সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৫৭)
, ২১ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৪ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৩ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ১৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
ফানা-বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক
উস্তুনে হান্নানা উনার ঈমান জাগরনী ওয়াক্বিয়া মুবারক
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হিজরত মুবারক উনার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে একখানা শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি (বা কা-) মুবারক-এ হেলান মুবারক দিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খুুতবা মুবারক দিতেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়ায-নছীহত মুবারক করতেন। একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু ছিলেন, যিনি কাঠের কাজ করতেন। একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ তিনি আরযী পেশ করেন- ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি যদি দয়া করে অনুমতি মুবারক প্রদান করেন, তাহলে একখানা ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মিম্বার শরীফ’ তৈরী করতে চাই, যেখানে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নিয়ে আপনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খুতবা মুবারক দিবেন, ওয়ায-নছীহত মুবারক করবেন। সুবহানাল্লাহ! তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দয়া করে উনাকে অনুমতি মুবারক দান করেন। সুবহানাল্লাহ! অবশেষে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মিম্বার শরীফ তৈরী হওয়ার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই খেজুর গাছের খুঁটি (কা-) মুবারকখানা ছেড়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মিম্বার শরীফ উনার উপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খুতবা দেয়া, ওয়ায-নছীহত মুবারক করা শুরু করেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জুদায়ী মুবারক উনার কারণে সেই শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি মুবারক থেকে করুণ কান্নার আওয়াজ ভেসে আসতে লাগলো। খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা বাচ্চা শিশুর ন্যায় ফুফিয়ে ফুফিয়ে অবিরত ধারায় কান্না করতে থাকেন। উপস্থিত সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা কান্নার সেই আওয়াজ শুনে উনারাও কান্না মুবারক করতে থাকেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন এই অবস্থা দেখলেন, তখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মিম্বার শরীফ থেকে নেমে উক্ত খুঁটি মুবারক উনার নিকট যেয়ে উক্ত খুঁটি মুবারকখানা উনাকে স্বীয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইল্ম মুবারক (সীনা মুবারক) উনার সাথে জড়িয়ে নেন এবং সেই খুঁটি মুবারক উনার উপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (হাত মুবারক) বুলিয়ে আদর-¯েœহ মুবারক দান করেন। তখন সেই শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা বাচ্চা শিুশুর ন্যায় কান্না করতে করতে শান্ত হয়ে গেলেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ইমাম কাযী আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَهُوَ فِي نَفْسِهِ مَشْهُورٌ مُنْتَشِرٌ وَالْخَبَرُ بِهِ مُتَوَاتِرٌ قَدْ خَرَّجَهُ أَهْلُ الصَّحِيحِ وَرَوَاهُ مِنَ الصَّحَابَةِ بِضْعَةَ عَشَرَ مِنْهُمْ حَضْرَتْ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ عَبْدُ الله بن عمر رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ بُرَيْدَةُ وَحَضْرَتْ أُمُّ سَلَمَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ الْمُطَّلِبُ بْنُ أَبِي رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَدَاعَةَ كُلُّهُمْ يُحَدِّثُ بِمَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ
অর্থ: “(উস্তুনে হান্নান বা শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি মুবারক সংক্রান্ত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা নিজেই মশহূর ও বহুল প্রচারিত। এই খবরটি মুতাওয়াতির পর্যায়ের (অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য) এবং এটি ছহীহ হাদীছ শরীফ গ্রন্থগুলোতে বর্ণিত হয়েছেন। আর এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে প্রায় ১০ জনের অধিক হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা বর্ণনা করেছেন। উনাদের মধ্যে রয়েছেন- ১. হযরত উবাই ইবনে কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, ২. হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, ৩. হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, ৪. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, ৫. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, ৬. হযরত সাহল ইবনে সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, ৭. হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, ৮. হযরত বুরাইদাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি, ৯. হযরত উম্মে সালামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি এবং ১০. হযরত মুত্তালিব ইবনে আবী ওদা‘আহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। উনারা সকলেই একই অর্থে এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা বর্ণনা করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (শিফা শরীফ ১/৫৮১)
যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ جِذْعُ نَخْلَةٍ فِي الْمَسْجِدِ يُسْنِدُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ظَهْرَهُ إِلَيْهِ إِذَا كَانَ يَوْمُ جُمُعَةٍ أَوْ حَدَثَ أَمْرٌ يُرِيدُ أَنْ يُكَلِّمَ النَّاسَ فَقَالُوا أَلَا نَجْعَلُ لَكَ يَا رَسُولَ اللهِ شَيْئًا كَقَدْرِ قِيَامِكَ قَالَ لَا عَلَيْكُمْ أَنْ تَفْعَلُوا فَصَنَعُوا لَهُ مِنْبَرًا ثَلَاثَ مَرَاقِي فَجَلَسَ عَلَيْهِ فَخَارَ الْجِذْعُ كَمَا تَخُورُ الْبَقَرَةُ جَزَعًا عَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَالْتَزَمَهُ وَمَسَحَهُ حَتَّى سَكَنَ
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে একখানা খেজুর গাছের খুঁটি মুবারক ছিলেন। সম্মানিত জুমু‘আহ্ শরীফ উনার দিন বা কোনো বিশেষ বিষয়ের কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে কিছু বলার ইচ্ছা মুবারক করতেন, তখন তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল আত্বহার মুবারক (পিঠ মুবারক) সেই খেজুর গাছের খুঁটিতে ভর করে অর্থাৎ উক্ত খুঁটি মুবারক-এ হেলান মুবারক দিয়ে আলোচনা মুবারক করতেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা আরযু করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা কি আপনার জন্য এমন একটি জিনিস তৈরী করবো না, যার উপর আপনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল কুওওয়াত মুবারক (দাঁড়ানো শান মুবারক) প্রকাশ করবেন? অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খুৎবা মুবারক দিবেন এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শাফাক্বাত মুবারক (বসার শান মুবারক) করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নছীহত মুবারক করবেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনারা এটা করতে কোনো সমস্যা নেই অর্থাৎ আপনাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অনুমতি মুবারক দেয়া হলো। তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য তিন সিঁড়ি বিশিষ্ট একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মিম্বার শরীফ তৈরী করলেন। অতঃপর তিনি সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মিম্বার শরীফ উনার উপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শাফাক্বাত মুবারক (বসার শান মুবারক) প্রকাশ করেন। তখন খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার (জুদায়ী মুবারক উনার কারণে) দুঃখ-কষ্টে গাভির আওয়াজের মতো আওয়াজ করে করুনভাবে কান্না করতে থাকেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উক্ত খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইল্ম মুবারক-এ (সীনা মুবারক-এ) জড়িয়ে নেন এবং উনার উপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (হাত মুবারক) বুলিয়ে দিয়ে আদর-স্নেহ মুবারক দান করেন। ফলে, খুঁটি মুবারকখানা ইতমিনান হয়ে যান, শান্ত হয়ে যান।” সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদে আহমাদ ১০/১২৭)
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৭২)
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৫০)
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৭১)
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৪৯)
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মালিকুত তামাম, ক্বাসিমুন নিআম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ফাতহ মুবারক উনার বরকত (১ম পর্ব)
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আপাদমস্তক মহাসম্মানিত নূর মুবারক; উনার ছায়া ছিলো না
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৪৮)
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পশু-পাখিদের মহব্বত ও সম্মান প্রদর্শনের কিছু নমুনা (২)
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৭০)
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৪৭)
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












