SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আটা%' OR titleBn LIKE '%আটা%' OR descriptionEn LIKE '%আটা%' OR descriptionBn LIKE '%আটা%' OR slug LIKE '%আটা%' OR metaTag LIKE '%আটা%' OR metaDescription LIKE '%আটা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মানুষ (সাধারণ) বড়ই অস্থির তথা চঞ্চল প্রকৃতির।’ অস্থির মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। অপরদিকে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সাইয়্যিদুল মুর বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত আলিম ও বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত শায়েখ নিযামী ও হযরত মোল্লা জামী রহমতুল্লাহি আলাইহি। সেই মহান ব্যক্তিত্ব হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত ও বহুল পরিচিত তাযকিরাতুল আউলিয়া কিতাবে। এছাড়াও আরো অনেকের দ্বারা প্রণিত তাযকিরাতুল আউলিয়া নামক কিতাবে বর্ণিত- হযরত হাবীব আযমী রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ উনার কথা, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে হাবীব নামে অভিহিত হয়েছিলেন। উ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত উনার ইমাম:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সকল প্রকার ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। কিন্তু প্রকাশ্যভাবে পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাকে আঁকড়ে ধরা হতে সামান্যতম ছাড় দিতে প্রস্তুত নন। প্রয়োজনে জীবন যেতে পারে তবুও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার অনুসরণ বর্জন হতে পারে না।
ইমাম ইসহাক বিন রাহুয়াহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যদি ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি না হতেন এবং তিনি যদি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার জন্য ত্যাগ স্বীকার না করতেন তাহলে ইসলাম বিনাশ হয়ে যেত, অর্থাৎ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাজেটে সুনির্দিষ্ট কী ধরনের শুল্ক-কর পরিবর্তনের প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় পড়ে, ওই খবর অনেকেই রাখেন না। তবে এটা ঠিক, বাজেট মানেই কিছু পণ্যের দামবৃদ্ধি- এমন আতঙ্ক অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই রয়েছে। এ বছরও সরকারের একটি উদ্যোগ সাধারণ মানুষের ওই আতঙ্ক বা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেটা হলো, আসন্ন বাজেটে নিত্যপণ্যের উৎসে কর দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্র বলছে, স্থানীয় ঋণপত্রের কমিশনের ওপর উৎসে কর ০.৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে এক শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হচ্ছে আসছে বাকি অংশ পড়ুন...
আজ আমেরিকার প্রকাশ্য গোলামী বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে তারা নীরব কেনো?
দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধীরাও নিস্ক্রিয় থেকে কঠিন বৈষম্য করছে।
বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের যেহেতু সুযোগ আছে সেহেতু অবিলম্বে এই চুক্তি বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সবার আগে বাংলাদেশ প্রমাণ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
(২য় পর্ব)
যুক্তরাষ্ট্রের ‘অফিস অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ’ (ইউএসটিআর)-এর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ তিন দিনের সফরে গত (৫ মে) ঢাকায় এসেছে। তার এই সফরের মূল লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দাম বেড়ে বেগুন-কাঁকরোল এখন শত পার করেছে। একইসঙ্গে তাল মিলিয়ে দামের ক্ষেত্রে সেঞ্চুরি পার করেছে সজনে ডাঁটাসহ গাজরও। অন্যদিকে বন্যার কারণে বাজারে বাড়তি দামে চাল বিক্রি হলেও নতুন চাল আসায় এ দাম কিছুটা কমেছে। এমনটিই বলছেন কারওয়ান বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা।
তারা বলেন, কয়েকদিন আগেও চাল কিনেছি বেশি দাম দিয়ে। পরিবহণ ব্যয়সহ অন্যান্য খরচ বাড়ায় আগের চেয়ে চালের দাম বেড়েছে। সবমিলিয়ে বাধ্য হয়েই বাড়তি দামে বিক্রি করেছি। তবে এখন সেই দাম নেই। বাজারে নতুন চাল আসা শুরু করেছে। এতে ইতোমধ্যে চালের দাম কমেছে।
সিটি রাইজ এজেন্সির বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজস্ব আদায়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য পূরণে এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ পর্যায়ে উৎসে কর বাড়ানোর পথে হাঁটছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী- চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ফল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুনসহ অন্তত ২৮টি কৃষি ও খাদ্যপণ্যের স্থানীয় সরবরাহের ওপর উৎসে করের হার বর্তমান ০.৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে। এনবিআরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে এই প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠ বাকি অংশ পড়ুন...
১. ছারীদ (ثَرِيْدٌ)
২. গোশত (لَـحْمٌ) লাহমুন
৩. শুকনা গোশত (لَـحْمٌ مُصْلَحٌ/اللحوم الـجافة/لَـحْمٌ قَدِيْدٌ)
৪. সামুদ্রিক মাছ
৫. ডিম (بَيْضٌ) বাইদ্বুন
৬. যব ( الشَّعِيْر)
৭. তালবীনাহ (اَلتَّلْبِيْنَةُ)
৮. হাইস (حَيْسٌا)
৯. হারীসাহ্ (هَرِيْسَة)
১০. ছাতু (فَاجْدَحْ) ফাজদাহ
১১. যবের রুটি (خُبْزُ الشَّعِيْرِ) খ্বুবযুশ শা‘য়ীর
১২. গমের রুটি/ লাল আটার রুটি (الـحِنْطَةٌ/خُبْزٌ الْبُرِّ) খ্বযুল হিনত্বহ
১৩. রুটি-গোশত
১৪. রুটি-খেজুর
১৫. সিরকা (خَلٌّ) খ্বল
১৬. জয়তুন/ জয়তুনের তেল
১৭. কদু (اَلدُّبَّاءُ) দুব্বা
১৮. পিঁয়াজ (الثُّومَ) ছূম ও রসুন (الْبَصَلَ) বাছাল
১৯. আদা (زَنْـجَبِيْلٌ) যাঞ্জাবীল
২০. মেথি (الْـحُلْبَةِ) হুলবাহ্
২১. কাল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র জানাযার নামাযের নিয়মঃ
জানাযার নামায পড়ার পূর্বে মাইয়্যিতের ওলী বা অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, মাইয়্যিতের কোন ঋণ আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে সেগুলো কে এবং কিভাবে পরিশোধ করবে তা জানতে হবে। নামায ও রোযা কাযা আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে তার কাফফারা দিতে হবে। সেটা কে বা কিভাবে আদায় করবে তা জানতে হবে।
(বিতরসহ দৈনিক ছয় ওয়াক্ত নামাযের কাফ্ফারা দিতে হবে। যত ওয়াক্ত নামায কাযা থাকবে তার প্রতি ওয়াক্তের জন্য এক ফিতরা পরিমাণ কাফফারা দিতে হবে। একইভাবে প্রতিটি রোযার জন্য এক ফিতরা। তবে প্রতি রোযা বা নামাযের জন্য ২ কেজি আটা বা ময়দা কিংবা ত বাকি অংশ পড়ুন...












