সম্পাদকীয়-১
সংস্কার, সংস্কার বলে উচ্চরব তুললেও বিবিএস এর মত প্রতিষ্ঠানেও ভূল তথ্যের সমাহার দূর করতে পারে নি অন্তর্বর্তী সরকার যা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর রূপেই সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
টেকসই উন্নয়নে প্রয়োজন সঠিক ও সময়োপযোগী পরিসংখ্যান। জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি যেকোনো ধরণের ইতিবাচক কৌশল গ্রহণে মানসম্পন্ন পরিসংখ্যানই কার্যকর দিকনির্দেশনা দিতে পারে।
অর্থ বিভাগের মতে, প্রকৃত তথ্যে বড় গরমিল থাকায় দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভুল হিসাব তৈরি হচ্ছে। জিডিপির হার বাড়িয়ে দেখাতে গিয়ে খাদ্যের প্রকৃত উৎপাদন কম হলেও দেখানো হচ্ছে বেশি।
যে কারণে বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। যার প্রভাবে বেড়ে যাচ্ছে মূল্যস্ফীতিও। এছাড়া রপ্তানি আয় বেশি হচ্ছে খাতাপত্রে দেখানো হলে এর ইতিবাচক প্রভাব রিজার্ভে পড়ছে না। অপরদিকে রাজস্ব আয়ের প্রকৃত তথ্য না থাকায় সরকারি ব্যয়ে অব্যবস্থাপনা হচ্ছে। এটি মোকাবিলায় সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি অঙ্কের ঋণ করতে গিয়ে চাপের মুখে ফেলছে অর্থনীতিকে। ফলে তথ্যের গরমিল থাকায় এসব খাতে বিদ্যমান নীতিগুলোর প্রকৃতপক্ষে সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও সেটি আড়ালে থেকে যাচ্ছে।
দেশের সরকারি পরিসংখ্যান প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সংস্থাটি দেশের জনমিতি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, জেন্ডার, কৃষিসহ অর্থনীতির নানা গুরুত্বপূর্ণ সূচকের পরিস্থিতির তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করে। তবে দীর্ঘকাল ধরেই সংস্থাটির প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। কারণ পরিসংখ্যানগুলোয় বাস্তবতার প্রতিফলন দেখা যায় কদাচিৎ। এর অন্যতম কারণ ছিল পরিসংখ্যানগুলোর অতিমাত্রায় রাজনৈতিকীকরণ। সরকারি তথ্য প্রভাবিত করার কাজটি সবচেয়ে বেশি হয়েছে বিগত সরকারের আমলে। এক প্রতিবেদনে উঠে আসে, দেশে বানোয়াট পরিসংখ্যান বানানোর কাজটি করা হতো বিগত সরকারের সাবেক একজন পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে। মূল্যস্ফীতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে পাঁচ-ছয়জনের একটি সিন্ডিকেট। অভিযোগ উঠতে থাকে অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের তথ্য ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানোর। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গেও বাড়তে থাকে পরিসংখ্যানগত ব্যবধান। অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের মতে, বিগত সরকার সংস্থাটিকে ব্যবহার করে জনসংখ্যা, জিডিপির আকার-প্রবৃদ্ধি থেকে শুরু করে অর্থনীতির প্রতিটি খাতেই ভুল ও প্রশ্নবিদ্ধ পরিসংখ্যান তৈরি ও উপস্থাপন করেছে।
এমন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বিশ্বাসযোগ্য পরিসংখ্যান তৈরির জোর দাবি ওঠে। যদিও এ সরকারের দায়িত্ব নেয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিবিএসের পরিসংখ্যান বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পারেনি। সংস্থাটি জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়েও এমন পরিসংখ্যান প্রকাশ করে যাচ্ছে, যা নিয়ে মানুষ এখনো সন্দিহান। সম্প্রতি আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। সেটি নিয়ে আবারো সমালোচনার মুখে পড়েছে। সরকার তথ্যের প্রতি আস্থা ফেরানোর কোনো কার্যকর উদ্যোগ এ পর্যন্ত নিতে পারেনি।
বিবিএসের তথ্যের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে পদ্ধতিগত স্বচ্ছতা আনা জরুরি। জনগণ পরিসংখ্যানে বাস্তবতার প্রতিফলন দেখতে চান। বাজারে চালসহ অন্যান্য দ্রব্যের যে ঊর্ধ্বগতি রয়েছে তার পরও মূল্যস্ফীতির হার কমার বিষয়ে সাধারণ মানুষ সন্দিহান। কেননা খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার সঙ্গে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যস্ফীতি হিটম্যাপ অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতি হিসাবের ক্ষেত্রে চালের ভর ধরা হয় ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। অথচ গত বছরের আগস্টের তুলনায় এ বছরে আগস্টে মোটা ও সরু চালের দাম বেশি থাকলেও বিবিএসের হিসাবে এ সময়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তাই সংস্থাটির পরিসংখ্যান পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আনা অত্যন্ত জরুরি। সেই সঙ্গে পদ্ধতির যৌক্তিকীকরণও আবশ্যক।
সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রশাসনিক সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (বিবিএস) একটি স্বাধীন পরিসংখ্যান কমিশনে রূপান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়। অথচ সেটি বাস্তবায়নে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
আমাদের দেশে স্বাধীন পরিসংখ্যান কমিশন গঠন করলেই দেশের সামষ্টিক তথ্য-উপাত্তগুলোর ত্রুটি দূর হয়ে যাবে সে আশা করা দুরাশা হবে। তবে এ দেশে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য হাসিনা সরকার যেভাবে পুরো পরিসংখ্যান ব্যুরোকে ‘অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক ডক্টরিং’-এর সূতিকাগারে পরিণত করেছিলো সেখান থেকে মুক্তির পথ কিছুটা খুলে যাবে, তা বলা যায়।
কথিত উন্নত দেশগুলোতে পরিসংখ্যান কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করে। তারা শুধু সংসদের কাছে জবাবদিহি করে। সরকার যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে পরিসংখ্যান ব্যবস্থাপনাকে উৎসাহিত করে, তা হলে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা, নেতিবাচক পরিস্থিতি থেকে দেশ রক্ষা এবং সমৃদ্ধি ও উন্নতির যা বিশেষ আবশ্যক। বিষয়টি সরকারের জন্য একান্ত অনুধাবনীয়।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো পবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ! আজ সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বৈধ পথে বিদেশ গিয়ে ১০ বছরে অবৈধ হয়ে ফিরেছেন প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশী অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি দমনে পতিত সরকারের ন্যায় বর্তমান সব সরকারের নিষ্ক্রিয়তা- অতি নির্মম
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নিজেদের ক্যাশিয়ারদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য পতিত সরকার দেশের চিনি শিল্পকে ধ্বংস করেছিলো। (নাউযুবিল্লাহ) যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে অতীতের মত চিনি রফতানী করা যাবে ইনশাআল্লাহ খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহিমান্বিত সুমহান ২১ই রমাদ্বান শরীফ। যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়লেও সুবিধার বাইরে ৭১ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দারিদ্রের যাঁতাকল থেকে জনগণকে বের করে না আনলে দেশ অবিলম্বে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাঁচতে হলে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই পাওয়া যাবে প্রকৃত নিরাপত্তা ও সফলতা ইনশাআল্লাহ
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো ১৭ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজকের এ মহান দিনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নির্বাহী আদেশে নয় সাংবিধানিক ভাবেই রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র ঈদ উনার ছুটি কমপক্ষে ১৫ দিন হওয়া উচিত। ঈদ মুসলমানদের বাৎসরিক খুশীর দিন। সে খুশী পালনার্থে ৬৪ জেলাব্যাপী কোটি কোটি মুসলমানদের নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, অবস্থান করা এবং পুনরায় ফেরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে যাবতীয় ঈদ ব্যবস্থাপনা সরকারের একান্ত কর্তব্য ও অন্যতম বাস্তবতা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুবারক হো ১৫ই রমাদ্বান শরীফ! তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন্ নাবিইয়ি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জালিম ও তাবেদার সরকারের করে যাওয়া আত্মঘাতী পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আমলাদের বাধা অবদমন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর পূরো কর্তৃত্বের অধিকার সেনাবাহিনীকেই প্রতিফলিত করে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












