ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য ও হুকুম-আহ্কাম (৩৭)
, ০২ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ১৪ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এখন যদি কোন ব্যক্তি কোন মহিলার কাছে কিছু চায়; এবং কোন মহিলা যদি কোন পুরুষকে কিছু দিতে হয় তাহলে সেটা কিভাবে দিবে, সেটাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উল্লেখ করে দিলেন।
যদি কিছু বলতেই হয় বা চাইতেই হয়, তাহলে কি করবে-
وَإِذَا سَأَلْتُمُوْهُنَّ مَتَاعًا
“যখন তোমরা কিছু চাবে কোন মহিলার কাছে অথবা কোন মহিলা যদি পুরুষকে কিছু দিতে চায়।
فَاسْأَلُوْهُنَّ مِنْ وَّرَاءِ حِجَابٍ
সে যেন পর্দার আড়াল থেকে চায়। অথবা পর্দার আড়াল থেকে যেন সে দেয়।
হাদীছ শরীফে এসেছে, “আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনেক মহিলারা অনেক সময় কিছু দিয়েছেন, সেটা পর্দার আড়াল থেকে দেয়া হয়েছে, বেপর্দা হয়ে দেয়া হয়নি। ”
যখন পর্দার আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেলো, এরপর থেকে পর্দার যা হুকুম-আহকাম ছিলো পুরোপুরি সেটা আমল করা হয়েছে। সে অনুযায়ী আদেশ এবং নির্দেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে কোন ত্রুটি করা হয়নি।
সেটাই বলা হয়েছে, যদি তোমাদের কিছু দিতে হয় অথবা কিছু নিতে হয়, অথবা চাইতে হয় তখন পর্দার আড়াল থেকেই চাইবে এবং দিবে।
ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ
এটা হচ্ছে তোমাদের জন্য এবং যাদের কাছে চাইবে সে মহিলা তাদের অন্তরের পবিত্রতার কারণ। আয়াত শরীফখানা নাযিল হলো হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ (হযরত যয়নাব বিনতে জাহাশ) আলাইহাস সালাম উনাকে উপলক্ষ করে। কিন্তু হুকুমটা আম, নুযূল খাছ।
পূর্বে আমি যে আয়াত শরীফ বলেছি, সে আয়াত শরীফের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি চান, আপনাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে, হে আহলে বাইত! এবং পবিত্রা করার মত পবিত্রা করতে চান।
খাছ করে, এ আয়াত শরীফখানা নাযিল হয়েছিলো মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য। হুকুম সেখানেও আম।
এখানে খাছ করে বলা হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি চান যে আপনাদেরকে পবিত্রা করার জন্য। ”
এখন এর খাছ হুকুম হচ্ছে আহলে বাইত, যারা উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম। উনারা ছিলেন মূল লক্ষ্যস্থল। কিন্তু এর হুকুম আম। অর্থাৎ নুযূল খাছ, হুকুম আম।
মহান আল্লাহ পাক তিনি চান প্রত্যেক পর্দানশীন, যারা নেককার, পরহিযগার মহিলা রয়েছে তাদেরকে পবিত্রা করতে।
لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ
“মহান আল্লাহ পাক তিনি চান তোমাদেরকে পবিত্রা করার জন্য। ”
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
“এবং পবিত্রা করার মত পবিত্রা করতে চান। ”
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক পবিত্র কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ক্বদরের রাত্রিতে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম যমীনে নাযিল হয়ে চারটি বরকতময় স্থানে শান্তির পতাকা স্থাপন করেন-
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসলামী শরীয়তের আলোকে কুকুর নিধন (৯)
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বেপর্দা হওয়া লা’নত ও হালাকীর কারণ
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৪)
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কোন মুসলমানের জন্য কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা জায়েয নেই
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড এর পরিচিতি এবং উদ্দেশ্য (৬)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












