সৃষ্টরি ইতহিাসে এই প্রথম আহলু বাইতি রসূলল্লিাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়মি মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্ললি আলামীন মামদূহ র্মুশদি ক্ববিলা সাইয়্যদিুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহসি সালাম উনার মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি নূরুস সালাম মুবারক-এ মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক র্বণনা (৮)
, ২৫ ছফর শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১৩ রবি’ ১৩৯১ শামসী সন , ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
সুওয়াল: কুদরত মুবারকটা কেমন ছিলো?
জওয়াব মুবারক: এটা গোল, একটা বলের মতো। (উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনি কুদরতের মেছালী ছূরতটা) দেখিয়ে বললেন যে, কুদরতের মেছালী ছূরত হলো এটা। উনি কুদরত মুবারকের মেছালী ছূরতটা দেখিয়েছেন। এরপর মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের তরফ থেকে আমাকে বলা হলো যে, এটা বুঝতে হলে মহান আল্লাহ পাক উনার ছমাদিয়াতটা বুঝতে হবে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছমাদিয়াতটা বুঝতে হবে, উনার শান মুবারক বুঝতে হবে। উনাকে যে মহান আল্লাহ পাক উনি সব হাদিয়া মুবারক করেছেন, এটা বুঝতে হবে। আর মহান আল্লাহ পাক উনি যেমন ছলাত পাঠ করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিও ছলাত পাঠ করেন মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি। যাহিরীভাবে মানুষ দেখে না, বুঝে না।
এর পরবর্তী সময় মূল জিনিসটা প্রকাশ করলেন। এখন এগুলি ইলমী বিষয়, ফিকিরের বিষয়। যারা ফিকির করবে, তারা হয়তো বুঝতে পারে। সবাই তো বুঝবে না। কারণ পবিত্র কুদরত মুবারক তো পবিত্র কুদরত মুবারকই।
এখন আবার পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যেও পার্থক্য আছে। স্বাভাবিকভাবে পবিত্র কুদরত মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার একটা জাতী ছিফত। যা সৃষ্টি নয়। আবার মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে অলৌকিক কোনো জিনিস বের হলে সেটাকেও পবিত্র কুদরত মুবারক বলা হয়। যেমন- নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে অলৌকিক বিষয়কে ‘মু’জিযা শরীফ’ বলা হয়, আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অলৌকিক বিষয়কে ‘কারামত’ বলা হয়।
এখন যারা আছে তারা বুঝেছে কি না? বুঝতে হবে, ফিকির করতে হবে। আর ইলিমের বিষয়টা তো কঠিন। পবিত্র ইলিম মুবারক তো মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে আসে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
[ اِنَّـمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللهِ} [اَلْمُلْكُ: ২৬}
‘নিশ্চয়ই ইলিম মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে। ’
এজন্য বলেছিলাম যে, এটা ভাষা দিয়ে মিলানো বা বুঝানো খুব কঠিন। প্রকাশ করাটাও কঠিন। আবার বুঝানোও কঠিন। এখন কেউ যদি ফিকির না করে, সে বুঝবে না। এটা বুঝতে হলে ফিকির করতে হবে। আর বিষয়গুলিতো এক সাথে ফিকির করতে হবে, তখন বুঝা যাবে। বিচ্ছিন্ন বিষয়। ইস্তাওয়াটা বুঝা গেছে সহজে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইস্তাওয়া করিয়েছেন, পার্থক্য সূচনা করেছেন। এটা তুলনামূলক সহজ বিষয় ছিলো। কিন্তু পবিত্র কুদরত মুবারক তো কঠিন বিষয়। এটা একদম বা একেবারে সরাসরি ওজুদ মুবারক উনার সাথে সংশ্লিষ্ট। এটার ব্যাখ্যা মানুষ করবে কিভাবে? আর এই বিষয়গুলো যদি মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি না বলেন, তাহলে বুঝার তো কোনো কিছু পাওয়া যাবে না আগে বা পরে।
يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَـعَالـٰى
এখন يَدُوْرُ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَـعَالـٰى এখানে يَدُوْرُ বলতে আসলে ঘুর্ণয়মান না, অবস্থান মুবারক। মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি সৃষ্টি করে অবস্থান করালেন উনার নিয়ন্ত্রণে। ওটাই
{ قَدَّرَ فَـهَدٰى} [اَلْاَعْلَى: ৩]
{قَدَّرَهٗ تَـقْدِيْــرًا} [اَلْفُرْقَانُ: ২]
সব দিলেন।
আর এরপরে بِالْقُدْرَةِ (বিল কুদরত)। আসলে بِالْقُدْرَةِ (বিল কুদরত) অর্থ নিয়ন্ত্রন অর্থাৎ এখানে অন্য কোনো বিষয় নয়। কুদরত মুবারক। এটা সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে একটা নিসবত। মহান আল্লাহ পাক উনি নিয়ন্ত্রণকারী। এটা আর কারো সাথে নেই। একমাত্র নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে, আর কারো সাথে না। আবার ঠিক ওই ওজুদ মুবারক থেকে নূর মুবারক নিয়েই সমস্ত কিছু সৃষ্টি করা হয়েছে। এখানে কারো সম্পর্ক নেই। একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের নিসবত মুবারক। ” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ ইবনে ছিদ্দীকুর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৪৪)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে বর্ণনা মুবার
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত ওয়ালিদাইন শরীফাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের খুশি মুবারক প্রকাশ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে গভীর নিসবত মুবারক এবং ২৪ ঘণ্টা দায়িমীভাবে উনাদের মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ মশগূল থাকার বিষয়ে বর্ণনা মুবারক (২)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৫)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে গভীর নিসবত মুবারক এবং ২৪ ঘণ্টা দায়িমীভাবে উনাদের মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ মশগূল থাকার বিষয়ে বর্ণনা মুবারক (১)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বিশেষ বিশেষ নিসবত মুবারক সম্পর্কে বর্ণনা মুবারক
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম “لِـيَـعْبُدُوْنِ (লিইয়া’বুদূন) থেকে لِـيُصَلُّوْنِ (লিইউছল্লূন) পর্যন্ত ৮টি মাক্বাম মুবারক উনাদের বর্ণনা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী কায়িম-মাক্বাম হিসেবে, উনার হুবহু নক্বশা মুবারক হিসেবে উনার সমস্ত নিয়ামত মুবারক আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করা
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












