মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘ঐ ব্যক্তির চেয়ে অধিক যালিম কে, যে পবিত্র মসজিদে যিকির-আযকার বা ইবাদত-বন্দেগীতে বাধা দেয়।’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি হক্ব কথা বলা হতে বিরত থাকে সে বোবা শয়তান।’
যারা পবিত্র মসজিদে নেক কাজে বাধা দেয় বা বাধা সৃষ্টি করে এবং হারাম কাজ করে ইবাদতের পরিবেশ নষ্ট করে তারা সকলেই যালিমের অন্তর্ভুক্ত। আর যেসব ইমাম বা খতীব সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কাজগুলোর পক্ষে বলে বা বিরুদ্ধে না বলে চুপ করে থাকে তারা বোবা শয়তান। অর্থাৎ উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মৌলবী।
অতএব, তাদের পিছনে নামায পড়া হারাম। তাদের ইমামতীতে নামায পড়ে থাকলে তা দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব। তাদেরকে ইমাম ও খতীব হিসেবে নিয়োগ দেয়াও নাজায়িয এবং হারাম।
, ০৯ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৩ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ০১ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৬ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “পবিত্র মসজিদে দুনিয়াবী কথা বললে চল্লিশ বছরের ইবাদত তথা নেকী নষ্ট হয়ে যায়।” “পবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর।” পবিত্র মসজিদে ঢোকার মাসয়ালা হলো- ওযু ছাড়া প্রবেশ করা মাকরূহ তানযীহী; আর গোসলের প্রয়োজন থাকলে গোসল ছাড়া প্রবেশ করা মাকরূহ তাহরীমী। সম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে যমীনের মধ্যে সবচেয়ে পছন্দনীয়, প্রিয়স্থান হচ্ছে মসজিদসমূহ।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “পাঁচ স্থানে বা সময়ে দুনিয়াবী কথা বললে চল্লিশ বছরের নেকী নষ্ট হয়। ১. কোনো হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নছীহত কালে, ২. মসজিদে, ৩. আযানের সময়, ৪. পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াতের সময় এবং ৫. কবরস্থানে।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমভাবে মসজিদে দুনিয়াবী কথা বললেই যদি চল্লিশ বছরের নেকী নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সেখানে কুফরী করলে, শিরিকী করলে, হারাম প্রচারণা চালালে- তা মহিলাদের জামায়াত আয়োজন করে হোক অথবা ছবি তুলে হোক বা ভিডিও করে হোক অথবা ছবি ও টিভি চ্যানেলের পক্ষে বলে হোক, তাহলে তারা কত শক্ত ও কঠিন গুনাহগারের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং তাদের কত বছরের নেকী নষ্ট হবে- সেটা ফিকির করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে তারা হারামকে হালাল বলে কুফরী করার কারণে মুরতাদ হবে। আর এরাই হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে মসজিদ বিরানকারীদের অন্তর্ভুক্ত। আর এদের সম্পর্কেই নাযিল হয়েছে- “তার চেয়ে অধিক যালিম কে আছে, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার ঘরে ইবাদত-বন্দেগীতে বাধা দেয় ও তা বিরান করার চেষ্টা করে। তাদের জন্য ইহকালে ও পরকালে রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক কঠিন শাস্তি।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মসজিদে চুপ করে থাকাও নেকীর অন্তর্ভুক্ত। আর মসজিদে দুনিয়াবী কথা বললে চল্লিশ বছরের নেকী নষ্ট হয়ে যায় এবং সাথে সাথে সে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত মহাযালিমের অন্তর্ভুক্তও হয়ে যায়। নাঊযুবিল্লাহ! মসজিদ সবসময় পাক-পবিত্র থাকবে। কেউ ওযু-গোসল ছাড়া ঢুকবে না। আর সেখানে সবসময় ইবাদতের পরিবেশ থাকবে। কেউ সেখানে দুনিয়াবী কথা বলবে না- এটাই পবিত্র মসজিদ উনার হক্ব। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, “যার সামনে কোনো পাপ কাজ হয়, কিন্তু সে তার বিরুদ্ধে বলে না; বরং চুপ করে থাকে, সে বোবা শয়তান।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফায়সালা হলো- যারা হালালকে হারাম বলে বা করে এবং হারামকে হালাল বলে বা করে তারা হলো মুরতাদ। আর মুরতাদ হলে তার তওবার জন্য সুযোগ তিন দিন। তা না করলে তার উপর মুরতাদের শাস্তি বর্তাবে। কাজেই যেসব ইমাম বা খতীব সম্মানিত শরীয়তবিরোধী কাজগুলোর পক্ষে বলে বা বিরুদ্ধে না বলে চুপ করে থাকে তারা বোবা শয়তান। অর্থাৎ উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মৌলবী। অতএব, তাদের পিছনে নামায পড়া হারাম। তাদের ইমামতীতে নামায পড়ে থাকলে তা দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব। তাদেরকে ইমাম ও খতীব হিসেবে নিয়োগ দেয়াও নাজায়িয এবং হারাম।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হচ্ছে বিজাতীয় ও বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা; যা তাদের দ্বারাই প্রবর্তিত। তাই কোনো মুসলমান খেলাধুলা করতে পারে না। খেলা দেখতে পারে না। খেলার সমর্থনে কোনো আলোচনা করতে পারে না। আর পবিত্র ঈমান উনার আলোকে বরদাশতও করতে পারে না। তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে কি করে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হারাম খেলাধুলা জারি থাকতে পারে?
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহান শান মুবারক সম্পর্কে কটূক্তির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীর অপচেষ্টাকারীদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে সার্বিকভাবে বর্জন করা, আন্তর্জাতিকভাবে তাদের উপর শক্ত চাপ প্রয়োগ করা।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে সমস্ত বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৯শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আ’শার আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আওলাদে রসূল, ত্বহিরা, ত্বয়্যিবা সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াদী আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহান দিবস উপলক্ষে মাহফিল করার পাশাপাশি উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া।
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস- সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ঘোষণা অনুযায়ী- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ খলীফা হিসেবে মনোনীত “পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার-প্রসারকারীগণ”। সুবহানাল্লাহ! আর সে লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন, তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র ফজর থেকে আগামী ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করতে হবে। তাকবীরে তাশরীক হলো- ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত রাতটিই হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার সম্মানিত রাত। সুবহানাল্লাহ! আর ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা অর্থাৎ পবিত্র কুরবানীর ঈদ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- পবিত্র কুরবানীর পশু ছুরি দিয়ে হাতে জবাই করাই খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত এবং অশেষ ফযীলতের কারণ। পবিত্র কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করলে তাতে পবিত্র কুরবানী ছহীহ হবে না। কারণ কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করা শরীয়তসম্মত নয়।
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












