ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (৬৪)
, ০২ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৪ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ০৮ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
কিন্তু এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার প্রেক্ষিতে মানুষ বলে নানা কারণে নাযিল হয়েছে। তবে মূল নাযিল হয়েছে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا يُرِيدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পবিত্র থেকে পবিত্রতম করতে চান, সমস্ত নাপাকী দূর করতে চান। অর্থাৎ পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই উনাদেরকে তিনি সৃষ্টি মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এই পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক নাযিল হয়েছে মূল হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপর একই পবিত্র আয়াত শরীফ একাধিক বার নাযিল হয়েছে। মূল নাযিল হয়েছে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পবিত্র থেকে পবিত্রতম করতে চান, সমস্ত নাপাকী দূর করতে চান। অর্থাৎ পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই উনাদেরকে তিনি সৃষ্টি মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
কাজেই এই পবিত্র আয়াত শরীফ কিন্তু উনাদের শান মুবারকেই মূলে নাযিল হয়েছে। এরপরে অন্যান্যদের শান মুবারকেও বলা হয়েছে যে, সমস্ত মহাসম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। তাহলে উনাদের শান-মান কতটুকু এটা ফিকির করতে হবে। এখন এগুলো মানুষ না বুঝার কারণে এবং আক্বল-সমঝ, বুদ্ধি না থাকার কারণে মানুষ অপব্যাখ্যা করে। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন উনাদের মতো। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি একক, উনার মহাসম্মানিত হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একক, ঠিক হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও একক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের খুছূছিয়াত, বৈশিষ্ট্য মুবারক আরো অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে আছে। আমরা পর্যায়ক্রমে যদি সম্ভব হয় সামনে আরো আলোচনা করবো, যাতে এগুলি শুনে মানুষ হাক্বীক্বতটা উপলদ্ধি করে আক্বীদাহ শুদ্ধ রাখতে পারে, উনাদের প্রতি হুসনে যন পোষণ করতে পারে। আর উনাদের যে শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত এটাতো একটা কল্পনাতীত বিষয়। এখন মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানুষ চু-চেরা কীল-কাল করে সরাসরি ওহী মুবারক নাযিল হওয়ার পরও। নাউযুবিল্লাহ!
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَى، إِنْ هُوَ إِلاَّ وَحْيٌ يُوحَى
তিনি ওহী মুবারক ছাড়া কোন কথা মুবারক বলেন না, কোন কিছু করেন না, কোন সম্মতি মুবারকও দেন না। এরপরও মানুষ বলে তিনি না-কি নিজ থেকে কাজ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এটা যদি তারা বলতে পারে, তাহলে তারা বাকিটাও বলতে পারে। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই বিষয়গুলো ফিকিরের বিষয়। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা কিন্তু কখনও নিজ থেকে কোন কাজ করেন নাই। ইলহাম-ইলক্বাতো অবশ্যই, এটা কোন বিষয়ই না। উনারা সরাসরি মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ ও নির্দেশ মুবারক অনুযায়ি সমস্ত আমল মুবারকগুলো করেছেন। আদেশ-নির্দেশ মুবারকও উনারা করেছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এজন্য উনাদের শান মুবারকে বলা হয় উনাদেরকে ইত্ত্বেলা করা হয়েছে। যেমন মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক ‘মুত্ত্বালা’ আলাল গইব’, সমস্ত ইলমে গইব মুবারক উনাকে ইত্ত্বেলা করা হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শ্রেষ্ঠ উসমানীয় সুলতান মুরাদ আল রাবির ন্যায়পরায়নতা এবং এক রাতের ঘটনা
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত তিনটি বিষয়
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
অসংখ্য হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত- প্রাণীর ছবি হারাম
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান আল্লাহ পাক উনাকে যদি কেউ হাক্বীক্বী ভয় করতে চায়, তার তিনটি দায়িত্ব
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (৯)
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












