২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদা নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকেই মেটানো সম্ভব এতে প্রতি বছর মাথাপিছু সাশ্রয় হবে দুই হাজার টাকা
সৌর, বায়ু, পানিসহ বহুবিধ নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্ভাবনায় ভরপুর বাংলাদেশ। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়েই দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করে রপ্তানীও সম্ভব।
, ১০ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০১ ছানী ‘আশির, ১৩৯০ শামসী সন , ০১ মে, ২০২৩ খ্রি:, ১৮ বৈশাখ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, উচ্চমূল্যের কয়লা, ফার্নেস ওয়েল কিংবা পারমাণবিক বিদ্যুতের দিকে সরকারের আগ্রহ বেশি।
অভিজ্ঞমহল মনে করেন, যদি সরকারের বিদ্যুতের দাম বাড়ানোই উদ্দেশ্য থাকে তাহলে সাশ্রয়ী বিদ্যুতের পথ বন্ধ হবে।
উল্লেখ্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে সারা বিশ্বে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বেড়েছে জ্বালানির দাম। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। তবে সব ধরনের নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসের মধ্যে সৌরশক্তি সবচেয়ে সম্ভাবনাময়। নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়াতে দেশেও নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের উচিত নবায়নযোগ্য জ্বালানির রোডম্যাপ তৈরি করা এবং সে অনুযায়ী কাজ করা।
দেশে প্রতিদিন গড়ে ৪.৫ কিলোওয়াট আওয়ার/বর্গমিটার সৌর বিকিরণ লাভ করে। বায়ু বিদ্যুতের জন্য সম্ভাবনা এখানো গবেষণাধীন। বর্তমানে ১৩টি স্থান থেকে বাতাসের উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনডিপির অর্থায়নে স্রেপজেন প্রকল্প থেকে বায়োমাস রিসোর্স ম্যাপিং সমীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। এই সমীক্ষার পর দেশে বায়োমাসের সম্ভাবনার ওপর একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। বায়োমাস হলো মূলত জৈবপদার্থ, যাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়। সৌরশক্তির একটি ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ, যা সবুজ গাছপালা দ্বারা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুত থাকে। বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই এমন জায়গাগুলোতে জনসাধারণ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। রান্নার জন্য বায়োমাস ও শস্য এবং কাপড় শুকানোর জন্য সৌরশক্তি এবং বায়ু ব্যবহার একটি ঐতিহ্যবাহী উপায় যাতে হাজার হাজার বছর ধরে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহৃত হচ্ছে।
মূলত: সৌর বিদ্যুতে ব্যাপক সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ। ভারত, দুবাই, মেক্সিকো, চিলি, ব্রাজিল, অস্টেলিয়া ও মরোক্কসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বড় বড় সোলার নির্ভর প্রকল্প চালু হয়েছে। তবে তাদের চাইতে চাইতে বাংলাদেশে সৌর বিকিরনের হার অনেক বেশি। বর্তমানে দেশে প্রতিদিন গড়ে ৪ দশমিক ৫ কিলোওয়াট আওয়ার/বর্গমিটার সৌর বিকিরণ লাভ করে। এক্ষেত্রে দেশের অপেক্ষাকৃত বেশি সৌর বিকিরণ হওয়া এলাকাগুলোতে সোলার সিটি তৈরি করা হলে তা দেশের জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
সমুদ্রঢেউ, সমুদ্রের তাপ ও জোয়ার-ভাটার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্ভব। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পানিপ্রবাহকে (কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ) কাজে লাগিয়েছেও। কাজে লাগিয়েছে বায়োগ্যাসকেও। এটিও বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। গ্রামাঞ্চলে এ গ্যাসের ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে। রান্নাবান্না এবং বাতি জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এভাবে ময়লা-আবর্জনা রিসাইকেল করে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন করা যেতে পারে।
বাংলাদেশে বায়োগ্যাসভিত্তিক বিদ্যুতের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের সহজপ্রাপ্য বায়োগ্যাসের উৎসসমূহ হল: তুষ, ফসলের অবশিষ্টাংশ, কাঠ, পাটকাঠি, পশুর বর্জ্য, পৌর বর্জ্য, আখের ছোবড়া ইত্যাদি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে সমগ্র দেশে ছড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। পশু ও পৌর বর্জ্য হইতে উৎপন্ন বায়োগ্যাস বাংলাদেশের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল নবায়ানযোগ্য জ্বালানির উৎস হতে পারে। সমগ্র বাংলাদেশে বর্তমানে কয়েক হাজার পরিবারিক ও গ্রামভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট রয়েছে। রান্না-বান্নার কার্যে এবং গ্রাম ও উপ-শহর এলাকায় বিদ্যুৎ ঘাটতির সময় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য মৌলিক বায়োগ্যাস প্রযুক্তি একটি সম্ভাবনাময় উৎস।
প্রসঙ্গত, নবায়নযোগ্য জ্বালানিই আমাদের ভবিষ্যৎ। কারণ অনবায়নযোগ্য খাত থেকে জ্বালানি উৎপাদন সীমিত। এছাড়া এই খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় অন্য যেকোনো পদ্ধতির চেয়ে কম। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ঘিরে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকারের উচিত হবে, সবসময় শুধু আমদানির কথা চিন্তা না করে দেশীয় সক্ষমতা ও দেশীয় উৎস্য থেকেই কিভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা সাশ্রয়ী মূল্যে জনগনের কাছে কিভাবে পৌছানো যায় সেই চিন্তা করা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দেশের দেশের ভূপৃষ্ঠ এবং সাগরে থাকা বিপুল গ্যাস উত্তোলনের পাশাপাশি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকেও জাতীয় বিদ্যুৎ উ’পাদন ব্যবস্থায় সংযুক্ত করা। বায়ুবিদ্যুতের মতো অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতগুলোতেও ব্যাপক অর্থায়ন করা। বাজেট বরাদ্দ করা। যেসব দেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের কাছ থেকে প্রযুক্তি সহায়তা গ্রহণ করা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আজ মহিমান্বিত ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরুল বাশার, সাইয়্যিদুল আরব, আবুল বাশার, ছহিবু নূরে মুজাসসাম, সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিন।
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র পহেলা মুহররমুল হারাম শরীফ। খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিন।
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৯শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৮ যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৭ যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক অর্থাৎ সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এ সুমহান দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করা গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ পবিত্র ২৬শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিসবাতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ মহামহিম ২৫শে যিলহজ্জ শরীফ। ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাবুল ইলম ওয়াল হিকাম, আসাদুল্লাহিল গালিব, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুরতাদ্বা, হায়দার, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সুমহান খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ২৩ লাখ কোটি টাকা ঋণের টাকা ঋণের সুদ পরিশোধেই ব্যয় হচ্ছে বিদেশী ঋণ নির্ভরতা থেকে সরকারকে তওবা করতে হবে
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সরকার দলীয় শ্রমিক কর্মচারী তথা গণ আন্দোলনের মুখে সাবেক প্রতারক সরকার যেখানে ডিপিওয়ার্ল্ড নিষিদ্ধ করেছে সেখানে নির্বাচিত দাবীদার বর্তমান সরকার কী করে সে দেশ বিক্রির পথেই হেটে ডিপিওয়ার্ল্ডকে আনতে পারে?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ভারত একটি চরম সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি এবং দিপাক্ষিক চুক্তি- এমনকী নিজ দেশের সংবিধান সবই ভারত বর্বরতার সাথে লঙ্ঘন করে ও করছে। ভারতকে কঠিন শিক্ষা দিতে হবে এবং সাবেক উপদেষ্টা বিবৃত ২২ লাখ ভারতীয়কে অবিলম্বে পুশব্যাক করতে হবে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়ন শুধু সামরিক বা ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই নয় বরং ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের জজবাকে সমুন্নত করার জন্য হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আম্রিকা শকুনীরা চাচ্ছে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ তৈরী করতে। ডিপস্টেট আমলাদের দ্বারা প্রণীত হচ্ছে- রফতানী বাধাগ্রস্থ করার নীল নকশা। চা রফতানীর বাধাসমূহ অবিলম্বে দূর করতে হবে।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












