চলার জন্য। এ সম্পর্কে পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৬৯ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উক্ত নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দা উনাদের সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উনারা হচ্ছেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও ছলিহ। সুবহানাল্লাহ। অর্থাৎ নবী হচ্ছেন এক স্তর এবং আরেক স্তর হচ্ছেন ছিদ্দীক, শহীদ ও ছলিহ। আমরা জানি, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যামানা শেষ হয়ে গেছে বা অতিবাহিত হয়ে গেছে। এখন ওলীআল্লাহ উনাদের যামানা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান যামানায় আমরা তো ন বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়া আম্মাজী!
জুদায়ীর বেদনা, আর সহে না
ফিরাকীর যন্ত্রনা, বহিতে পারি না
দিনগো শান্তনা, দিদারী নাজরানা
ক্বদম মুবারক ধরি, খালিছ তাওবা করি
অভাগাদের ফিরিয়ে দিবেন না।
আমরা অথর্ব, নির্বোধ, আমড়া কাঠের ঢেঁকি
হাকীকত কিছুই নেই, আছে শুধু মেকি
ইলমশূন্য, আমলশূন্য, আস্ত এক গর্দভ
একেক সময়, একেক মিথ্যা, করি মোরা উদ্ভব
হয়ে বোকা, খাই ধোঁকা, অন্তর নেই কারো
দেন শুধু থলি ভরে, আরো দিন আরো
মহাপাপী মোরা, মহা গুনাহগার
আপনার ক্ষমা ছাড়া পথ নাই বাঁচিবার
বিরহের যন্ত্রনা, শুধুই যাতনা।
জুদায়ীর বেদনা, আর সহেনা
ফিরাকীর যন্ত্রনা, বহিতে পারি না
দিনগো শান্তনা, দ বাকি অংশ পড়ুন...
একখানা ঘটণা আলোচনা করলে সহজেই বুঝা যাবে। ঘটণা খানা হচ্ছে, সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি একবার পবিত্র খানকা শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক উম্মতের উচিত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নাম মুবারক-এ পবিত্র কুরবানী মুবারক দেয়া।’ এই মহাসম্মানিত নছীহত মুবারক শুনে অনেক পীরভাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসিম বা নাম মুবারক-এ পবিত্র কুরবানী মুবারক দেয়ার নিয়ত করলেন।
এক পীর বাকি অংশ পড়ুন...
প্রিয় আম্মা হুজুর
প্রিয় আম্মা হুজুর
আধারী যুগের অবসানে আসেন আম্মাজী
জাহেলী জুলমতি খরা বিনাসেন আম্মাজী
যামানা সংস্কারে রোব প্রকাশেন আম্মাজী
দিশারী হয়ে আবার মুচকি হাসেন আম্মাজী
মাদানী সিলসিলাতে নূর বিকাশেন আম্মাজী
সালিকের অন্তরে সর্বদা ভাসেন আম্মাজী
নিছবতি কোহে তূর
প্রিয় আম্মা হুজুর
নূরে কুবরায়ী নূর
প্রিয় আম্মা হুজুর
প্রিয় আম্মা হুজুর
প্রিয় আম্মা হুজুর
প্রিয় আম্মা হুজুর
প্রিয় আম্মা হুজুর
মমতায় মহিয়ান
মালিকায়ে দো’জাহান
মুবারক মহাশান
মুমতাজে মারহাবান
মুহতাজে আশিকান
দিন শরাবান তহুর
প্রিয় আম্মা হুজুর...
সাইয়্য বাকি অংশ পড়ুন...
মাশুকী তরফে ওয়াদা
আমাদের প্রিয় শাহযাদা
সু-মহান বেমেছাল সওদা
আমাদের প্রিয় শাহযাদা
আশিক হৃদয়ের ইরাদা
আমাদের প্রিয় শাহযাদা
আক্বা আক্বা আক্বা আক্বা
হুবহু মুর্শিদী নজর
আম্মাজীর নূরানী ফখর
মিয়াবাড়ির সাহেবযাদা
আমাদের প্রিয় শাহযাদা
ছুরতে নকশায়ে রাসুল (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
ছিফতে অনন্য অতুল
ওয়ারাউল ওয়ারা মর্যাদা
আমাদের প্রিয় শাহযাদা
খুবই অপরূপ মাওলানা
মহাশানে নেই সীমানা
দোআলম যে নূরে ফিদা
আমাদের প্রিয় শাহযাদা
আল মানছুর লক্ববে মশহুর
ইলিম আমলে সমুদ্দুর
আলীশান খলীফায় খোদা
আমাদের প্রিয় শাহযাদা
মুবারক ইশা বাকি অংশ পড়ুন...
আম্মাজী আম্মাজী
উম্মুল উমাম
আপনার ছানা পড়ে
কায়িনাতের তামাম।
রংধনু সে সাতটি রঙে
কার জন্য সাজে
আমার সৃষ্টি সাত প্রলেপে
ধন্য কোন নাজে!
*
আসমানের ঐ সাতটি পরত
কার কথা বলে
যমিনের ঐ সাতটি ভাঁজে
কার কথা চলে?
*
কুরআন শরীফের সাতটি মঞ্জিল
কার পানে ছোটে
সাত হরফ আর সাত কিরাআতে
কার শান ফোটে?
*
ফাতেহা শরীফের সাতটি আয়াত
কার ছানায় ভরা,
সপ্তাহের সাত দিনগুলি বল
কার জন্যে গড়া।
*
কা’বা শরীফে তাওয়াফ সাতবার
কম বা বেশিতে নয়
সাত সায়ীতে সাফা মারওয়ায়
আমল পূর্ণ হয়।
*
আমার হৃদয়ের সাত প্রকোষ্ঠে
ধ্বনিত যে নাম
সেই নামই উৎস সকল শক্তির
সব নেকের আনজাম।
বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা নারী জাতি, নারী কুল
ঘুণ ধরা সমাজের।
আমরা বলি,
আমরা সেই দিনই হয়েছি শান্ত
যেদিন জানিলাম আর্তনাদের ধ্বনিগুলো
আকাশে বাতাসে দুলিলো না;
সর্বহারা নারী জাতিদের দুঃখ-কষ্ট রহিলো না;
আমরা সেই দিনই হয়েছি শান্ত।
আমরা সেই দিনই হয়েছি শান্ত
যেদিন জানিলাম-
শয়নে-স্বপনে নারী সকল পুলকিত;
মায়া-মমতায় হৃদচেতনায়
এ ধরার বুকে শিহরিত।
খুশির আমেজ ঝিরিঝিরি হাওয়ায়
বহিয়া চলিলো হেথায় ,
কুল-মাখলুক্বাত পড়িলো ক্বাছীদা
শান্তি পেল সবাই।
আমরা সেই দিনই হয়েছি শান্ত
যেদিন কনকচাঁপা, রজনীগন্ধা,
গোলাপ, হাসনাহেনা
আরো যত ফুল, ফুটিল বাগানে
সুবাসে মাতিলো ধরণ বাকি অংশ পড়ুন...
পরাক্রমশালী দয়াময় খোদার উদার
অন্তহীন অনির্বাণ মহান রহমতী নির্ঝর;
মর্ত ধরায় প্রকাশ পায়,
যে মূল্যবান সময়;
সে, পূত-পবিত্র রবীউল আউওয়াল মাস।
পবিত্র মাস উনার সপ্তম দিবসে,
করুণাময়ী মমতাময়ী মায়ের বেশে;
বিচিত্র পৃথিবীতে নেমে আসে
রহমতী নির্ঝরের নির্গম নির্যাস।
রাজারবাগ দরবার শরীফের,
আম্মাজী আলাইহাস সালাম।
উনার মুবারক বিলাদতী ক্ষণে,
আকাশবাসী সমূদয় ফেরেশতাগণে;
চৌদিকে ছড়ায় জান্নাতী ফুলের সুবাস।
দলে দলে পড়ে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ উনার মীলাদ;
আকাশে বাতাসে প্রবাহিত হয় ইহার মৃদু নিনাদ।
আহলান সাহলান নূরে মুজাসসাম;
উনার আহলে বাইত আ বাকি অংশ পড়ুন...
আগমনে উম্মুল উমাম,
মোদের ক্বিবলা আম্মাজী।
পেয়েছি মোরা আত তহিরা আত তইয়্যিবা,
হয়েছি মোরা ধন্য।
আগমনে আম্মাজ্বী ক্বিবলা,
জমীন বাসী ধন্য।
আঁধার দূরীভূত করে দিলেন আলো,
সকল সালিকার ক্বলবে।
মোদেরকে দান করেন নছীহত,
করেন অন্তর ইসলাহপ্রাপ্ত।
কায়িনাত হলো আলোকিত,
আম্মাজ্বী উনার তাশরীফানে।
দূরীভূত হচ্ছে সকল,
কুফরী মন্ত্র -তন্ত্র।
সালিকাদের অন্তরে জ্বেলে দিচ্ছেন আলো,
দিচ্ছেন ইলমে ফিক্বহ,তাছাওফ শিক্ষা।
পড়ি মোরা উম্মুল উমামী শান,
জানাই মুবারক সালাম।
মোদেরে করিলেন আম্মাজী ধন্য,
নূরানী ছোহবত দিয়ে।
-তাসমিয়া জান্নাত।
বাকি অংশ পড়ুন...












