ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে নূরুত তাশরীফে রসূলিল্লাহি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয (৮৬)
, ১৪ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৭ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ১০ কার্তিক, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
যেটা হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে-
إِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ، وَاللهُ يُعْطِي
“মহান আল্লাহ পাক দেন, আল্লাহ্ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেটা বণ্টন করে থাকেন।”
কেউ যদি কোন কিছু হাছিল করতে চায় মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে, কায়িনাতের মধ্যে, ইহকাল এবং পরকালের মধ্যে তাহলে একমাত্র নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যমে তাকে যেতে হবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ছাড়া কস্মিনকালেও কিয়ামত পর্যন্ত, অনন্তকাল ধরে, পরকালেও কেউ কোন কিছু হাছিল করতে পারবে না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে যে তায়াল্লুক রাখবে, নিসবত রাখবে, সম্পর্কে রাখবে সেই কিছু হাছিল করতে পারবে। এছাড়া কারো পক্ষে কিছু হাছিল করা সম্ভব নয়।
মহান আল্লাহ পাক উনার আশিক-মা’শূক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং। আর মহান আল্লাহ পাক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, যে সমস্ত নিয়ামত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেয়া হয়েছে তিনি সেটার বণ্টনকারী।
কাজেই বণ্টনকারী তিনি যাকে যেভাবে বণ্টন করবেন, যতটুকু দিবেন সে ততটুকুই পাবে। আর বণ্টকারীতো তাকেই দিবেন যার সাথে উনার তায়াল্লুক রয়েছে, নিসবত রয়েছে, সম্পর্ক রয়েছে।
কাজেই সেজন্য এটা বলা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসবতে, তায়াল্লুকে যে যতটুকু থাকবে তার জন্য ঠিক ততটুকু ফযীলত, ততটুকু বুযুর্গী এবং সে ততটুকু মহান আল্লাহ পাক উনার মহব্বত-মা’রিফাত হাছিল করবে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তাওয়াজ্জুহ, যিয়ারত, মহব্বত হাছিল করতে পারবে। অন্যথায় হাজারো কোশেশ করলেও সে কিছুই হাছিল করতে পারবে না।
আবূ জাহিল, আবূ লাহাব, উতবা, শাইবা, মুগীরা এক আল্লাহ পাক উনাকে মানতে তারাও রাজি ছিল, কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মানতে তারা রাজি হয়নি। যার জন্য তারা আল্লাহ পাক উনাকে মানতে পারেনি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে না মানার কারণে তাদের ইহকাল পরকাল বরবাদ হয়ে গেছে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে না মানার কারণে তাদের সব ধ্বংস হয়ে গেছে। কাজেই এখন পর্যন্ত, কিয়ামত পর্যন্ত যত মাখলূক, জিন-ইনসান আসবে তারা যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তা’যীম-তাকরীম না করে, না মানে যথাযথভাবে, আল্লাহ পাক উনাকে তারা মানতে পারবে না।
কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহব্বত না করলে মহান আল্লাহ পাক তাকে মহব্বত দান করবেন না। কস্মিনকালেও দান করবেন না। কখনই সে পাবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহব্বতের মাধ্যম দিয়েই তাকে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে যেতে হবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ব্যতীত কারো পক্ষেই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে যাওয়া সম্ভব নয়। কস্মিনকালেও সেটা সম্ভব নয়। সেটাইতো মহান আল্লাহ পাক বলে দিয়েছেন কুরআন শরীফে-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ
মহান আল্লাহ পাক তিনি এ আয়াত শরীফে স্পষ্টভাবে বলেন- “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, সত্যিই তোমরা যদি আল্লাহ্ পাক উনার মহব্বতের দাবিদার হয়ে থাকো আমার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইত্তিবা করো। আমার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইত্তিবা করলেই আমি মহব্বত করবো। গুনাহখতা মাফ করবো, আমি দয়ালু হবো।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা পালন করা পুরুষ-মহিলা সবার জন্য ফরজ
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসলামী শরীয়তে মদ ও জুয়া হারাম
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা শক্ত হারাম, রয়েছে কঠিন শাস্তি
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা জায়েয নেই
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ফাদ্বায়িলে উম্মাহাতিল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম (৪)
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দ্বীন ইসলাম উনার জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর ৩ শ্রেণী
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শরীয়তের দৃষ্টিতে কোন রোগই ছোঁয়াচে নয়,
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












