নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, একজন মুসলমান আর একজন কাফিরের মধ্যে পার্থক্যকারী হচ্ছেন- পবিত্র ছলাত বা নামায।
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- পাঁচ ওয়াক্ত নামায যথাযথভাবে আদায় করা। যে ব্যক্তি এক ওয়াক্ত নামায ক্বাযা আদায় করবে অর্থাৎ সময়মত পড়লো না- পরে ক্বাযা করে নিলো- তবুও তাকে এক হোক্ববা অর্থাৎ দুই কোটি আটাশি লক্ষ বছর জাহান্নামে জ্বলতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!
তাই প্রত্যেক পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র ছলাত বা নামাযের ব্যাপারে যতœবান হওয়া অর্থাৎ যথাসময়ে যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায আদায় করে নেয়া। পবিত্র ছলাত বা নামাযের বিষয়ে কোনো প্রকার গাফলতী না করা। তবেই ইহকাল ও পরকালে নাযাত লাভ করা সম্ভব হবে।
, ২৭ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৭ হাদি আশির, ১৩৯২ শামসী সন , ২৬ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রি:, ১৩ বৈশাখ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, একজন মুসলমান আর একজন কাফিরের মধ্যে পার্থক্যকারী হচ্ছেন- পবিত্র ছলাত বা নামায। তাই সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- পাঁচ ওয়াক্ত নামায যথাযথভাবে আদায় করা।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, স্মরণীয় যে, যে ব্যক্তি এক ওয়াক্ত নামায ক্বাযা আদায় করবে অর্থাৎ সময়মত পড়লো না- পরে ক্বাযা করে নিলো- তবুও তাকে আশি হোক্ববা অর্থাৎ দুই কোটি আটাশি লক্ষ বছর জাহান্নামে জ্বলতে হবে। নাউযুবিল্লাহ! এপ্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, ‘যে ব্যক্তি পবিত্র ছলাত বা নামায তরক করলো, এমনকি পবিত্র ছলাত বা নামাযের ওয়াক্ত শেষ হয়ে গেল, অতঃপর সে ব্যক্তি তার ক্বাজা আদায় করলো, সে জাহান্নামে এক হোক্ববা শাস্তি ভোগ করবে। আর এক হোক্ববা হচ্ছে আশি বছর এবং এক বছর হচ্ছে তিনশত ষাট দিন, প্রতিটি দিন হচ্ছে- হাজার বছরের সমান।” (মাজালিসুল আবরার, আল্ মানাসিক) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মুতাবিক হোক্ববার পরিমাণ দুনিয়াবী বছর অনুযায়ী নিম্নরূপ-(৮০ বছর ী ৩৬০ দিন = ২৮৮০০ দিন ী ১০০০ বছর = ২,৮৮,০০০০০ বছর।) অতএব, এক হোক্ববা = ২,৮৮,০০০০০ বছর। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উল্লেখ্য, ক্বাযা নামায আদায়কারী ব্যক্তির উপর ওয়াক্ত মুতাবিক পবিত্র ছলাত বা নামায ফরয হয়েছিল কিন্তু সে যথাসময়ে ফরয আদায় করেনি। অর্থাৎ ওয়াক্ত ফউত হওয়ার পর সে আদায় করেছে। ফরয নামায যথাসময়ে আদায় না করার কারণেই তাকে এক হোক্ববা অর্থাৎ দুই কোটি আটাশি লক্ষ বছর শাস্তি ভোগ করতে হবে। এখন সে যদি খালিছ তওবা করে, তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করে দিবেন। অন্যথায় তওবা ব্যতীত পবিত্র ছলাত বা নামাযের ক্বাযা আদায় করলেও শাস্তি থেকে অব্যহতি বা রেহাই পাওয়া যাবে না। আর যারা নামাযের ক্বাযাও আদায় করবে না আর তওবাও করবে না, তাদের যে কি শাস্তি হবে, সে সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনিই সবচেয়ে ভাল জানেন। উল্লেখ্য পবিত্র ছলাত বা নামাযের গুরুত্ব বুঝানোর জন্যই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখিত শাস্তির কথা বলা হয়েছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র ছলাত বা নামাযের গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো উল্লেখ আছে, ‘হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদা পবিত্র ছলাত বা নামাযের প্রসঙ্গ উপস্থাপন করে ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র ছলাত বা নামায হিফাযত করবে, তা ক্বিয়ামতের দিন তার জন্য নূর, প্রমাণ ও নাযাতের উসীলা হবে। সুবহানাল্লাহ! আর যে ব্যক্তি পবিত্র ছলাত বা নামায হিফাযত করবে না, তার জন্য তা নূর, প্রমাণ ও নাযাতের উসীলা হবে না। ক্বিয়ামতের দিন সে ব্যক্তি কারূন, ফিরআউন, হামান ও উবাই বিন খলফের সাথে থাকবে।” নাঊযুবিল্লাহ! (আহমদ, দারিমী ও বাইহাক্বী ফী শুয়াবিল্ ঈমান)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই প্রত্যেক পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র ছলাত বা নামাযের ব্যাপারে যতœবান হওয়া অর্থাৎ যথাসময়ে যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায আদায় করে নেয়া। পবিত্র ছলাত বা নামাযের বিষয়ে কোনো প্রকার গাফলতী না করা। তবেই ইহকাল ও পরকালে নাযাত লাভ করা সম্ভব হবে।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৬শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ দিবাগত রাতটিই হচ্ছেন পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ২৭ তারিখ রাত। যে রাতে বিশেষভাবে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ তালাশ করার নির্দেশ মুবারক দেয়া হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকাতুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ‘আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, বরকতময় এই আইয়্যামুল্লাহ শরীফ যথাযথ তা’যীম-তাকরীমের সাথে উদযাপন করা।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে রমাদ্বান শরীফ ১৪৪৭ হিজরী মুতাবিক ১৯শে আশির ১৩৯৩ শামসী, ১৯শে মার্চ ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ১, ৪, ৭, ১২, ১৪, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সউদী ওহাবী, ইহুদী সরকার এবং তাদের অনুসারীরা যুগ যুগ ধরে চাঁদ না দেখে আরবী মাস শুরু করে মুসলমানদের পবিত্র ঈমান-আমল অর্থাৎ পবিত্র রোযা, পবিত্র ঈদ, পবিত্র হজ্জ ইত্যাদি নষ্ট করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা মালিকাতুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আ’শিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ মহান দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফের আয়োজন করা।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ছদকাতুল ফিতরের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে কেবল গম অথবা আটার মূল্যে। সর্বাধিক বিশুদ্ধ মতে, অর্ধ সা’ হচ্ছে ১ সের সাড়ে ১২ ছটাক বা ১৬৫৭ গ্রাম। এ বছর ঢাকা শহরে ভালো আটা ৭০ টাকা কেজি হিসেবে ছদকাতুল ফিতর হলো প্রায় ১১৬ টাকা। এর কম দেয়া যাবে না। তবে ইচ্ছা করলে বেশি দিতে পারবে। দেশের প্রধান খাদ্য দিয়ে ছদকাতুল ফিতর আদায় করা- এটা মূলত বাতিল ফিরক্বা লা-মাযহাবীদের মত।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যে ব্যক্তি পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর থেকে মাহরুম হবে, সে সমস্ত ভালাই অর্থাৎ খায়ের বরকত থেকেই মাহরুম হবে। নাঊযুবিল্লাহ! প্রত্যেক বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশ দিনের বেজোড় রাত্রিগুলোতে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করার লক্ষ্যে ইবাদত-বন্দেগী ও খালিছ তওবা-ইস্তিগফার ও দোয়া-মুনাজাত করা। যা প্রত্যেকের জন্যই ইহকাল ও পরকালে নাযাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশ দিন প্রত্যেক জামে মসজিদে ই’তিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া। সুবহানাল্লাহ! এ বছর অর্থাৎ ১৪৪৭ হিজরী সনের ই’তিকাফের জন্য পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার বিশ তারিখ অর্থাৎ আগামীকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সূর্য ডুবার পূর্বেই মসজিদে প্রবেশ করতে হবে এবং পবিত্র শাওয়াল শরীফ মাস উনার চাঁদ উঠার সংবাদ পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করতে হবে।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ্ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি সিবতু রসূল আর রবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিলাফতী শান মুবারক গ্রহণ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার আয়োজন করা।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় বেমেছাল ফযীলতযুক্ত ঐতিহাসিক ১৭ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যে মহাসম্মানিত দিবসে- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এই সুমহান দিন হচ্ছেন- মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ পবিত্র বদর জিহাদ দিবস এবং পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা খাছ সুন্নত মুবারক ও জিহাদ স্বরূপ। ইরান ও ফিলিস্তিনসহ সারা বিশ্বব্যাপী মুসলিম দেশসমূহে পরগাছা ইসরায়েল ও সন্ত্রাসী আমেরিকা কঠিন জুলুম করছে। বর্তমান সময়ে ইহুদী, নাছারা ও মুশরিকদের বিরুদ্ধে সব সময় শক্ত বদ দুআ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১৫ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদু শা’বাবী আহলিল জান্নাহ, সিবতু রসূল আর রবি’, ইমামুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ মহান দিবসে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিলের আয়োজন করা। আর যথাযথভাবে উনাকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করা।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












