মা -বাবা, ভাই- বোন এবং অধিনস্থ তথা পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে যে তা’লীম বা শিক্ষাদান করা হয়, তাকে পারিবারিক তা’লীম বলে। পারিবারিক তা’লীম বিশেষ জরুরী,অতিব গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক অভিভাবকের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য বটে। কেননা, পরিবার ভালো হলে সমাজ ভালো হবে। সমাজ ভালো হলে দেশ ভালো হবে। দেশ ভালো হলে সারা জগত ভালো হবে। তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সকল অভিভাবককে তার নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে সুসম্পন্ন করার জন্য বিশেষভ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جُبَـيْرِ بْنِ نُـفَيْرٍ رحمة الله عليه قَالَ دَخَلْتُ عَلَى حَضْرَتْ أُمّ الْمُؤْمِنِين الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْـهَا السَّلَام فَسَأَلْتُـهَا عَنْ خُلُقِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَـقَالَتِ الْقُرْآنُ
অর্থ: “হযরত জুবাইর ইবনে নুফাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার নিকট গেলাম এবং উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আখ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অন্য এক বর্ণনায় এসেছে-
وفى رواية عَنْ حَضْرَتْ سَعْدِ بْنِ هِشَامِ بْنِ عَامِرٍ الْأَنْصَارِيِّ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ حَضْرَتْ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْـهَا السَّلَامُ قالت كان خُلُق رسول الله صلى الله عليه وسلم القرآن. ثم قالت أتقرءون سورة المؤمنون؟ قال نعم، فقالت اقرأ، قال فقرأت {قَدْ أَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ. الَّذِيْنَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ لِلزَّكَاةِ فَاعِلُوْنَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ لِفُرُوْجِهِمْ حَافِظُونَ. إِلَّا عَلٰى أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُـهُمْ فَإِنَّـهُمْ غَيْـرُ مَلُومِيْنَ. فَمَنِ ابْـتَـغٰى وَرَاءَ ذٰلِكَ ف বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
إِنَّكَ لَعَلٰى خُلُقٍ عَظِيْمٍ
অর্থ: “আপনি অবশ্যই মহান আখলাক্ব মুবারক উনার অধিকারী।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ক্বলম শরীফ:৪)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
حَضْرَتْ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ: مَا كَانَ أَحَدٌ أَحْسَنَ خُلُقًا مِنْ رَسُولِ اللّٰهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا دَعَاهُ أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِهٖ وَلَا مِنْ أَهْلِ بَيْتِهٖ إِلَّا قَالَ: لَبَّـيْكَ، فَلِذٰلِكَ أَنْـزَلَ اللّٰهُ عَزَّ وَجَلَّ: وَإِنَّكَ لَعَلٰى خُلُقٍ عَظِيْمٍ
অর্থ: “সাইয়্যি বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন “খুলুকুন ‘আযীম” অর্থাৎ সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক উনার অধিকারী এবং “উসওয়াতুন হাসানাহ্” বা সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
প্রতিটি বিষয়েই তিনি সমগ্র মাখলুকাতের জন্য অনুসরণীয় এবং অনুকরণীয়। উনার মহাসম্মানিত আখলাক্ব মুবারক সবার জন্য অনুসরণীয়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ছোঁয়াতেই পূর্ণতা পেয়েছেন স্বয়ং উত্তম চরিত্র নিজেই। সুবহানাল্লাহ!
এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১২৮ হিজরী সনের পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ يَزِيْدَ بْنِ بَابَـنُـوْسَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ دَخَلْنَا عَلَى اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ حَضْرَتْ )عَائِشَةَ( الصّـِدِّيْـقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَـقُلْنَا يَا اُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ مَا كَانَ خُلُقُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَتْ كَانَ خُلُقُهُ الْقُرْاٰنَ تَـقْرَؤُوْنَ سُوْرَةَ الْمُؤْمِنِيْنَ؟ قَالَتِ اقْـرَأْ {قَدْ اَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ} قَالَ حَضْرَتْ يَزِيْدُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَـقَرَأْتُ {قَدْ اَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ} اِلٰى {لِفُرُوْجِهِمْ حَافِظُوْنَ} قَالَتْ هٰكَذَا كَانَ خُلُقُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: “হযরত ইয়াযীদ ইবনে বাবানূস রহমতুল্লাহি আলা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেভাবে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে রাখেন ঠিক সেভাবে উনারা সন্তুষ্ট আছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তা’খীরের পবিত্র আয়াত শরীফ উনার পরে বলা হয়েছে। উনারাতো আগেই বলেছেন যে, উনাদের কোন চাহিদা নেই। আপনি উনাদেরকে যেভাবে রাখবেন, সেভাবে উনারা সন্তুষ্ট মুবারক থাকবেন। তাহলে উনাদের শান-মান নিয়ে মানুষ কিভাবে চু-চেরা, কীল-কাল করে। নাউযুবিল্লাহ!
এরপর যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ক বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এটি দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, রজবুল হারাম মাসের ২৭ তারিখ ইছনাইনিল আযীম শরীফ রাতে পবিত্র বরকতময় মি’রাজ শরীফ হয়েছে। কিন্তু কিছু উলামায়ে ‘সূ’, নামধারী আলেম বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যম, পত্র-পত্রিকা ও বই-পুস্তকের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে যে, মি’রাজ শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তাদের আপত্তি হলো, ২৭শে রজবের রাতেই মি’রাজ শরীফ হয়েছে এ কথা সঠিক নয়। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব তুলে ধরে এর বিভ্রান্তি নিরসন প্রয়োজন।
জাওয়াব: (১ম অংশ)
পবিত্র মি’রাজ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছে, পবিত্র রজবুল হারাম শরীফের ২৭ তারিখ ইছনাইনিল আযীম শরী বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাই সত্যের মাপকাঠি। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা বাক্বারা শরীফের ১৩৭ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি তারা আপনাদের মতো (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায় বাকি অংশ পড়ুন...












