হযরত মীর্জা মাযহার জানজানান শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি মায়ের পেট থেকে ত্রিশ পারা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার হাফেজ ছিলেন। কিতাবে লেখে- দু’জন ব্যক্তি মায়ের পেট থেকে ত্রিশ পারার হাফেজ হয়ে জন্ম গ্রহণ করেছেন। একজন হলেন- হযরত বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি, দ্বিতীয়জন হলেন- হযরত মীর্জা মাযহার জানজানান শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি। যিনি বাদশাহ আলমগীরের আত্মীয় ছিলেন। তিনি ওলীয়ে মাদারযাদ, হাফেজে মাদারযাদ, বিরাট বুযুর্গ। তিনি উনার পীর ছাহেব হযরত নূর মুহম্মদ বাদায়ুনী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে রীতিমত যাওয়া-আসা করতেন। একদিন পীর ছাহেব বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “কিতাবে মানুষ লিখে থাকে, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন اَحَدٌ ‘আহাদ’ আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ৬ই শা’বান শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন- “নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার যে বিষয়টা তিনি যে বিচার চাইবেন। আমি উনাকে বলেছিলাম যিনি মহাসম্মানিত ও মহাপব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে বললেন, আয় বারে এলাহী! আপনি আমাকে দীদার দিন, আমি আপনাকে দেখতে চাই। মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনি কখনই আমাকে দেখতে পারবেন না। বরং আপনি পাহাড়ের দিকে তাকান। যখন তাজাল্লা যাহির করবো, পাহাড়টা যদি তার স্বস্থানে স্থির থাকে, তাহলে আপনি আমাকে দেখতে পাবেন। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন পাহাড়ের উপর তাজাল্লা নিক্ষেপ করলেন, পাহাড়টা টুকরো টুকরো হয়ে গেলো এবং হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি বেহুঁশ হয়ে পড়ে গেলেন।
এ প্রসঙ্গে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১লা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক-এ সম্মানিত আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিষয়গুলি অনেকবার বলা হয়েছে এবং আমাদ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪০ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ লাইলাতুল খ্বামীস শরীফ (বৃহস্পতিবার রাত) সম্মানিত তারাবীহ্ নামায উনার পর সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
সেটাই তিনি যখন সংবাদটা দিলেন তখন তিনি বললেন যে,
مَنْ أَنبَأَكَ هٰذَا
ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে কে এই সংবাদটা দিলেন? তিনি বললেন-
قَالَ نَبَّأَنِيَ الْعَلِيمُ الْخَبِيرُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে এই সংবাদটা দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এখন কিন্তু এই তিনটা পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে এই জিনিসটা ফায়ছালা হয়ে গেল। পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা তিনি নিয়ন্ত্রিত। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারকের জন্য বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১লা জুমাদাল উখরা শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ বা সোমবার রাত্র) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لِـىْ مَعَ اللهِ وَقْتٌ لَّا يَسْعٰنِـىْ فِـيْهِ م বাকি অংশ পড়ুন...
(৬ষ্ঠ পৃষ্ঠার পর)
আনুগত্যতার ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন সূরা ইউনূস শরীফের ৬৪ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَمَا أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا لِيُطَاعَ بِإِذْنِ اللَّهِ ۚ
রসূলগণ উনাদেরকে প্রেরণ করাই হয় আনুগত্য করার জন্য। অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন ইরশাদ মুবারক করেন-
أَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
তোমরা যদি মু’মিন হয়ে থাকো তাহলে তোমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে যে মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উনাদের আনুগত্য করা। এখান থেকে সুস্পষ্ট বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৯ হিজরী শরীফ উনার ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল জুমুআহ্ শরীফ ইরশাদ মুবারক করেন “গত জুমুআয় (১২ই যিলহজ্জ শরীফ ইয়াওমুল জুমুআহ্ শরীফ) আমি যখন জুমুআর আলোচনা মুবারক ও খুতবা মুবারক শেষ করে সম্মানিত নামায মুবারক শুরু করবো, সে মুহূর্তে আমি দেখতে পেলাম যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হয বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ নাযিল হয়েছে এখানে ১১৪ খানা পবিত্র সূরা শরীফ রয়েছেন। পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ এটা নাযিল হয়েছে ১০৭ নম্বর। নাযিলের তারতীব অনুযায়ী ১০৭। আর এর আগে পবিত্র সূরা নূর শরীফ নাযিল করা হয়েছে, সেটা হচ্ছে ১০২ নম্বর সূরা শরীফ, তারতীব অনুযায়ী। আর এর আগে নাযিল হয়েছে পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ ৯০তম সূরা। প্রত্যেকটা সূরা শরীফ মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে নাযিল করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
পবিত্র সূরাগুলোর তারতীব ৯০, ১০২, ১০৭ থাকার পরও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ব্যতিক্রম রয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...












