আইন
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনী কার্যক্রম
, ২৫ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৬ ছানী আশার, ১৩৯১ শামসী সন , ০৫, মে, ২০২৪ খ্রি:, ২২ বৈশাখ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “অধিকাংশ আহলে কিতাবরা (ইহুদী-নাছারা) প্রতিহিংসা বশত চায়- ঈমান আনার পর পুনরায় তোমাদেরকে কাফির বানিয়ে দিতে। ” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ১০৯)
অমুসলিমরা মুসলমানগণের ঈমান নষ্ট করে বেঈমান কাফের হওয়ার দিকে ঠেলে দিতে যে মাধ্যমগুলোকে বেছে নিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো- ১) নাস্তিকতা অর্থাৎ কুফরী সিলেবাস সম্বলিত শিক্ষা ব্যবস্থা। ২) সুদ ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা। ৩) আইন ও বিচার ব্যবস্থা।
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে, “কেউ যদি কোথাও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ শরীয়ত বিরোধী গুনাহের কাজ সংগঠিত হতে দেখে তখন সে ব্যক্তি যেন তা প্রতিহত করে তার হাত দ্বারা, তা সম্ভব না হলে মুখে বলে বাধা দিবে, তাও সম্ভব না হলে অন্তরে ঘৃণা করে উক্ত স্থান ত্যাগ করবে, এটা অত্যন্ত দূর্বল ঈমানের পরিচয়। আর অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “এই তিন স্তরের পরে সরিষা পরিমাণ ঈমানও অবশিষ্ট থাকে না। ”
সম্রাজ্যবাদীরা গণতন্ত্রের মত এক অর্থহীন- অচল- অকার্যকর পদ্ধতি বিশ্বে চাপিয়ে দিয়ে এবং তার মাধ্যমে নিজেদের সুবিধা আদায়ে সহায়ক শাসক শ্রেণী বসিয়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। এইসব শাসক শ্রেণী কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সুবিধাটুকুই দেখে প্রকারান্তরে বঞ্চিত থাকে আপামর জনগোষ্ঠী। এতদিন যাবত এই তথাকথিত গণতন্ত্র মানুষকে শিখিয়েছে “বিচার ব্যবস্থা” হচ্ছে স্বাধীন এবং সেখানে সুবিধা বঞ্চিত মানুষ তার ন্যায্য হক আদায় করতে সক্ষম হবে। যদিও এটা ছিল গণতন্ত্রীদের ফাকা বুলী বরং বাস্তবে দেখা যাচ্ছে এই বিচার ব্যবস্থাও মূলত শাসক শ্রেণী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আর বর্তমানে সাম্রাজ্যবাদীরা দখল নিয়েছে এই বিচার ব্যবস্থার উপর। যে দেশে তাদের অনুগত শাসক না থাকে সেখানে তাদের মতাদর্শের বিচারক বসিয়ে নিয়ন্ত্রণ করে নিচ্ছে আর্থসামাজিক, দ্বীনি ও সাংস্কৃতিক কর্মকা- এবং অনেকটা জোর করেই মানুষকে ইসলাম থেকে, ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্রাজ্যবাদীদের অনুগত বিচারক শ্রেণী দ্বারা বাংলাদেশের শিক্ষালয় থেকে পর্দা উঠিয়ে দেয়া, সংবিধান থেকে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম তুলে দেয়া, হাইকোর্ট প্রাঙ্গনে মূর্তি বসানোর মত সাহস দেখিয়েছিল কিন্তু সেখানে তারা সফল হতে পারেনি। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দেবার লক্ষ্যে এই সম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সাম্রাজ্যবাদীরা কোর্টকে ব্যবহার করছে যার প্রমাণ এখন অনেক দেশেই রয়েছে।
বর্তমান সময়ের যিনি মহাসম্মানিত ইমাম ও মুজাদ্দিদ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ্, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি কাফির-মুশরিক এবং সাম্রাজ্যবাদীদের এইসব অপকৌশল সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে অবগত। তিনি এই বাংলাদেশের আদালতে চাপিয়ে দেয়া বৃটিশ বেনিয়াদের রচিত মনগড়া আইনের ফাঁক-ফোকরসমূহে তাদের তৈরি অস্ত্র প্রয়োগ করেই এদের প্রতিহত করার জন্য শুরু করেন “আইনী প্রক্রিয়া কার্যক্রম”। এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদের আক্বীদা বিশুদ্ধ করে ঈমান হিফাজত করা। আইনী কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত মানুষদের সম্মানিত শরীয়ত সম্পর্কে নেই স্পষ্ট ধারণা আবার যাদের ছিটেফোঁটা যাও আছে সাম্রাজ্যবাদীদের প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে এসে তারা সঠিক ইসলাম উনাকে উপস্থাপন করতে ভয় পায় ফলে এরই ফাঁক দিয়ে তারা সাধারণ মুসলমানদের ঈমান হরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! সে কারণেই হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি এই “আইনী প্রক্রিয়া কার্যক্রম” চালু করেন। সুবহানাল্লাহ। এই প্রক্রিয়াটি যেমনি ব্যয়বহুল তেমনি কষ্টসাধ্য। কেননা সম্পূর্ণ বিপরীত স্রোতে হেঁটে এখানে কার্যক্রম চালানোর জন্য যেমনি প্রয়োজন ছিল দক্ষ এবং ইসলাম উনার অনুশাসন উপলব্ধিকারী আইনজীবি তেমনি প্রয়োজন ছিল কার্যক্রম সঞ্চালনের জন্য লোকবল। কিন্তু যেহেতু সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি পরিপূর্ণভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ফলে মহান মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার দ্বারা সকল অসাধ্য কাজও সম্পূর্ণ করিয়ে নিচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ!
পাঠকের উপলব্ধির স্বার্থে নীচে বিশেষ কিছু আইনী কার্যক্রমের তালিকা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হলো। এখান থেকে অনেক বিষয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে সফলতা অর্জিত হয়েছে এবং অন্য অনেক বিষয়ে কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুলতান আব্দুল হামিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইলদিজ প্রাসাদে ইফতার আয়োজনের স্মৃতিকথা
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৬)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের অনবদ্য তাজদীদ মুবারক-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের হাঁচি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৬)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক পবিত্র কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












