ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয (৪৬)
, ০৩ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৭ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এর মধ্যে একটা হচ্ছে, ইয়াওমুল ইছনাইন শরীফ (সোমবার) তো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে সম্মানিত হয়ে গেছে। তার তো আর সম্মানের দরকার নেই। মঙ্গলবারের সম্মানের দরকার ছিল। যার জন্য আফদ্বালুন্ নাস, বা’দাল আম্বিয়া হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনাকে মঙ্গলবারের দিন বিছাল শরীফ দিলেন। মঙ্গলবার সম্মানিত হয়ে গেল। সুবহানাল্লাহ!
তিনি কিন্তু আরজি করেছিলেন, যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইয়াওমুল ইছনাইন শরীফ (সোমবার) দিন বিছাল শরীফ লাভ করেছেন। আমার যদি ইয়াওমুল ইছনাইন শরীফ (সোমবার) দিন বিছাল শরীফ হতো। কারণ ইয়াওমুল ইছনাইন শরীফ বা সোমবারের যে সম্মান রয়েছে, ইজ্জত রয়েছে তা উনাদের জানা ছিল। যার জন্য তিনি বিদায়ের সময়ও আর্জি করেছেন।
আমার ইন্তিকাল যদি ইয়াওমুল ইছনাইন শরীফ অর্থাৎ সোমবারে হতো তাহলে কত উত্তম হতো। কত উত্তম হতো। কাজেই, খুব চিন্তার বিষয়, ফিকিরের বিষয়। খুব তা’যীম-তাকরীম। কারণ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সংশ্লিষ্ট যা কিছু রয়েছে তাকে ইজ্জত সম্মান করা ফরযে আইন। ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে, ইয়াওমুল ইছনাইন শরীফ (সোমবার) দিনকে সম্মান করা ফরযে আইন। বিন্দু থেকে বিন্দুতম ইহানত করলে কাট্টা কুফরী হয়ে যাবে। ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। এটা মনে রাখতে হবে।
যে, কদু খাওয়া সুন্নত। কদুকে তা’যীম-তাকরীম করা ফরয। কেন? একমাত্র তায়াল্লুক মায়ার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে তায়াল্লুক থাকার কারণে সম্মানিত হয়েছে। এখন কদু খাওয়া সুন্নত।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে কদু খেয়েছেন সেই কদু কি আপনারা কেউ দেখেছেন? কেউ দেখেন নি। আমরা কেউ দেখিনি। সেই কদুতো আরব দেশে ছিল। আমাদের দেশের কদু আর সেই দেশের কদু পার্থক্য থাকতে পারে। সেই কদুর সিলসিলা যদি ধরা হয় তবে হাজার হাজার নসব অতিবাহিত হয়ে গেছে। সেই দেশের কদুতো এই দেশে নেই। ঐ দেশের যে কদু রয়েছে আমাদের দেশে আরেক কদু রয়েছে। সেই কদুর বংশধর যদি ধরা হয় সেটা হতে পারে অথবা তা গায়েবও হয়ে যেতে পারে। অন্য কদু এসে থাকতে পারে।
তারপরও শুধু নামের সাথে সংযুক্ত রয়েছে কদু এতটুকু। এইজন্য এই কদুকে সম্মান করা ফরযে আইন হয়ে গেছে। এটাই যদি হয়ে থাকে, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সংযুক্ত রয়েছে ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ, ইয়াওমুল ইছনাইন শরীফ (সোমবার) দিন তাহলে সেই দিনটার কেন ইজ্জত থাকবে না, সম্মান থাকবে না? সেই দিনকে কেন ইহানত করলে কুফরী হবে না? অবশ্যই কুফরী হবে।
যদি কেউ বলে ঈদে মীলাদুন্ নবী, ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর মানা শিরক, বিদয়াত, কুফরী তাহলে সে কাট্টা কাফির। এক নম্বর কাফির হবে। সে আবু জাহিল, আবু লাহাব, উবাই বিন সুলূলের মত এক নম্বর জাহান্নামে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে নিপতিত করবেন।
কাজেই, খুব সাবধান থাকতে হবে। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সংশ্লিষ্ট যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছু, সমস্ত কিছু ফযীলতপ্রাপ্ত হয়েছে। সম্মানিত হয়েছে। তা’যীম-তাকরীমের উপযুক্ত হয়েছে। ইজ্জত সম্মানের উপযুক্ত হয়েছে। এটা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা মনে রাখবেন। এই আক্বীদা পোষণ করতে হবে।
এর খিলাফ যদি কেউ আক্বীদা পোষণ করে সে খারিজী, রাফিযী, মু’তাজিলা, ওহাবী, সালাফী বাতিল ফিরকার অন্তর্ভুক্ত হবে। যা আমাদের দেশে রয়েছে। কাজেই, এদের বদ আক্বীদা, বদ মাযহাব থেকে সাবধান থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে।
এরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানের কথা শুনলে এদের শরীর জ্বলে উঠে। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ছানা-ছিফত করেছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইজ্জত দিয়েছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজে নিজের ছানা-ছিফত করেছেন।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইজ্জত দিয়েছেন। ইজমা’ হয়েছে। কাজেই, এরপরতো কথা থাকতে পারে না। কাজেই মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তা’যীম-তাকরীম যথাযথ করার তাওফিক দান করেন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সর্বাবস্থায় যাঁরা দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি দৃঢ়চিত্ত থাকেন উনারাই হক্কানী আলেম
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠের বিস্ময়কর বাস্তব ঘটনাসমূহ
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ফিক্বাহ বা ফতওয়ার সকল কিতাবেই গান-বাজনা, বাদ্য-যন্ত্র ইত্যাদিকে হারাম ফতওয়া দেয়া হয়েছে
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দেশে দেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসমূহের পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস (১৬তম পর্ব)
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৮)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
অসংখ্য হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত- প্রাণীর ছবি হারাম
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলমানদের জন্য সমস্ত খেলাধুলা হারাম
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ শরীয়তসম্মত, নিখুঁত, ব্যবহারে সহজ এবং রহমত, বরকত, সাকীনা লাভের কারণ (৬)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শেখ চুল্লির দুনিয়াবী সম্পদ গড়ার অলীক কল্পনা এবং হাক্বীক্বত বাস্তবতা
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যবসা করা হালাল ও সুন্নত আর সুদ হারাম
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












