হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা অবশ্যই সত্যের মাপকাঠি; অস্বীকারকারীরা কাট্টা কাফির (১২)
, ২০ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৭ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ০৯ আশ্বিন, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
উনারা প্রত্যেকেই ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন:
আহলে সুন্নত ওয়াল জামা‘আত উনার আক্বীদাহ হচ্ছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা প্রত্যেকেই ন্যায়পরায়ণ ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত বিদায় হজ্জ মুবারক উনার সম্মানিত খুৎবা মুবারকে দীর্ঘ নছীহত মুবারক করার পর সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে নির্দেশ মুবারক দিলেন-
فَلْيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ
‘আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন, যারা উপস্থিত নেই উনাদের কাছে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ পৌঁছে দিবেন। ’ এখান থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ন্যায়পরায়ণ ছিলেন। কেননা এখানে নির্দিষ্ট করে কারো নাম মুবারক ধরে বলা হয়নি যে, আপনি পৌঁছে দিবেন। বরং বলা হয়েছে আপনারা যারা উপস্থিত আছেন প্রত্যেকেই যারা অনুপস্থিত উনাদের নিকট আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ পৌঁছে দিবেন।
যার বিষয় দাঁড়ায় উনারা প্রত্যেকেই ন্যায়পরায়ণ ছিলেন, সত্যের মাপকাঠি ছিলেন তাই এই সুমহান দায়িত্ব মুবারক উনাদেরকেই দেয়া হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আবুল ফিদা হযরত ইমাম ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
والصحابة كلهم عدول عند أهل السنة والجماعة لما أثنى الله عليهم في كتابه العزيز وبما نطقت به السنة النبوية في المدح لهم في جميع أخلاقهم وأفعالهم وما بذلوه من الأموال والأرواح بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم، رغبة فيما عند الله من الثواب الجزيل والجزاء الجميل
অর্থ : আহলে সুন্নত ওয়াল জামা‘আত উনার নিকট সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ন্যায়পরায়ণ। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে উনাদের প্রশংসা মুবারক করেছেন। আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেও উনাদের আখলাক্ব মুবারক এবং উনাদের সমস্ত আমল মুবারকসমূহের প্রশংসা মুবারক করা হয়েছে। উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত উপস্থিতি মুবারকে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট থেকে সর্বোচ্চ নেকী মুবারক এবং সর্বোত্তম বদলা মুবারক পাওয়ার লক্ষ্যে উনাদের সমস্ত মাল-সম্পদ খরচ করেছেন এবং নিজেদের জীবন মুবারক বিলিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! (আল বাহিছুল হাছীছ ফী ইখতিছারে উলূমিল হাদীছ ২৪ নং পৃষ্ঠা)
এরপরেও কেউ যদি বলে, উনারা ন্যায়পরায়ণ ছিলেন না, উনারা স্বজনপ্রীতি করেছেন। না‘ঊযুবিল্লাহ! তাহলে সে কত বড় কাট্টা কাফির হবে, বাতিল ৭২ ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত হবে সেটা বলার অপেক্ষাই রাখে না।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুলতান আব্দুল হামিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইলদিজ প্রাসাদে ইফতার আয়োজনের স্মৃতিকথা
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৬)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের অনবদ্য তাজদীদ মুবারক-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের হাঁচি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৬)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক পবিত্র কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












