ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫৯¬)
, ২০ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৯ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এক প্রসঙ্গে আমি আলোচনা করতেছিলাম-
فَلَمَّا قَضَىٰ زَيْدٌ مِّنْهَا وَطَرًا زَوَّجْنَاكَهَا لِكَيْ لَا يَكُونَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ حَرَجٌ
এখানে পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অর্থ মুবারক হচ্ছে সহজ সরল- হযরত যায়িদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে উনার যে নিসবতুল আযীম শরীফ সম্পন্ন হয়েছিল তিনি সেটা থেকে মুক্ত হয়ে গেলেন, জুদা হয়ে গেলেন। ফায়সালা করে নিলেন। এরপর যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
زَوَّجْنَاكَهَا
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জানিয়ে দিচ্ছেন, আমি আপনাকে এই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে নিসবতুল আযীম শরীফ সম্পন্ন মুবারক করে দিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বিষয়গুলি যখন আমি আলোচনা করতেছিলাম তখন তিনি আমাকে জানালেন, আমরা যে বলেছি-
لِى وَلَنَا مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقْتٌ لَّا يَسْعٰنِى فِيْهِ مَلَكٌ مُّقَرَّبٌ وَلَا نَبِىٌّ مُّرْسَلٌ
(মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমার এবং আমাদের এমন একটি সময় রয়েছে অর্থাৎ দায়েমীভাবে এমন নিছবত মুবারক রয়েছেন যেখানে কোন নৈকট্যপ্রাপ্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের স্থান সঙ্কুলান হয় না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ) এইটা হচ্ছে সেইটা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাদের সাথে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে নিসবত মুবারক এই নিসবত মুবারকের কারণে আমাদেরকে সেভাবেই সৃষ্টি করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে উনার সাথে সেভাবেই নিসবত মুবারক স্থাপন করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত কতটুকু এটা ফিকির করতে হবে। এটা আসলে মানুষ সাধারণভাবে উপলব্ধি করতে পারবে না। এটা কল্পনার বাইরে বিষয়টা। উনাদের খুছূছিয়াত, উনাদের বৈশিষ্ট্য, ফযীলত মুবারক যেটা বলা হচ্ছে, কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, একজন মা উনার যে ফযীলত কতটুকু সাধারণভাবে। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বর্ণনা করেন, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করা হয়েছে পিতা-মাতার হক্ব সম্পর্কে। একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ মূল ধরে বাকিগুলি তার সাথে সহযোগী ধরা হয়। সেটা হচ্ছে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا، وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا.
এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনাকে মূল ধরা হয়। অন্যান্য আরো অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদেরকে সহযোগী ধরা হয়।
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, সাবধান হয়ে যাও! আদেশ করা হচ্ছে, কি আদেশ করা হচ্ছে তোমাদেরকে। তোমাদের যিনি রব তায়ালা যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আদেশ মুবারক করছেন-
وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ব্যতিত তোমরা অন্য কারো ইবাদত- বন্দেগী করো না।
আর কি করতে হবে?
وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
এরপর তোমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, তোমাদের পিতা-মাতাদের প্রতি ইহসান করা। ইহসান করবে কি করে? সন্তান কখনও ক্বিয়ামত পর্যন্ত পিতা-মাতার হক্ব আদায় করতে পারবে না। তবে যতটুকু সম্ভব তার শরাফত, তার ভদ্রতা, তার আদব, তার যত খিদমত, যত মহব্বত, নিসবত, কুরবত পুরাটা দিয়ে সে পিতা-মাতার খিদমতের আঞ্জাম দিবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অকাট্য দলীল দ্বারা সুস্পষ্টভাবে “গান-বাজনা” হারাম
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (২)
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানদের জন্য সমস্ত খেলাধুলা হারাম
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কাফিররা যতই মাল-সম্পদ খরচ করুক, তারা মুসলমানদের নিকট পরাস্ত হবেই হবে
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা পালন করা পুরুষ-মহিলা সবার জন্য ফরজ
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানী বা হারাম কাজ থেকে খালিছ তওবা করে উনার যিকির ও ইবাদতে খালিছভাবে মনোনিবেশ করলে কুদরতী রিযিক লাভ করা যায়
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (৩)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












