SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%(৬)%' OR titleBn LIKE '%(৬)%' OR descriptionEn LIKE '%(৬)%' OR descriptionBn LIKE '%(৬)%' OR slug LIKE '%(৬)%' OR metaTag LIKE '%(৬)%' OR metaDescription LIKE '%(৬)%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ وَكَانَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَه مَكْحُلَةٌ يَكْتَحِلُ بِهَا عِنْدَ النَّوْمِ ثَلَاثًا فِي كُلِّ عَيْنٍ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একটি সুরমাদানি ছিলো। তিনি ঘুমানোর সময় তা থেকে তিনবার করে প্রত্যেক মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল মুনাওওয়ার মুবারক (মহাসম্মানিত চোখ মুবারক)-এ সুরমা লাগাতেন। (আখলাকুন নবী ছল্লাল্লাহু আল বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রশংসায় ইরশাদ মুবারক করেছেন-
إذَا ذُكِرَ اللهُ وَجِلَتْ قُلُوْبُهُمْ
(অর্থ: উনাদের কাছে যখন মহান আল্লাহ পাক উনার কথা বলা হয়, উনাদের অন্তর ভয়ে কেঁপে উঠে)। হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মধ্যে এ অবস্থার পূর্ণ বিকাশ ঘটেছিল। একবার উনার সম্মুখে এই আয়াত শরীফখানা পাঠ করা হলো-
فَكَيْفَ إذَا حِئْنَا مِنْ كُلِّ أمَّةٍ شَهِيْدًا
(অর্থ: তখন কেমন হবে যখন আমরা প্রত্যেক জাতির মধ্য থেকে সাক্ষী উপস্থিত করবো)। হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মসলার রয়েছে দারুণ সব চিকিৎসাগুণ। রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওষুধি গুণের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় নানা ধরনের মসলার ব্যবহার প্রচলিত হয়ে আসছে।
(১) হলুদ:
মসলার অন্যতম উপাদান হলুদের চিকিৎসাগুণ সম্পর্কে এমএইচ সমরিতা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের পুষ্টিবিদ আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘হলুদ আমাদের শরীরের জন্য এক অনন্য ‘সুরক্ষা প্রাচীর’। হলুদের মূল উপাদান হলো কারকিউমিন, যার রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মাত্র এক দিরহাম খরচ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় এক পাহাড় পরিমাণ লাল স্বর্ণ দান করার সমপরিমাণ ফযীলত মুবারক লাভ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ اَنْفَقَ دِرْهَـمًا فِـىْ مَوْلِدِىْ اِكْرَامًا فَكَاَنَّـمَا اَنْفَقَ جَبَلًا مِّنْ ذَهَبٍ اَحْـمَرَ فِـى الْيَتَامٰى فِـىْ سَبِيْلِ اللهِ
অর্থ: “যে ব্যক্তি খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে, মেহমানদারী করার মাধ্যমে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপ বাকি অংশ পড়ুন...
উনারা ছিলেন ২৪ ঘণ্টা উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা এবং উনার যিকির ও মুহব্বত মুবারক-এ গরক্ব:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَن حضرت الشّعبِيّ رحمة الله عليه أَن رجلا من الْأَنْصَار أَتَى رَسُول الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُول الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالله لأَنْت أحب إليَّ من نَفسِي وَوَلَدي وَأَهلي وَمَالِي وَلَوْلَا أَنِّي آتِيك فَأَرَاك لظَنَنْت أَنِّي سأموت وَبكى الْأنْصَارِيّ فَقَالَ لَهُ النَّبِي صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا أبكاك فَقَالَ ذكرت أَنَّك سَتَمُوتُ وَنَمُوت فَترفع مَعَ النَّبِيين وَنحن إِذا دَخَلنَا الْجنَّة كُنَّا دُونك فَلم يُخبرهُ النَّبِي صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَيْء فَ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত উনার ইমাম:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সকল প্রকার ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। কিন্তু প্রকাশ্যভাবে পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাকে আঁকড়ে ধরা হতে সামান্যতম ছাড় দিতে প্রস্তুত নন। প্রয়োজনে জীবন যেতে পারে তবুও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার অনুসরণ বর্জন হতে পারে না।
ইমাম ইসহাক বিন রাহুয়াহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যদি ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি না হতেন এবং তিনি যদি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার জন্য ত্যাগ স্বীকার না করতেন তাহলে ইসলাম বিনাশ হয়ে যেত, অর্থাৎ বাকি অংশ পড়ুন...
(১) চাকচিক্য পোশাকের লোভ যাদের অন্তরে, তাদের কাফনের কথা স্মরণ করা উচিত।
জাঁকজমক বাড়ির আকাঙ্খা যাদের অন্তরে, তাদের উচিত কবরের ছোট্ট গর্তটির কথা স্মরণ করা।
যারা সবসময় সুস্বাদু খাবারের লোভ করে তাদের কর্তব্য হচ্ছে- নিজের লাশটি যে শেষ পর্যন্ত কীটের খোরাক হবে তা স্মরণ করা।
(২) যার হাতে অন্যের নিন্দাবাদ করার মতো পর্যাপ্ত সময় থাকে, তার চাইতে হতভাগা আর কেউই হতে পারে না।
(৩) বছরান্তেও যে ব্যক্তি দুঃখ-কষ্টের সম্মুখীন হয় না, তার চিন্তা করা উচিত যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার উপর সন্তুষ্ট কি না।
(৪) যে ব্যক্তি চোখের ভাষা বুঝে না, তার সামনে মুখ খোলা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন তিনি হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইতি শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ইমামুল আশির অর্থাৎ দশম ইমাম। সুবহানাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়াহুদীরা পৃথিবীর সবচেয়ে ধূর্ত ও অভিশপ্ত জাতি। তাদের এই ন্যাক্কারজনক অবস্থার মূল ভিত্তি হলো, তাদের ধর্মীয় আক্বীদা-বিশ্বাস। ইহুদীরা যেই কিতাব এর দোহাই দিয়ে চলে তার নাম হলো তালমুদ। তালমুদের বর্তমান কপিগুলোতে কিছু জঘন্য আক্বীদা-বিশ্বাসের কথা পাওয়া যায়। যথা-
(১) ইয়াহুদীরা আল্লাহ তায়ালা উনার কাছে সমস্ত ফেরেশতা অপেক্ষা প্রিয়। আল্লাহ তায়ালা উনার সাথে তাদের সম্পর্ক, পিতা-পুত্রের সম্পর্ক। নাঊযুবিল্লাহ!
(২) যদি দুনিয়াতে ইয়াহুদীদের অস্তিত্ব না হতো তবে সূর্যের উদয় হতো না এবং পৃথিবীতে বৃষ্টি বর্ষণ হতো না। নাঊযুবিল্লাহ!
(৩) আল্লাহ তায়া বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈদের নামাযের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাযের মতো নয়। যেমনঃ ঈদের দুই রাকায়াত নামাযে কোনো আযান, ইক্বামাত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিম্নে সেই নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো :
পবিত্র ঈদের নামায আদায় করার পদ্ধতিঃ
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নিয়ত-
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صَلوةِ الْعِيْدِ الْاَضْحى مَعَ سِتَّةِ تَكْبِيْرَاتٍ وَاجِبُ اللهِ تَعَالى اِقْتَدَيْتُ بِهذَا الْإِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ.
বাংলায় নিয়ত করলে এভাবে করবে: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...












