সম্পাদকীয়-১
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী মাইক্রোচিপ বা সেমিকন্ডাক্টরের ট্রিলিয়ন, ট্রিলিয়ন ডলার বাজারের প্রায় ২০ ভাগ দখল করতে পারো ইনশাআল্লাহ। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী, বাংলাদেশী এনায়েতুর রহমান
এ শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশও বাংলাদেশীকে বিশেষ সহায়তা করতে চান। বাংলাদেশ সরকারের উচিত এ আহবানে যথাযথ সাড়া দিয়ে গার্মেন্টসের চেয়েও বেশি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করা ইনশাআল্লাহ।
, ০৮ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ৩০ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
বিশ্বে প্রযুক্তি শিল্পের অন্যতম ও জরুরি সঞ্চালক সেমিকন্ডাক্টর। কিন্তু অনেকের কাছে এই খাত এখনও আড়ালে রয়ে গেছে। বিষয়টি যেন ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছেই সীমাবদ্ধ।
সেমিকন্ডাক্টরকে আধুনিক ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাড়িতে থাকা যেকোনো প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক জিনিসপত্রে (কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন, বৈদ্যুতিক কেটলি, অটোমোবাইল) সেমিকন্ডাক্টর বা মাইক্রোচিপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মাইক্রোচিপকে বলা হয় বিশ্বের নতুন তেল সম্পদ। এটি এমন দুর্লভ ও প্রয়োজনীয় সম্পদ যা আধুনিক বিশ্বের জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে। ক্ষেপণাস্ত্র থেকে শুরু করে মাইক্রোওয়েভ, স্মার্টফোন থেকে পুঁজিবাজার ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই রয়েছে চিপের দখল।
প্রযুক্তির এই অভাবনীয় বিকাশের যুগে অনন্য সম্ভাবনাময় একটি অর্থনৈতিক খাত হয়ে উঠেছে মাইক্রোচিপ। এই খাত ২০৩৩ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের রাজস্ব আয়ের প্রত্যাশা করছে। অথচ বিনিয়োগহীনতা ও পরিকল্পনার অভাবে বাংলাদেশ এখনো বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে প্রবেশের জন্য প্রস্তুতই নয়।
আধুনিক যুগে একজন মানুষ স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করে দৈনিক ৬০-১১০ বিলিয়ন সেমিকন্ডাক্টর ব্যবহার করছে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি তাইওয়ানে অবস্থিত, যারা ১৯৯০-এর দশক থেকেই উৎপাদন শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের মোট বিনিয়োগ এ বছর পৌঁছাবে ১৬৫ বিলিয়ন ডলারে। তাইওয়ানের বার্ষিক উৎপাদন এখন এক কোয়াড্রিলিয়ন সেমিকন্ডাক্টর। দেশটির সরকার ২০৩৩ সাল পর্যন্ত ৯৩০ কোটি ডলার ভর্তুকি ঘোষণা করেছে।
ভিয়েতনাম ২০১০ সালে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প চালু করে এবং ইতোমধ্যেই ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার রাজস্ব আয় করেছে।
২০২৪ সালে মালয়েশিয়া ১৩ হাজার কোটি ডলারের সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানি করেছে, যা ১৯৭০-এর দশক থেকেই গড়ে ওঠা শিল্পের ফল।
চীন ২০২৪ সালে ১৪ হাজার ২০০ কোটি ডলারের সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানি করেছে, এর আগে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে।
এদিকে বাংলাদেশ এখনো এই খাতে প্রবেশের কোনো পরিকল্পনাই তৈরি করতে পারেনি।
(২)
২০২৩ সালে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) পাঁচ বছরের মধ্যে ৩০০ কোটি ডলারের রপ্তানি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। আগের সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
বর্তমান সরকারসহ আগেও কয়েক দফায় এই শিল্প গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কথার ফুলঝুরি ছাড়া কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। এশিয়াজুড়ে যখন সেমিকন্ডাক্টর শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন বাংলাদেশ এ খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে ব্যর্থ হয়েছে।
গত অর্থবছরে সেমিকন্ডাক্টর খাত থেকে বাংলাদেশে মাত্র ৮ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব এসেছে, তাও মূলত ফ্রিল্যান্সার ও বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগের ফল।
বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ মূলত প্রচলিত খাতগুলোতে সীমিত। গার্মেন্টসের চেয়ে সেমিকন্ডাক্টরে দেশে বিনিয়োগ বেশি প্রয়োজন। এতে একক পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হবে।
শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) ডিজাইন করে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে।
অথচ ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের বিশ্বব্যাপী মাইক্রোচিপ বা সেমিকন্ডাক্টরের ট্রিলিয়ন ডলার বাজারের প্রায় ২০ ভাগ দখলের যোগ্যতা রয়েছে। তবে তা অর্জনে বেশকিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাংলাদেশে আরএমজি সেক্টরে ৪০ লাখ লোক যে আয় করে, সেমিকন্ডাক্টরে এক লাখের কম মানুষ তার চেয়ে বেশি আয় করতে পারবে।
অর্থাৎ অনেক বড় স্বপ্নই বাস্তবায়ন করতে পারে প্রযুক্তি খাতে আধিপত্য বিস্তারকারী সম্ভাবনাময় সেক্টর সেমিকন্ডাক্টর শিল্প। এ সেক্টরকে পোশাক খাতের চেয়েও বড় রপ্তানিকারক শিল্পে পরিণত করতে হলে দরকার সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ।
প্রতিবছর ইলেকট্রিক্যাল-ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রিধারী প্রায় ২ লাখ প্রকৌশলী কর্মসংস্থানের সংকটে পড়েন। সেমিকন্ডাক্টর বা মাইক্রোচিপ শিল্পের বিকাশে তাদের কর্মসংস্থানসহ দেশের বিশাল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
(৩)
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের প্রথম উদ্যোক্তা প্রকৌশলী এনায়েতুর রহমান বুয়েট থেকে ১৯৭৭ সালে স্নাতক ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে তড়িৎ ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর শেষ করে বর্ণাঢ্যময় কর্মজীবনের পর বিশ্বখ্যাত চিপ নির্মাণ বিজ্ঞানী। তিনি নিজেই নকশা করার পাশাপাশি তৈরি করেছেন বেশ কিছু সেমিকন্ডাক্টর চিপ।
এনায়েতুর রহমান বলেন, “সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বিশ্বাস করি যে, বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টরের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। তার নিজস্ব কোম্পানী উলকাসেমি ও বিভিন্ন সুযোগ, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও পরামর্শ দিয়ে বাংলাদেশে মাইক্রোচিপ শিল্পের বিকাশে বিশেষ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।”
মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী বাংলাদেশী মুসলমান এনায়েতুর রহমান মনে করেন শিল্পটিতে বাংলাদেশ মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।
সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি সরকারের উচিত, মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী এনায়েতুর রহমানের এ আহবানের প্রতি বিশেষ সাড়া দেয়া। তার সদিচ্ছা, সক্ষমতা, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও পরামর্শকে কাজে লাগিয়ে মাইক্রোচিপ বাজার, গার্মেন্টস শিল্পের মত বা তার চেয়েও বেশী অংশে দখল করা ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৮৭ হাজার থেকে শিক্ষা খাতে বাজেট বেড়ে ১ লাখ সাড়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকা কিন্তু গবেষণায় বরাদ্দ কতটুকু? দুর্নীতি সহায়ক প্রবণতা- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা আর ল্যাপটপ দেয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে এসে শিক্ষার মান বাড়ানোর প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ত অর্থায়ন করতে হবে।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ মহিমান্বিত ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরুল বাশার, সাইয়্যিদুল আরব, আবুল বাশার, ছহিবু নূরে মুজাসসাম, সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিন।
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র পহেলা মুহররমুল হারাম শরীফ। খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিন।
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৯শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৮ যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৭ যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক অর্থাৎ সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এ সুমহান দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করা গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ পবিত্র ২৬শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিসবাতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ মহামহিম ২৫শে যিলহজ্জ শরীফ। ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাবুল ইলম ওয়াল হিকাম, আসাদুল্লাহিল গালিব, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুরতাদ্বা, হায়দার, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সুমহান খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ২৩ লাখ কোটি টাকা ঋণের টাকা ঋণের সুদ পরিশোধেই ব্যয় হচ্ছে বিদেশী ঋণ নির্ভরতা থেকে সরকারকে তওবা করতে হবে
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সরকার দলীয় শ্রমিক কর্মচারী তথা গণ আন্দোলনের মুখে সাবেক প্রতারক সরকার যেখানে ডিপিওয়ার্ল্ড নিষিদ্ধ করেছে সেখানে নির্বাচিত দাবীদার বর্তমান সরকার কী করে সে দেশ বিক্রির পথেই হেটে ডিপিওয়ার্ল্ডকে আনতে পারে?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ভারত একটি চরম সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি এবং দিপাক্ষিক চুক্তি- এমনকী নিজ দেশের সংবিধান সবই ভারত বর্বরতার সাথে লঙ্ঘন করে ও করছে। ভারতকে কঠিন শিক্ষা দিতে হবে এবং সাবেক উপদেষ্টা বিবৃত ২২ লাখ ভারতীয়কে অবিলম্বে পুশব্যাক করতে হবে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়ন শুধু সামরিক বা ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই নয় বরং ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের জজবাকে সমুন্নত করার জন্য হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












