সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৪৯)
, ২০ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৬ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
উস্তুনে হান্নানা উনার ঈমান জাগরনী ওয়াক্বিয়া মুবারক
‘দারিমী, শারহুয যারক্বানী, তারীখুল খমীস, বাহ্জাতুল মাহাফিল, আস সীরাতুল হালাবিয়্যাহ, শিফা শরীফসহ’ আরো অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
وَفِي حَدِيث حَضْرَتْ بُرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قال النبىّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنْ شِئْتَ أَرُدُّكَ إِلَى الْحَائِطِ الَّذِي كُنْتَ فِيهِ تَنْبُتُ لَكَ عُرُوقُكَ وَيَكْمُلُ خلقك وَيُجَدَّدُ لَكَ خُوصٌ وَثَمَرَةٌ وَإِنْ شِئْتَ أَغْرِسكَ فِي الجَنَّةِ فَيَأْكُلُ أَوْلِيَاءُ اللَّه من ثَمَرِكَ ثُمَّ أَصْغَى لَهُ النَّبِيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَمِعُ مَا يَقُولُ فَقَالَ بَلْ تَغْرِسُنِي فِي الجَنَّةِ فَيَأْكُلُ مِنّي أَوْلِيَاءُ اللَّه وَأَكُونُ فِي مَكانٍ لَا أَبْلَى فِيهِ فَسَمِعَهُ من يَلِيهِ فَقَالَ النَّبِيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ فَعَلْتُ ثُمَّ قَالَ اخْتَارَ دَارَ الْبَقَاءِ عَلَى دَارِ الْفَنَاءِ
অর্থ: “হযরত বুরায়দাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি (উক্ত শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা উনাকে উদ্দেশ্য করে) ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যদি তুমি ইচ্ছা করো তাহলে আমি তোমাকে সেই বাগানে পুনরায় রোপণ করবো, যেই বাগানে তুমি ছিলে। তোমার শিকড় জন্মাবে, তোমার আকৃতি পূর্ণতা দেয়া হবে, তোমাকে নতুন ডাল-পালা ও ফুলে-ফলে সুশোভিত করে দেয়া হবে। আর যদি তুমি চাও তাহলে আমি তোমাকে সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার বাগানে লাগিয়ে দিবো। সেখানে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ ব্যক্তিগণ তোমার ফল গ্রহণ করবেন, খাবেন।’ তারপর উক্ত খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা যা বলেছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল হায়া’ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কান মুবারক) লাগিয়ে শুনেছেন। অতঃপর ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘(সে বলছে- ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) বরং দয়া করে আপনি আমাকে সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ রোপণ করুন। (সেখানে) আমার থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ ব্যক্তিগণ ফল গ্রহণ করবেন, খাবেন। আর আমি এমন অবস্থানে থাকবো, যেখানে আমি কখনো ক্ষয়প্রাপ্ত হবো না, পুরাতন হবো না, বৃদ্ধ হবো না।’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পাশে যাঁরা ছিলেন, উনারা সবাই উক্ত খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা উনার কথা শুনতে পান। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘অবশ্যই আমি তা করবো।’ তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা অস্থায়ী জগতের উপর অর্থাৎ ইহকালের উপর স্থায়ী জগকে অর্থাৎ পরকালকে প্রাধান্য দিয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ সেই খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা পরকালে অনন্তকালব্যাপী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার মাধ্যমে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবত মুবারক হাছিলের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ইমাম কাযী আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
فَكَانَ حَضْرَتْ الحَسَنُ رحمة الله عليه إذَا حَدَّثَ بِهَذَا بَكَى وَقَالَ يَا عِبَادَ اللَّه الْخَشَبَةُ تَحِنُّ إِلَى رَسُول اللَّه صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَوْقًا إليْهِ لِمَكَانِهِ فَأَنْتُمْ أَحَقُّ أَنْ تَشْتَاقُوا إِلَى لِقَائِهِ
অথ: “হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন (উস্তুনে হান্নানা উনার) এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করতেন, তখন কেঁদে কেঁদে বলতেন, হে মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দাগণ! এক খ- কাঠ যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জুদায়ী মুবারক উনার কারণে) উনার মুহব্বতে এরূপ কান্না করতে পারেন, তাহলে আপনারা তো তার চেয়ে বেশি হক্বদার যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দীদার মুবারক উনার আশায় আপনারা উন্মুখ হয়ে থাকবেন।” সুবহানাল্লাহ! (শিফা শরীফ ১/৫৮৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তার্বারুক মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র স্পর্শ মুবারক) উনার কারণে যদি প্রাণহীন শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি মুবারক হাক্বীক্বী প্রাণ ফিরে পান এবং জুদায়ী মুবারক উনার কারণে বেকারার হয়ে বাচ্চা শিশুর ন্যায় উচ্চ আওয়াজে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না মুবারক করেন, আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দয়া করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইল্ম মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সীনা মুবারক-এ) জড়িয়ে নিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক) বুলিয়ে শান্তনা মুবারক দেন এবং অনন্তকালের জন্য জান্নাতবাসী করে দেন ও অনন্তকালের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবত মুবারক দান করেন। তাহলে সরাসরি কোনো উম্মত যদি উনার মুহব্বত মুবারক-এ গ¦রক্ব হয়ে উনার মাঝে হাক্বীক্বী ফানা ও বাক্বা হন, তাহলে সেই উম্মতকে রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কতটুকু দয়া-ইহসান মুবারক করবেন, মায়া-মুহব্বত মুবারক করবেন এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবত মুবারক দান করবেন? আর প্রাণহীন শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারক-এ এত অধিক ফানা-বাক্বা হন, তাহলে সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সবাইকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে কতটুকু ফানা ও বাক্বা হতে হবে? তাহলে উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কত বেমেছাল? এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সব। সুবহানাল্লাহ!
তাই, সমস্ত উম্মতের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে হাক্বীক্বীভাবে ফানা ও বাক্বা হয়ে উনার জন্য তাদের মাল-সম্পদ তো অবশ্যই; এমনকি নিজেদের জীবনটাও কুরবান করে দেয়া। সুবহানাল্লাহ! তাহলেই তারা ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী লাভ করতে পারবে।
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে আমাদের সবাইকে ক্ববূল করুন। আমীন!
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রায় সাড়ে ১৪০০ বছর পর মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি হাদীছ শরীফ لِـىْ مَعَ اللهِ وَقْتٌ উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, জান্নাতী ইমাম, সাইয়্যিদুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহনাওয়াসা আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুহব্বত মুবারক করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি হযরত উম্মাহাতুল মু’মনিীন আলাইহন্নিাস সালাম উনাদরে এবং মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি হযরত আবনাউ রসূলল্লিাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদরে এবং মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি হযরত বানাতু রসূলল্লিাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদরে বমেছোল তা‘য়াল্লুক্ব-নসিবত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সকলের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হুজরা শরীফ নির্মাণ
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি নিজেই বলেছেন উনার মহাসম্মানিত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক আলোচনা মুবারক করার জন্য
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৪)
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ‘আল মানছূর’ লক্বব মুবারক উনার অর্থ মুবারক
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












