(৩১৯)
وبنحو ما قلنا فى ذلك رُوِى الخبر عن ابن عباس وغيره. حدثنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا عثمان بن سعيد، قال: حدثنا بشر بن عُمَارة قال: حدثنا أبو رَوْق عن الضحاك عن ابن عباس: "صراطَ الذين أنعمت عليهم" يقول: طَريقَ من أنعمتَ عليهم بطاعتك وعبادتك من الـملائكة والنبيين والصديقين والشهداء والصالحين الذين أطاعوك وعبَدُوك. حدثني أحمد بن حازم الغفارى قال: أخبرنا عبيد الله بن موسى عن أبي جعفر عن ربيع: "صراط الذين أنعمتَ عليهم" قال: النبيّون. حدثني القاسم قال: حدثنا الحسين قال: حدثني حجاج عن ابن جريج قال: قال ابن عباس: "انعمت عليهم" قال: المؤمنين. حدثنا القاسم قال: حدثنا الحسين قال: قال وكيع: "انعمت عليهم" المسلمين. حدثني يونس بن عبد الأعلى قال أخبرنا ابن وهب قال: قال عبد الرحمن بن زيد في قول الله "صراط الذين أنعمت عليهم" قال: النبيّ صلى الله عليه وسلم ومن معه.
অর্থ: আমাদের উপ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩১৬)
قال أبو جعفر: أجمعت الأمة من أهل التأويل جميعًا على أن "الصراط المستقيم" هو الطريق الواضح الذي لا اعوجاج فيه. وكذلك ذلك في لغة جميع العرب.
অর্থ: ইমাম আবূ জা’ফর তাবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সমস্ত মুফাসসিরীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা একমত যে-اَلصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ উনার অর্থ হলো- সেই সরল, সঠিক ও সুস্পষ্ট পথ, যার কোন অংশই বাঁকা নয়। সকল আরবী অভিধানেও শব্দ দু’টির অর্থ অনুরূপ। (জামিউল্ বায়ান ফী তা’বীলিল্ কুরআন অর্থাৎ তাফসীরুত্ তাবারী, পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ৫ লেখক: হযরতুল আল্লামা মুহম্মদ বিন মুহম্মদ বিন জারীর বিন ইয়াযীদ বিন কাছীর বিন গালি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ইবাদতে যাহিরাহ ও পবিত্র ইবাদতে বাতিনাহ উভয়টি সঠিক ও পরিপূর্ণভাবে পালন করার জন্য পবিত্র ইলিম অর্জন করা ফরয।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَليْهِ وَسَلَّمَ: طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيْضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ
অর্থ: “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা উনাদের জন্য পবিত্র ইলিম অর্জন করা ফরয।” ( বাকি অংশ পড়ুন...
পার্থিব ধন-সম্পদ কিংবা দুনিয়াবী পদমর্যাদা প্রভৃতির জন্য আশা-আকাঙ্খা করা অবশ্যই নিন্দনীয়। তবে দ্বীনি ইল্ম অর্জন, জিহাদে অংশগ্রহণ ইত্যাদি নেক কাজের আকাঙ্খা নিন্দনীয় নয়; বরং প্রশংসনীয়। অতএব বলা যায়, আশা-আকাঙ্খার ভাল-মন্দ উভয় দিক রয়েছে। অত্র প্রবন্ধে কেবল মন্দ বা অবৈধ আকাঙ্খা সম্পর্কে আলোকপাত করা হচ্ছে; যা প্রকৃতপক্ষে কাফির-মুশরিকদের স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত।
যেমন- এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন-
ذَرْهُمْ يَا বাকি অংশ পড়ুন...
হির্ছ্ ও আমাল আরবী এ শব্দ দু’টি প্রায় কাছাকাছি অর্থে ব্যবহৃত হয়। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিভিন্ন আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে শব্দ দুটি লোভ-লালসা ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَتَجِدَنَّهُمْ اَحْرَصَ النَّاسِ عَلٰى حَيَاةٍ وَمِنَ الَّذِيْنَ اَشْرَكُوْا ۚ
অর্থ : আপনি তাদেরকে (ইহুদীদেরকে) জীবনের প্রতি সবার চেয়ে, এমনকি মুশরিকদের চেয়েও অধিক লোভী দেখবেন। (পবিত্র সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ৯৬)
ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا وَيَتَمَتَّعُوْا وَيُلْهِهِمُ الْاَمَلُ ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُوْنَ ◌
অর্থ : আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা আহার করুক, ভোগ করুক এবং আশায় মোহগ্রস্ত থাকুক। অত বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আমির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি হযরত নু’মান বিন বশীর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি শুনেছি যে, সাইয়্যিদুল মুরসা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উম্মতের জন্য আক্বীক্বাহ্ করা যায়েজ হওয়ার দলীল
১ম দলীল
১০ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ আল্লামা হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
قُـلْتُ وَقَدْ ظَهَرَ لِـىْ تَـخْرِيْـجُهٗ عَلـٰى اَصْلٍ اٰخَرَ وَهُوَ مَا اَخْرَجَهٗ حَضْرَتْ اَلْـبَـيْـهَقِىُّ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَقَّ عَنْ نَّـفْسِهٖ بَـعْدَ الـنُّـبُـوَّةِ مَعَ اَنَّهٗ قَدْ وُرِدَ اَنَّ جَدَّهٗ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَقَّ عَنْهُ فِـىْ سَابِعِ وِلَادَتِهٖ وَالْعَقِيْـقَ বাকি অংশ পড়ুন...












